• ই-পেপার

সাত শব্দে রোনালদোকে তুলোধোনা করলেন অঁরি

বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্যাম্পে ভূপাতিত করা হলো ড্রোন

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্যাম্পে ভূপাতিত করা হলো ড্রোন
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই মাঠের বাইরে অন্যরকম এক ‘ম্যাচ’ খেলতে হলো দক্ষিণ কোরিয়াকে। সহ-আয়োজক মেক্সিকোর বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কোরিয়ানদের রুদ্ধদ্বার অনুশীলন শিবিরে হানা দিল এক রহস্যময় ড্রোন! আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। তবে শেষ পর্যন্ত মেক্সিকোর সামরিক বাহিনীর ত্বরিত পদক্ষেপে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে ‘নিবন্ধনহীন’ ওই ড্রোনটি শনাক্ত করার পর গুলি করে ভূপাতিত করা হয়।

আসন্ন নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় কঠোর গোপনীয়তায় ট্যাকটিক্যাল অনুশীলন করছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ঠিক তখনই আকাশের বুক চিরে উড়ে আসে একটি অজ্ঞাত ড্রোন। মেক্সিকোর এক ফেডারেল কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আকাশসীমায় সন্দেহভাজন ড্রোনটি দেখামাত্রই মেক্সিকান সামরিক বাহিনী বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেটিকে নিষ্ক্রিয় ও ধ্বংস করে।

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়া শিবিরে সাময়িক চাঞ্চল্য তৈরি হলেও, দলের কোচ হং মিয়ং-বো অবশ্য সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছেন। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি কিছুটা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘অনুশীলনের সময় আকাশে ড্রোনটি আমাদের চোখে পড়েছিল। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, তখনো আমাদের মূল ট্যাকটিক্যাল (কৌশলগত) সেশন শুরু হয়নি। ফলে দলের পরিকল্পনা ফাঁস হওয়ার মতো কোনো ক্ষতি হয়নি। আমাদের প্রস্তুতিতে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।’

আগামী বৃহস্পতিবার নকআউট পর্বে ওঠার বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া। মাঠের লড়াইয়ের আগে মাঠের বাইরের এই ড্রোন-কাণ্ডে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মেক্সিকো সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ জোরদার করা হয়েছে। শুধু গুয়াদালাহারাই নয়; মেক্সিকো সিটি ও মনতেরের স্টেডিয়াম এবং দলগুলোর ক্যাম্পের আশপাশেও সম্প্রতি একাধিক ড্রোন অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল, যা কঠোরভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

অবশ্য বিশ্ব ফুটবলে ড্রোন নিয়ে এমন বিতর্ক বা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকেও নিউজিল্যান্ড দলের অনুশীলনে ড্রোন দিয়ে নজরদারি করার অপরাধে খবরের শিরোনাম হয়েছিল কানাডার নারী ফুটবল দলের কোচিং স্টাফরা, পেতে হয়েছিল শাস্তিও। এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মেক্সিকোর আকাশে ড্রোন-আতঙ্ক নতুন করে সেই বিতর্ককেই উসকে দিল। 
 

ট্রাম্পের ফোন কল ও বডিগার্ড নিয়ে ‘ভীত’ যুক্তরাষ্ট্র কোচ যা বললেন

ক্রীড়া ডেস্ক
ট্রাম্পের ফোন কল ও বডিগার্ড নিয়ে ‘ভীত’ যুক্তরাষ্ট্র কোচ যা বললেন
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল দলের (ইউএসএমএনটি) আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড মাউরিসিও পচেত্তিনো। সম্প্রতি ‘এল পার্তিদাসো দে কোপে’-কে দেওয়া এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে নিজের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন কল এবং মাঠের ফুটবল নিয়ে মন খুলে কথা বলেছেন সাবেক এই পিএসজি ও চেলসি বস।

সাক্ষাৎকারে রসিকতার সুরে নিজের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কথা উল্লেখ করেন পচেত্তিনো। জানান, ‘জেরি’ নামের এক চমৎকার বডিগার্ড আছেন তার। আকারে খুব বড় না হলেও জেরির মুখোমুখি হওয়ার সাহস কেউ দেখাবে না! এ ছাড়া আরো দুজন বিশালদেহী নিরাপত্তারক্ষী সবসময় ছায়ার মতো তার পেছনে থাকেন। 

আমেরিকার কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একটি মজার গল্পও শেয়ার করেন তিনি। একদিন স্ত্রীকে নিয়ে সৈকতে একটু একান্ত সময় কাটাতে গিয়ে নিরাপত্তা এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন পচেত্তিনো। কিন্তু সেখানে উপচে পড়া ভিড় দেখে শেষমেশ নিজের স্টাফকে ফোন করে বডিগার্ড পাঠাতে অনুরোধ করেন! আর্জেন্টাইন এই কোচ অকপটে স্বীকার করেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এখানে নিরাপত্তা সত্যিই বেশ কঠোর ও জরুরি।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে পাওয়া বহুল আলোচিত সেই ফোন কলটি নিয়েও মুখ খুলেছেন পচেত্তিনো। পচেত্তিনো জানান, নিজের ইংরেজি দক্ষতার কারণে ট্রাম্পের বার্তা পুরোপুরি বুঝতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তিনি কিছুটা ভয়েই ছিলেন! আর এ কারণে ফোন ধরার সময় নিজের স্টাফদেরও পাশে রেখেছিলেন সাহায্য করার জন্য। তবে ট্রাম্প খুবই সদয় ছিলেন এবং সব খেলোয়াড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পচেত্তিনোর আশা, যুক্তরাষ্ট্র যদি টুর্নামেন্টের পরের ধাপগুলোতে যেতে পারে, তবে ব্যস্ত প্রেসিডেন্টকে হয়তো গ্যালারিতেই পাশে পাবেন তারা।

প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দলের বর্তমান মানসিক অবস্থা নিয়ে বেশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কোচ। তিনি বলেন, ‘দলের সবাই খুব ভালো মানসিক অবস্থায় আছেন এবং স্কোয়াডের মধ্যে দারুণ এক ইতিবাচক শক্তি কাজ করছে। কোনো ধরনের স্নায়ুচাপ বা ভবিষ্যতের পরিণতি নিয়ে না ভেবে ছেলেরা শুধু খেলাটা উপভোগ করছে।’

তবে এটি কেবল একটি ম্যাচের জয়, তাই সামনেও এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। প্যারাগুয়ে ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ সরাসরি দেখেছেন উল্লেখ করে পচেত্তিনো বলেন, আমেরিকার সমর্থকরা যদি একবার পুরোপুরি ফুটবলপ্রেমী হয়ে ওঠেন, তবে ভবিষ্যতে এই দেশটি বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তিতে পরিণত হবে।

বিশ্বকাপের অন্যান্য পরাশক্তি ও লিওনেল মেসিকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতা লুকাতে পারেননি এই আর্জেন্টাইন। মেসিকে ‘অন্য গ্রহের ফুটবলার’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, আর্জেন্টিনার এই মহাতারকাকে বর্ণনা করার মতো কোনো বিশেষণই যথেষ্ট নয়। পচেত্তিনোর চোখে, এবারও টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ফেভারিট দল আর্জেন্টিনা। 

মেসি কি এবারও ব্যালন ডি’অর পাবেন?

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি কি এবারও ব্যালন ডি’অর পাবেন?
লিওনেল মেসি। ছবি : রয়টার্স

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। আর এই পুরস্কারের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যার নাম জড়িয়ে আছে, তিনি লিওনেল মেসি। আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই মহাতারকা আবারও কি সেই সোনালি ট্রফি হাতে তুলবেন? বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন প্রশ্ন জোরালোভাবে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে ফুটবল অঙ্গনে।

বয়স ৩৮। অনেক ফুটবলারের জন্য এ সময়টা অবসরের কাছাকাছি। কিন্তু মেসির ক্ষেত্রে যেন গল্পটা উল্টো। আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে তিনি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, মহানদের বয়স হয়, কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের শেষ হয় না।

এই হ্যাটট্রিক শুধু আর্জেন্টিনাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেয়নি, মেসিকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের কাতারেও। জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁয়ে তিনি আরো একবার নিজের নাম লিখিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়।

বিশ্বকাপের আগে অবশ্য কিছু প্রশ্ন ছিল। ছয় নম্বর বিশ্বকাপ খেলতে নামা এই আর্জেন্টাইন কি এখনো আগের মতো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন? উত্তর এসেছে মাঠ থেকেই। গোল, অ্যাসিস্টের সুযোগ তৈরি, খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুতেই ছিলেন আগের সেই চেনা মেসি।

শুধু জাতীয় দল নয়, ক্লাব ফুটবলেও কাটছে দারুণ সময়। ইন্টার হয়ে চলতি মৌসুমে ইতোমধ্যে ১৩ গোল ও ৭ অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। আর আগের মৌসুমে করেছিলেন অবিশ্বাস্য ৪৩ গোল ও ২৫ অ্যাসিস্ট। বয়সকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন তিনি।

তবে ব্যালন ডি’অরের লড়াইটা সহজ হবে না। ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, নরওয়ের হয়ে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন আর্লিং হালান্ড। দুজনই গোল করেছেন প্রথম ম্যাচে। কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন মেসি, কারণ তিনি শুধু গোল করছেন না, ম্যাচের গল্পটাই বদলে দিচ্ছেন।

ব্যালন ডি’অরের ইতিহাস বলে, বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সাফল্য প্রায়ই ভোটারদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলে। সেই হিসেবে আর্জেন্টিনা যদি আবারও বিশ্বকাপ জিততে পারে এবং মেসি যদি দলের নেতৃত্বে এমন পারফরম্যান্স ধরে রাখেন, তাহলে নবম ব্যালন ডি’অর তার হাতেই উঠতে পারে।

উত্তরটা অবশ্য এখনই জানা নেই। সামনে আরো অনেক ম্যাচ, অনেক নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, ৩৮ বছর বয়সেও মেসি এমন ফুটবল খেলছেন, যা তাকে আবারও বিশ্বের সেরা হওয়ার আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

লাল কার্ড দেখে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেলেন আফ্রিকান তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
লাল কার্ড দেখে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেলেন আফ্রিকান তারকা
ছবি : রয়টার্স

মেক্সিকোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার থেম্বা জোয়ানে। সেই লাল কার্ডের খেসারতটা এবার বেশ বড় আকারেই দিতে হচ্ছে তাকে। প্রাথমিকভাবে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেটি বাড়িয়ে তিন ম্যাচ করেছে ফিফা। বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

আজ বৃহস্পতিবার আতলান্তায় গ্রুপ ‘এ’র ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্যাচসহ গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে মাঠে নামতে পারবেন না ৩৬ বছর বয়সী এই তারকা।

গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচটিতে ২-০ ব্যবধানে হেরে যায় তারা। তবে হারের চেয়েও বড় ধাক্কা ছিল দলের দুই ফুটবলারের লাল কার্ড দেখা। ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার রবার্তো আলভারাডোর মুখে আঘাত করায় জোয়ানেকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান ব্রাজিলিয়ান রেফারি উইল্টন সাম্পাইও। তার আগেই অবশ্য আরেক মিডফিল্ডার স্পেফেলো সিথোলে মাঠ ছেড়েছিল। এতে ৯ জনের দলে পরিণত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ভিডিওতে দেখা যায়, বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় মেক্সিকোর ডি-বক্সের বাইরে আলভারাডোকে কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন জোয়ানে। এ সময় দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় এবং জোয়ানের হাত গিয়ে লাগে আলভারাডোর মুখে। রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখালে বেশ বিস্মিত ও হতভম্ব দেখায় জোয়ানেকে।

বিশ্বকাপে যেকোনো লাল কার্ডের জন্য সাধারণত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে ফাউলের তীব্রতা ও আচরণ বিবেচনা করে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি এই নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে পারে। জোয়ানের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।

ম্যাচ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার বেলজিয়ান কোচ হুগো ব্রুস সিথোলের লাল কার্ড মেনে নিলেও জোয়ানের বহিষ্কারাদেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘প্রথম লাল কার্ডটি মেনে নিতেই হবে। ওদের খেলোয়াড় ফাঁকায় গোল দেওয়ার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিল এবং ইয়াইয়া (সিথোলে) তাকে ফাউল করেছে। কিন্তু দ্বিতীয় লাল কার্ডটি নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে। মেক্সিকোর খেলোয়াড়ই আমার খেলোয়াড়কে ব্লক করছিল। রেফারি হয়তো অন্য পজিশনে ছিলেন, তাই আমাদের এটা মেনে নিতে হচ্ছে। তবে আমার মনে হয় লাল কার্ড দেওয়ার মতো এত বড় অপরাধ ছিল না ওটা।’

ফিফা জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তবে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের অন্যতম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে হারানো দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বড় এক ধাক্কা।