• ই-পেপার

ওষুধ কম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

লাকসামে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
লাকসামে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

কুমিল্লার লাকসাম থানা পুলিশ একটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. শাহ আলম (২৮) নামে এক যুবককে দীর্ঘ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত ওই যুবক পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কাদ্রা গ্রামের ডিম বেপারী বাড়ির আবদুস ছোবহানের ছেলে। 

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে তাকে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী  কামরুন্নাহার লাইলী ওই আসামিকে গ্রেপ্তার এবং কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

লাকসাম থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত শাহ আলম ২০২০ সালের একটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি। দীর্ঘ বছর ধরে ওই যুবক পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১২ জুন) গভীর রাতে পৌর শহরের কাদ্রা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ ব্যাপারে লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলী ওই যুবককে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানোর বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাদকের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। এক্ষেত্রে পুলিশের জিরো টলারেন্স ঘোষণা রয়েছে।

দর্শনা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
দর্শনা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত থেকে জুলফিকার আলী (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় দর্শনা-গেদে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট সংলগ্ন সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

জুলফিকার আলী দর্শনা জয়নগর গ্রামের কালু মৌলভীর ছেলে ও দর্শনা পৌর এলাকার রামনগরের একটি বিস্কুট ফ্যাক্টরির কর্মচারী।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় যান জুলফিকার। এসময় দর্শনা-গেদে চেকপোস্টের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থানকালে গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করে। সঙ্গে থাকা আরো দুই থেকে তিনজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জুলফিকারকে বিএসএফ সদস্যরা মারধর করতে করতে ভারতীয় অংশে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

তবে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, জয়নগর গ্রামের কয়েকজন যুবক জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে দর্শনা-গেদে রেলপথের নিরাপত্তা বেষ্টনীর কিছু অংশ খোলার চেষ্টা করছিল। এসময় বিএসএফ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে জুলফিকারকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান, আটক যুবককে ভারতীয় থানায় সোপর্দ করা হতে পারে বলে তারা জানতে পেরেছেন। 

নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর সেনবাগে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরো এক আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কানকিরহাট-ছাতারপাইয়া-সোনাইমুড়ী সড়কের সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় এলাকার মুন্সির দোকান নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া গ্রামের মুসলিম স্বর্ণকার বাড়ির সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. আলমের ছেলে আসিফ ও আরিফ। আহত শাওন একই বাড়ির সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. শাহজাহানের ছেলে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে দুই সহোদর তাদের একই বাড়ির অন্য একজন নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে কানকিরহাট থেকে ছাতারপাইয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে মুন্সির দোকান এলাকায় পৌঁছালে চালক আসিফ নিয়ন্ত্রণ হারান এবং মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ছাতারপাইয়া বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে (ক্লিনিকে) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ ও আরিফকে মৃত ঘোষণা করেন অপর আহত শাওনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে দুই সহোদরের মৃত্যুর সংবাদে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সেনবাগ থানার ওসি আবদুর রহিম সরকার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আপন দুই ভাই নিহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

চরভদ্রাসনে ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

সদরপুর-চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
চরভদ্রাসনে ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় মিন্টু পাট্টাদার (৪০) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে উপজেলার প্রধান সড়কের গাজীরটেক ইউনিয়নের বাবলাতলা মাদরাসার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মিন্টু পাট্টাদার উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের পাট্টাদার ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চরভদ্রাসন বাজারের একটি ডিমের দোকানের কর্মচারী ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাজার থেকে কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন মিন্টু। পথে গাজীরটেক মোড় এলাকায় একটি বালুবাহী নম্বরবিহীন ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। দুর্ঘটনার সময় মোটরসাইকেলে তিনি একাই ছিলেন। খবর পেয়ে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান। এ ঘটনায় ড্রাম ট্রাকের ড্রাইভারকে আটক করা হয়েছে।

নিহতের ভাই সেন্টু পাট্টাদার বলেন, আমার ভাই কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল। নম্বর ও ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন ঘাতক চালকের বেপরোয়া গাড়ির চাপায় আমার ভাই মারা গেছে। আমার ভাইয়ের ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে এতিম হয়ে গেল। আমরা এই অন্যায়ের কঠোর বিচার চাই।

চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, নম্বরবিহীন একটি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত ট্রাকচালক আবির আহমেদকে (২১) ইতোমধ্যে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।