• ই-পেপার

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত?

হাম উপসর্গে আরো ৫ প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
হাম উপসর্গে আরো ৫ প্রাণহানি
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে ৭৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগেই ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৬৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ৭৩৩ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৮৪ হাজার ৮৯৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১০ হাজার ২৪৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৯ হাজার ৬০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬৫ হাজার ৮৫২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
 

বেসরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন পেনশন

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন পেনশন
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থাকে আরো বিস্তৃত করা হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই স্কিমের আওতায় অবসরের সময় মোট জমার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ গ্র্যাচুইটি বা এককালীন আনুতোষিক হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাজেটে উপস্থাপন করা হয়।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় বেশি।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চারটি স্কিমে ৩ লাখ ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছে। মোট তহবিল জমা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা, আর বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ২৮৬ কোটি টাকার কাছাকাছি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বেসরকারি খাতে কর্মরত প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শ্রমিক-কর্মীর বড় অংশই অবসরকালীন কোনো নিশ্চিত আয়ের আওতায় নেই। সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশন সুবিধা পেলেও বেসরকারি খাতে দীর্ঘদিন ধরেই এমন কাঠামোগত নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল।

স্কিমকে আরো কার্যকর ও আকর্ষণীয় করতে কয়েকটি নতুন প্রস্তাবও আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা এবং আউটসোর্সিং কর্মীদের প্রগতি স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা।

প্রস্তাবিত প্রগতি স্কিম অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মী উভয়েই চাঁদা দেবেন ৫০-৫০ অনুপাতে। মাসিক চাঁদার পরিমাণ থাকবে ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। অবসরের পর আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া মাসিক চাঁদার ওপর কর রেয়াত এবং প্রাপ্ত পেনশন করমুক্ত থাকবে। ৬০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ অর্থ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে উত্তোলনের সুযোগও থাকবে। রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত বিনিয়োগের মাধ্যমে এই তহবিল পরিচালিত হবে।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি গর্জন গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।

জানা গেছে, সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল—ক্ষমতায় এলে সারা দেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে।

কক্সবাজারের মালুমঘাটে এই কর্মসূচির উদ্বোধনের মাধ্যমে সরকার তাদের আরেকটি নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করল। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী ৫ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। 
 

বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে। নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত। 

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই সেশনের প্রতিপাদ্য হলো-ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতাকে কাজে লাগানো এবং নতুন উদ্যম ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আমি বিশ্বাস করি, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের মানসিকতাকেই ধারণ করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে সরকার নতুন সম্ভাবনার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। আমি আজ এখানে কোনো প্যানেল আলোচক হিসেবে আসিনি; বরং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার তুলে ধরতেই এসেছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র ১০০ দিনের কিছু বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত সুদৃঢ়। আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে।

সম্মেলনে বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, গত কয়েক মাসে আমাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-আমরা আমাদের দেশকে ফিরে পেয়েছি। আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, দেশে একটি উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমার হাতে এখনও ভোট দেওয়ার চিহ্ন রয়েছে। আমি আশা করি, আপনারাও নির্বাচন প্রক্রিয়াটি উপভোগ করেছেন। এই নির্বাচন আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন ভিত্তি ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেছে।

আশিক চৌধুরী আরো বলেন, আমরা সবসময় নীতির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার কথা বলেছি। বাংলাদেশ কিংবা বিশ্বের যেকোনো দেশের বিনিয়োগকারীর কাছে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। তারা শুধু ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি, বরং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্বও তাদের ওপর বর্তেছে।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।