• ই-পেপার

নবম পে স্কেল

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে দ্বিগুণ থেকে আড়াই গুণ

মে মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২৩১

অনলাইন ডেস্ক
মে মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২৩১
প্রতীকী ছবি

চলতি বছরের মে মাসে দেশজুড়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ২১৯ জন। শনিবার (১৩ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ তথ্য জানিয়েছে।  

সংগঠনটি জানায়, সারা দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৬৭৬টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২১৯ জন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬.০৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭.১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩.২৫ শতাংশ। 

এ ছাড়া দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে রেলপথে ৪২টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ২৯ জন। নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর নিখোঁজ রয়েছেন ৭ জন।

গত মে মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঢাকা বিভাগে সংগঠিত হয়েছে। ১৮০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে। এই বিভাগে ২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১টি সুপারিশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এগুলো হলো— ঈদযাত্রায় স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সারা দেশে উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রযুক্তি নির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, চালকদের উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা, কাঠামোগত সংস্কার করে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা, মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা, ফিটনেস প্রদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন, মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন উচ্ছেদ করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো, ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমি গড়ে তোলা ও পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।

মে মাসে সড়কে ৬২২ প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
মে মাসে সড়কে ৬২২ প্রাণহানি

দেশজুড়ে গত মে মাসে ৬১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬২২ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন এক হাজার ৬৫২ জন। এ ছাড়া দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে রেলপথে ৪২টি  ‍দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন ২৯ জন। নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর নিখোঁজ রয়েছেন ৭ জন।

শনিবার (১৩ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনটি জানায়, সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৬৭৬টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত ও ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত ও ২১৯ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬.০৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭.১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩.২৫ শতাংশ। গত মে মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে; ১৮০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে; ২৭ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১টি সুপারিশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এগুলো হলো— ঈদযাত্রায় স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সারা দেশে উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রযুক্তি নির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, চালকদের উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা, কাঠামোগত সংস্কার করে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা, মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা, ফিটনেস প্রদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন, মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন উচ্ছেদ করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো, ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমি গড়ে তোলা ও পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।

বৈশ্বিক বিনিয়োগে গঠনমূলক সহযোগিতা করতে আগ্রহী ঢাকা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক বিনিয়োগে গঠনমূলক সহযোগিতা করতে আগ্রহী ঢাকা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নির্ভরশীল গঠনমূলক সহযোগিতা করতে আগ্রহী ঢাকা। বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক, নিরপেক্ষ এবং স্থিতিশীল পরিবেশের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম গন্তব্য হতে চায় বাংলাদেশ।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর এক হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‌‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিক কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্মেলন’, ‘ঝুঁকি মোকাবেলায় স্থিতিস্থাপকতার সদ্ব্যবহার’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় জ্বালানি সংকটকে বিনিয়োগে বড় বাধা বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

বৈশ্বিক ঝুঁকিগুলো সফলভাবে মোকাবেলায় অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর জোর দিতে হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরো স্থিতিশীল করবে সরকার।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে টেকসই, স্বচ্ছ এবং পূর্বাভাসযোগ্য নীতিগত পরিবেশ তৈরি করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।

এ সময় প্রথাগত খাতের বাইরে গিয়ে সরকার দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা- এআই, সৃজনশীল শিল্প এবং ক্রীড়া খাতের মতো উদীয়মান বৈশ্বিক ক্ষেত্রগুলোতে সুনির্দিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও পৃষ্ঠপোষকতা বাড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে সফলভাবে তুলে ধরতে হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্র নীতির অধীনে জাতীয় উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে সম্মেলনে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কূটনীতি অগ্রাধিকারগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে অর্থবহ সংলাপ ও মতবিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে।

সম্মেলনে তিনটি বিষয়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন (থিমেটিক প্লেনারি সেশন) অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম অধিবেশন ‘দ্য পলিসি কম্পাস’এ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নীতিগত দিক নিয়ে আলোচনা হবে। দ্বিতীয় অধিবেশন ‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ’-এ বিনিয়োগ ও অর্থায়ন বিষয়ক আলোচনা হবে। তৃতীয় অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ- এআই, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ নতুন প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি এবং উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সম্মেলনের লক্ষ্য হলো সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তর ও টেকসই প্রবৃদ্ধি এজেন্ডাকে এগিয়ে নেয়া।

কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে সকাল পৌনে ৯টায় গুলশানের বাসা থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে যাচ্ছেন বিমানে। গুলশানের বাসা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান আছেন।’

বৃক্ষরোপণ, খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি।

সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজারের পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার কর্মসূচি শুরু করবেন এবং সেখানে একটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে জেলায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।