• ই-পেপার

স্বাস্থ্যনীতি শক্তিশালী করতে ‘হেলথ পার্লামেন্ট বাংলাদেশ’-এর যাত্রা শুরু

ওমেরা এলপিজির ব্যতিক্রমী রিটেইলার ক্যাম্পেইনের গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট অনুষ্ঠিত

ওমেরা এলপিজির ব্যতিক্রমী রিটেইলার ক্যাম্পেইনের গ্র্যান্ড উইনার্স নাইট অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজি আয়োজন করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন ‘‘ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই’’-এর গ্র্যান্ড Winner's Night 2026।

ওমেরা এলপিজি সবসময়ই রিটেইলার্স-দের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করে। সেই ভাবনা থেকেই ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হয় ব্যতিক্রমী এই ক্যাম্পেইন। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রিটেইলার্স-দের ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের Retail Shop সাজিয়ে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়। ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল রিটেইলার্স-দের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দেশজুড়ে ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ড ভিজিবিলিটি আরও শক্তিশালী করা এবং Retail Network-এর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বকে আরো সুদৃঢ় করা। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য পরিকল্পিত হলেও সারাদেশের রিটেইলার্স -দের অভূতপূর্ব সাড়া, উৎসাহ ও সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে ক্যাম্পেইনের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত পরিচালিত হয়।

চার মাসব্যাপী এই আয়োজনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে ৩,৫০০-এরও বেশি Retailer অংশগ্রহণ করেন, যা বাংলাদেশের এলপিজি শিল্পে Retailer Engagement-এর ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ে Top 10 Winner-দের পাশাপাশি দেশের ৬৪ জেলার সেরা Retailer-দের সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষ তিন বিজয়ী হলেন—

  • চ্যাম্পিয়ন: জামালপুরের MS Raisha Trading-এর স্বত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম রাসেল।
  • ১ম রানার-আপ: মৌলভীবাজারের Arif Sound & Lighting-এর স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুল ইসলাম।
  • ২য় রানার-আপ: হবিগঞ্জের Tofazzal Diner Aroth-এর স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল।

চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী পেয়েছেন দুইজনের বিদেশ ভ্রমণের আকর্ষণীয় ট্যুর প্যাকেজ। এছাড়াও বিজয়ীদের জন্য ছিল মোটরসাইকেল, বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন হোম এপ্লিয়েন্স এবং আকর্ষণীয় গিফট হ্যামপার। ক্যাম্পেইনজুড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক বিজয়ীদেরও সম্মাননা হিসেবে প্রদান করা হয়েছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওমেরা এলপিজির সিইও তানজীম চৌধুরী, সিওও মাথীন্দ্র ডি জয়সা, সিএফও আতিয়ার রহমান, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত বিজয়ী রিটেইলার্স এবং ওমেরা এলপিজির সেলস টিম-এর সদস্যরা।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, মনোজ্ঞ আয়োজন এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই সন্ধ্যায় ওমেরা এলপিজির Management তাদের Retail Partners-দের আন্তরিক সহযোগিতা ও আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে নিরলসভাবে কাজ করা Field Sales Team-এর অবদানও বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

‘ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই" শুধু একটি ক্যাম্পেইন নয়; এটি ছিল রিটেইলার্স -দের সঙ্গে ওমেরা এলপিজির আস্থা, সম্পৃক্ততা ও অংশীদারিত্বের এক অনন্য যাত্রা। দেশজুড়ে হাজারো Retail Shop-এ ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ড উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই উদ্যোগ বাংলাদেশের এলপিজি শিল্পে Retailer Engagement ও Brand Visibility-এর ক্ষেত্রে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

ওমেরা এলপিজি বিশ্বাস করে, একটি স্বপ্ন তখনই বাস্তবে রূপ নেয়, যখন সেই স্বপ্নে হাজারো মানুষ একসঙ্গে বিশ্বাস করে। আর এই সাফল্যের প্রকৃত অংশীদার দেশের প্রতিটি রিটেইলার, যাদের ভালোবাসা, নিষ্ঠা ও অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে এই অনন্য অর্জন।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পোস্ট-বাজেট সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পোস্ট-বাজেট সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর প্রভাব নিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ডিপার্টমেন্ট অফ ইকনমিক্স এর সহযোগিতায় পোস্ট-বাজেট সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। এতে নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস সাবের। তিনি বলেন, ‘শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করার সক্ষমতাও থাকতে হবে। জনগণ, শিল্পখাত ও শিক্ষাঙ্গনের সমন্বয় ছাড়া কোনো বাজেটই প্রকৃত অর্থে সফল হতে পারে না’। এসময় তিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিকে ‘একটি উৎকর্ষের স্থান’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আলোচক বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি খাতের অগ্রগতির প্রতিফলন।’

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. ইফতিখার মোস্তফা বলেন, ‘বাজেট কেবল সংখ্যার সমষ্টি নয়; এটি মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। তাই বাজেট প্রণয়নে জনগণকেন্দ্রিক পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল বলেন, আগের বছরের তুলনায় দেশে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে।’

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রস্তাবিত বাজেটকে গত বছরের তুলনায় উন্নত উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি শিল্প ও রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে এবং দেশ দুটি তাদের মূল পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি।’

সিম্পোজিয়ামটি সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারিয়া কবির। অনুষ্ঠান যৌথভাবে পরিচালনা করেন ফারিয়া কবির এবং অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুস্মিতা বণিক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুল ইসলাম ইয়াসিন পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন। পরে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ্র বৈরাগী শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে পাঠ করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবদুস সাত্তার। এ ছাড়া বক্তব্য দেন মার্কেটিং বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক নাজমুল হক, প্রাতিষ্ঠানিক মানোন্নয়ন সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক আজিজুল হক এবং অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা সুলতানা।

অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ম্যানেজমেন্ট এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এর প্রধান গোলাম রব্বানী। তিনি অতিথি, বক্তা, আয়োজক ও মিডিয়া পার্টনার সহ সকল  অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সিম্পোজিয়ামে আরও উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, জনসংযোগ বিভাগের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বাজেট, অর্থনৈতিক নীতি, বিনিয়োগ, জ্বালানি উন্নয়ন এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার, শিল্প ও শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন (বিএআইডি) ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ইন্টেরিয়র ডিজাইনে সৃজনশীল উৎকর্ষ উদযাপন করল বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড।

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন (বি এ আই ডি)-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের অসাধারণ প্রতিভাকে স্বীকৃতি ও উদযাপনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফরমটি সেসব সৃজনশীল ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা জানায়, যারা তাদের চিন্তা ও নকশার মাধ্যমে আমাদের অভ্যন্তরীণ পরিসরকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছেন।

বি এ আই ডি ২০২৫-এ প্রফেশনাল ও অ্যামেচার—এই দুই বিভাগে মোট ২০৮টি প্রকল্প জমা পড়ে। এ বছরের আয়োজনে মোট সাতটি প্রকল্প পুরস্কৃত হয়। প্রফেশনাল বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত চারটি প্রকল্প হলো— মেকওভারস বাই আনমন (স্থপতি নাজিফা তাবাসসুম ও স্থপতি আজরিন আলম), কবিতা কুঞ্জ (স্থপতি জুবায়ের হাসান ও স্থপতি তাহমিদা আফরোজ), সোল (স্থপতি উৎস জামান) এবং অজো আইডিয়া স্পেস, গুলশান (স্থপতি মো. রবিউল ইসলাম)। অ্যামেচার বিভাগে পুরস্কৃত হয় বীর চট্টলা (সঙ্গীতা চৌধুরী)। এছাড়া প্রফেশনাল বিভাগে যাত্রা বাংলাদেশ (স্থপতি সারাওয়াত ইকবাল ও স্থপতি মনন-বিন ইউনুস) এবং ছেই ব্লু (Seuil_Bleue) (স্থপতি রাহাত ইবনে হাসান, স্থপতি বিন সাঈদ বখতি এবং স্থপতি রাকিব আহমেদ সরকার) প্রকল্পকে কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি স্থপতি ও ‘মাস্টার অব মাস্টার্স’ খ্যাত স্থপতি প্রফেসর শামসুল ওয়ারেস, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও পরিচালক মো. মহসিন হাবিব চৌধুরীসহ বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বি এ আই ডি ২০২৫-এর উপদেষ্টা স্থপতি জালাল আহমেদ, জুরি চেয়ার স্থপতি এহসান খান, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর সভাপতি স্থপতি প্রফেসর আবু সাঈদ এম আহমেদ এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মো. আসিফুর রহমান ভূঁইয়া। জুরি প্যানেলের সদস্য স্থপতি বায়েজিদ মাহবুব খন্দকার, শিল্পী ঢালী আল মামুন, স্থপতি তানিয়া করিম এবং স্থপতি মোহাম্মদ এমরান হোসেনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের খ্যাতনামা স্থপতি ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী বলেন, ‘বার্জারে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে ডিজাইনের রয়েছে মানুষের জীবনযাপন ও কর্মপরিবেশকে ইতিবাচকভাবে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা। বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা সেসব সৃজনশীল পেশাজীবীকে সম্মান জানায়, যারা তাদের কাজের মাধ্যমে আমাদের চারপাশের পরিসরে রঙ, রূপ এবং অর্থ যোগ করেন।’

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও পরিচালক মোঃ মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, ‘বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের ডিজাইন অঙ্গনের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং পেশাগত উৎকর্ষের অনন্য প্রকাশ ঘটিয়ে চলেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বার্জার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ডিজাইনারদের অনুপ্রাণিত করা এবং দেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিল্পের টেকসই বিকাশে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

স্থপতি প্রফেসর শামসুল ওয়ারেস বলেন, ‘দশকের পর দশক ধরে আমি এই পেশার বিকাশ, সংগ্রাম এবং ধীরে ধীরে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করার পথচলা প্রত্যক্ষ করেছি। আজকের এই আয়োজন আমাদের ইন্টেরিয়র ডিজাইন কমিউনিটি কতদূর এগিয়েছে, তারই একটি উজ্জ্বল প্রমাণ। বিএআইডি কেবল একটি পুরস্কার নয়; এটি এমন একটি আয়না, যা পুরো একটি প্রজন্মের ডিজাইনারদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত তুলে ধরে এবং দেখায়—যখন শৃঙ্খলার সঙ্গে কল্পনার মিলন ঘটে, তখন কী অসাধারণ সৃষ্টি সম্ভব।’

আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পাঁচ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পাঁচ শিক্ষার্থী
ছবি: কালের কণ্ঠ

চীনে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াড (আইইও) ২০২৬-এ অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের একটি দল। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বহুস্তরীয় বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই পাঁচ প্রতিযোগীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

গত ২২ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অলিম্পিয়াডের জন্য নির্বাচিত দলের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন— ফারাবিদ বিন ফয়সাল, ফারিহা তাসনিম, জাইফ বিন মোর্শেদ, প্রান্ত ঘোষ ও ফাইয়াদ সালেহীন আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মো. মানসুরুল হক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াড কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি বিশ্বব্যাপী তরুণ অর্থনীতিবিদদের জন্য নিজেদের দক্ষতা ও চিন্তাশক্তি প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।’ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মেধা, পরিশ্রম ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তরুণ প্রজন্মকে অর্থনীতিতে আগ্রহী করে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আল আমিন পারভেজ বলেন, বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিক জ্ঞান ও নীতিগত বিশ্লেষণ দক্ষতার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। তরুণদের বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান নিয়ে ভাবতে উৎসাহিত করাই তাদের সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইকোনমিক্স অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু জ্ঞান অর্জনের সুযোগই পাবে না, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের তরুণদের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাও তুলে ধরতে পারবে। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে দেশের জন্য দক্ষ অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।