• ই-পেপার

১৩ বছরে কুবিতে ভর্তি হয়নি বিদেশি শিক্ষার্থী

ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৪০ দিনেও গ্রেপ্তার নয় অভিযুক্ত, জাবিতে বিক্ষোভ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৪০ দিনেও গ্রেপ্তার নয় অভিযুক্ত, জাবিতে বিক্ষোভ
ছবি: কালের কণ্ঠ

ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত, অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

সোমবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’-এর ব্যানারে মুরাদ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাম্পাসে ধর্ষক ঘুরে, প্রক্টর কী করে?’, ‘হয়রানির গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’, ১নারীবান্ধব ক্যাম্পাস চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে নারী নিরাপত্তা মঞ্চের সংগঠক ও নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, গত ১২ মে সংঘটিত ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার অভিযুক্ত এখনো আইনের আওতায় আসেনি। এমনকি ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তের পরিচয় শনাক্ত বা তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, আন্দোলনের মুখে প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছিল। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

সোহাগীর ভাষ্য, এ ঘটনায় যেমন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। শুধু ১২ মের ঘটনাই নয়, পরবর্তী সময়েও ক্যাম্পাসে একাধিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বারবার বলেছি, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়তো তাদের দায়িত্ব নয়, কিন্তু ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অবশ্যই তাদের। সে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

গত আড়াই বছরে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিপীড়নের ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সোহাগী বলেন, আজকের নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নিষ্ক্রিয়তার ফলেই এই বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে প্রশাসনের বিলম্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রশাসন সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নারী নিরাপত্তা মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন অবিলম্বে প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নারী নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে আন্দোলন আরো জোরদার করা হবে।

মানববন্ধনে আরেক সংগঠক ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিসা জামান বলেন, পরিবারগুলো নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশের প্রত্যাশায় তাদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এমনও দেখেছি, দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে বলছেন নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের নয়। তাহলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কার—সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমালোচনা করে লামিসা বলেন, ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা যায়নি। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্ট করতে পারে এমন কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ঘটনার পর প্রায় আড়াই হাজার নারী শিক্ষার্থী ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত দাবিগুলোর কোনোটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি।

লামিসার অভিযোগ, প্রশাসন পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্তের তথ্য প্রকাশের কথা বললেও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। ছুটির মধ্যেও নারী নিরাপত্তা মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ছুটিকালেও ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় নারী হয়রানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন নারী শিক্ষার্থী প্রতিদিন নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে সেই ক্যাম্পাসকে নিরাপদ বলা যায় না।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জবাবদিহি সংশ্লিষ্টদেরই করতে হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সম্ভাব্য সময় জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সম্ভাব্য সময় জানা গেল

জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরু হতে পারে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে বদলি কার্যক্রম শুরু করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষকদের তথ্য ইনপুট, যাচাই এবং চূড়ান্তকরণের কার্যক্রম চলবে বলে মাউশির একটি সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, জুলাইয়ের ১৫ তারিখের পর প্রাপ্ত তথ্যগুলো পুনরায় যাচাই করবে মাউশি। এরপরই শিক্ষকদের বদলি আবেদনের কার্যক্রম শুরু হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০ জুলাই থেকে শিক্ষকদের বদলি আবেদনগ্রহণ শুরু হতে পারে।

গতকাল রবিবার এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী বদলির লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল।

তবে সফটওয়্যারের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ করে সার্ভার শাটডাউন হয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায় থেকে তথ্য ও ডাটা সংগ্রহের কাজ কিছুটা বিঘ্নিত হয়। পরবর্তীতে সফটওয়্যারটির কারিগরি সমস্যা সমাধান হওয়ায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো তথ্য বা ডাটা ইনপুট দিতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনপুট সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন ২০২৬। উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য শেষ তারিখ ৫ জুলাই এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন। আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ)-এর জন্য শেষ তারিখ ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন রাবি ছাত্রদল সভাপতি

অনলাইন ডেস্ক
ছাত্রলীগ ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন রাবি ছাত্রদল সভাপতি
সংগৃহীত ছবি

নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এক বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে এ ঘোষণা দেন শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। সমাবেশে সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাহী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলো ক্যাম্পাস ও রাজশাহী জেলাকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। এসব সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে কেউ প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর ধরে দেশের জনগণ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ছাত্র-জনতা হত্যার পরও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি। তারা স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে চাইলেও দেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেখানেই তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, সেখানেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘ছাত্রলীগের আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ,‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ছাত্রলীগ বাড়িস না পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘খুনি হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ধর ধর ধর কুত্তা ধর ধরে ধরে জেলে ভর’, ‘আপা আপা করিস না পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘পাক-ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধানসহ’ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বাকৃবিতে আলু-আম-সবজি রপ্তানি মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

বাকৃবি প্রতিনিধি
বাকৃবিতে আলু-আম-সবজি রপ্তানি মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

আলু, আম এবং সবজিসহ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মানোন্নয়ন ও রপ্তানিকারকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) তিন দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, গ্রুপ ফরমেশন এন্ড এনহ্যান্সিং অব পটেটো, ম্যাঙ্গো অ্যান্ড ভেজিটেবল এক্সপোর্টার’ শীর্ষক এ কর্মশালাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অর্থায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় প্রফেসর গোলাম আলী ফকির সীড প্যাথলজি সেন্টারের প্রশিক্ষণ কক্ষে কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক এবং বিএডিসি গবেষণা সেলের প্রধান সমন্বয়ক ড. মো. নাজমুল ইসলাম। এছাড়া প্রশিক্ষণের কো-অর্ডিনেটর ড. মো. মাহমুদুল হাসান চৌধুরীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্যাথলজি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘এই প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সততা এবং পণ্যের মান বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। বিএডিসির এই উদ্যোগ অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আপনারা ব্যবসায় সফল হবেন এবং দেশের ভালো পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করবেন।’