• ই-পেপার

বাকৃবিতে আলু-আম-সবজি রপ্তানি মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

কৃষিবিদ ডা. শাহাদাতের ওপর হামলার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ সভা

বাকৃবি প্রতিনিধি
কৃষিবিদ ডা. শাহাদাতের ওপর হামলার ঘটনায় বাকৃবিতে প্রতিবাদ সভা
ছবি: কালের কণ্ঠ

সম্প্রতি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদ ও পেশাজীবীবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জানা যায়, ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজ ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অ্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি বাকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৪ জুন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) ময়মনসিংহ চ্যাপ্টারের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. সাদেকুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় অ্যাব ও ময়মনসিংহ অ্যাবের সাবেক নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর সংঘটিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসঙ্গে পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা বলেন, ‘একজন পেশাজীবীর ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘গত ৪ঠা জুন কেআইবি চত্বরে আমাদের প্রিয় সহযোদ্ধা পারভেজের ওপর এক বর্বরোচিত ও ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভাড়াটে গুন্ডা লেলিয়ে দিয়ে তাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হয়েছে, কোনো ছিনতাইকারী বা ডাকাতকেও হয়তো রাস্তাঘাটে এভাবে পেটানো হয় না, যেভাবে একজন জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ১৭ বছর ধরে ঢাকার রাজপথে সবার আগে থেকে লড়াই করা একজন জুলাই যোদ্ধার ওপর এমন জুলুম ও বর্বর আক্রমণ দেখে আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

‎তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য বা অনৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজনের গায়ে হাত তোলা বা কাউকে খুন করার মতো অপরাধী মানসিকতা যারা পোষণ করে, তাদের কোনো সংগঠনের নেতৃত্বে রাখা কোনোক্রমেই সমীচীন নয়। আমরা আর কোনো রক্তপাত বা অন্যায় সহ্য করবো না।’ 

শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা

২০২৬ সালের আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেভেন্থ ডে এভান্টিস্ট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা ধর্মীয় বিধি-নিষেধের কারণে সময়সূচি অনুযায়ী শনিবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাগুলোতে নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ নেবে।

শর্তে বলা হয়, এ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষার্থীরা শনিবার সকাল ১০টার আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হবে ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষে অবস্থান করবে এবং তাদের জন্য নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের সাথে প্রবেশপত্রে বর্ণিত দ্রব্যের বাইরে কিছু থাকবে না। কোনো অবস্থাতেই তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষের বাইরে যেতে পারবে না এবং বাইরের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না।

ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৪০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত, জাবিতে বিক্ষোভ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৪০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত, জাবিতে বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত, অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

সোমবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ‘নারী নিরাপত্তা মঞ্চ’-এর ব্যানারে মুরাদ চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাম্পাসে ধর্ষক ঘুরে, প্রক্টর কী করে?’, ‘হয়রানির গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’, ১নারীবান্ধব ক্যাম্পাস চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে নারী নিরাপত্তা মঞ্চের সংগঠক ও নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, গত ১২ মে সংঘটিত ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার অভিযুক্ত এখনো আইনের আওতায় আসেনি। এমনকি ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তের পরিচয় শনাক্ত বা তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, আন্দোলনের মুখে প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছিল। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

সোহাগীর ভাষ্য, এ ঘটনায় যেমন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। শুধু ১২ মের ঘটনাই নয়, পরবর্তী সময়েও ক্যাম্পাসে একাধিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বারবার বলেছি, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়তো তাদের দায়িত্ব নয়, কিন্তু ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অবশ্যই তাদের। সে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

গত আড়াই বছরে ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিপীড়নের ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সোহাগী বলেন, আজকের নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নিষ্ক্রিয়তার ফলেই এই বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে প্রশাসনের বিলম্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রশাসন সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নারী নিরাপত্তা মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন অবিলম্বে প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নারী নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে আন্দোলন আরো জোরদার করা হবে।

মানববন্ধনে আরেক সংগঠক ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী লামিসা জামান বলেন, পরিবারগুলো নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশের প্রত্যাশায় তাদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এমনও দেখেছি, দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে বলছেন নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের নয়। তাহলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কার—সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমালোচনা করে লামিসা বলেন, ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা যায়নি। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্ট করতে পারে এমন কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ঘটনার পর প্রায় আড়াই হাজার নারী শিক্ষার্থী ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত দাবিগুলোর কোনোটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি।

লামিসার অভিযোগ, প্রশাসন পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্তের তথ্য প্রকাশের কথা বললেও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। ছুটির মধ্যেও নারী নিরাপত্তা মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ছুটিকালেও ক্যাম্পাসসংলগ্ন এলাকায় নারী হয়রানির ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন নারী শিক্ষার্থী প্রতিদিন নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে সেই ক্যাম্পাসকে নিরাপদ বলা যায় না।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জবাবদিহি সংশ্লিষ্টদেরই করতে হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সম্ভাব্য সময় জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সম্ভাব্য সময় জানা গেল

জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরু হতে পারে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে বদলি কার্যক্রম শুরু করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষকদের তথ্য ইনপুট, যাচাই এবং চূড়ান্তকরণের কার্যক্রম চলবে বলে মাউশির একটি সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, জুলাইয়ের ১৫ তারিখের পর প্রাপ্ত তথ্যগুলো পুনরায় যাচাই করবে মাউশি। এরপরই শিক্ষকদের বদলি আবেদনের কার্যক্রম শুরু হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০ জুলাই থেকে শিক্ষকদের বদলি আবেদনগ্রহণ শুরু হতে পারে।

গতকাল রবিবার এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী বদলির লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল।

তবে সফটওয়্যারের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ করে সার্ভার শাটডাউন হয়ে যাওয়ায় মাঠপর্যায় থেকে তথ্য ও ডাটা সংগ্রহের কাজ কিছুটা বিঘ্নিত হয়। পরবর্তীতে সফটওয়্যারটির কারিগরি সমস্যা সমাধান হওয়ায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো তথ্য বা ডাটা ইনপুট দিতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনপুট সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন ২০২৬। উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য শেষ তারিখ ৫ জুলাই এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ তারিখ ২৫ জুন। আঞ্চলিক উপপরিচালক (কলেজ)-এর জন্য শেষ তারিখ ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।