• ই-পেপার

দুই বছর কঠিন সময় যাবে, সবাইকে কষ্ট করতে হবে : অর্থমন্ত্রী

এনআইডির সংশোধন পদ্ধতি সহজ করতে চায় নির্বাচন কমিশন

অনলাইন ডেস্ক
এনআইডির সংশোধন পদ্ধতি সহজ করতে চায় নির্বাচন কমিশন

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ করার উপায় খুঁজছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য এনআইডি শাখাকে প্রস্তাব দিতে বলেছে সংস্থাটি। সোমবার (২২ জুন) এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

কর্মকর্তারা জানান, এনআইডি সেবাসংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) পুনরায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান পদ্ধতিতে কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না, থাকলে তার সমাধান কী হতে পারে—সেগুলো চিহ্নিত করে একটি প্রস্তাবনা দিতে বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটি এনআইডি সেবা সহজীকরণ এবং বিদ্যমান এসওপি পর্যালোচনা বিষয়ে একটি কর্মশালা আয়োজন করবে। এরপর তারা একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

বর্তমানে ছয়টি ক্যাটাগরিতে (ক, ক-১, খ, খ-১, গ ও ঘ) এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে অপেক্ষাকৃত সহজ থেকে জটিল অনুযায়ী ক থেকে ঘ ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়। ‘ঘ’ ক্যাটাগরির আবেদন এনআইডি মহাপরিচালক নিজেই সংশোধন করেন। এরপর সচিব ও কমিশনের কাছে আপিলের সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে প্রায় ৮৫ হাজার এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে সারা বছর মৃত ভোটারদের নাম কর্তনের জন্যও এনআইডি মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে সুপারিশ করবে।

এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসির ৫ সদস্যের কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসির ৫ সদস্যের কমিটি
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন প্রক্রিয়া আরো সহজ ও কার্যকর করতে বিদ্যমান নিয়ম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সে লক্ষ্যে বর্তমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) পর্যালোচনা ও সংশোধনের প্রস্তাব তৈরিতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক জাকির মাহমুদের সই করা এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সহজীকরণ ও বিদ্যমান এসওপি পর্যালোচনা বিষয়ে একটি কর্মশালা আয়োজনের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হলো।

পাঁচ সদস্যের এ কমিটিতে সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) আর সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী পরিচালক (গবেষণা ও উন্নয়ন)।

এতে আরো বলা হয়েছে, এ কমিটি জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সহজীকরণ ও বিদ্যমান এসওপি পর্যালোচনা বিষয়ে একটি কর্মশালা আয়োজনের জন্য প্রস্তাবনা ডিজি এনআইডির কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার জ্বালানি সম্পদ উত্তোলন করবে সরকার : নৌ পরিবহনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার জ্বালানি সম্পদ উত্তোলন করবে সরকার : নৌ পরিবহনমন্ত্রী
নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি : সংগৃহীত।

নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় নিশ্চিতভাবে জ্বালানি সম্পদ রয়েছে। অফশোর এলাকায় কূপ খনন, খনিজ সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তী সময়ে সেগুলো উত্তোলনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ সোমবার রাজধানীতে বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা নয়, বরং এর উপস্থিতি নিশ্চিত। তবে অতীতের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চলের অধিকার লাভ করলেও সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মায়ানমার নিজ নিজ সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করেছে, কিন্তু বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।’

শেখ রবিউল আলম আরো বলেন, ‘দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। নেভিগেশন ও নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে। তবে সক্ষমতা অনুযায়ী এ খাতে উন্নয়নের কাজ চলছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব নৌপথ সচল, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে হাইড্রোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এর প্রয়োজনীয়তা আরো বাড়বে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।

সংসদে জামায়াতের মিছিলকে ‘মবক্রেসি’ বলা নিয়ে বিতর্ক

অনলাইন ডেস্ক
সংসদে জামায়াতের মিছিলকে ‘মবক্রেসি’ বলা নিয়ে বিতর্ক
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিছিল ও প্রতিবাদকে এক সদস্য ‘মবক্রেসি’ হিসেবে অভিহিত করা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জামায়াতের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম স্পিকারের নজরে এনে বলেন, বাজেট প্রতিক্রিয়া নিয়ে জামায়াতে ইসলামী যে মিছিল ও প্রতিবাদ করেছে, কথা প্রসঙ্গে এক সদস্য সেটিকে ‘মবক্রেসি’ বলেছেন। এই শব্দটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ বা বাদ দেওয়ার জন্য তিনি স্পিকারকে অনুরোধ জানান।

সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি জানান।

রাশেদুল ইসলামের এই দাবির জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটি কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং এটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়।’ স্পিকার সংশ্লিষ্ট সদস্যকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, যখন তার বাজেটের ওপর বক্তব্য দেওয়ার পালা আসবে, তখন তিনি যেন এই বিষয়ে ভালোভাবে জবাব দেন।

পরবর্তীতে এই বিতর্কে অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মবক্রেসি শব্দটা আসলে কোনো ভালো অর্থ বহন করে না এবং এটি নিশ্চিতভাবেই একটি আপত্তিকর শব্দ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট সদস্য হয়তো খেয়াল না করে বেখেয়ালে এই শব্দটি বলে ফেলেছেন। বাজেটের পর এই ধরনের প্রতিক্রিয়া বা আন্দোলন শুধু জামায়াতই করেনি, এর আগে বিএনপি বা অন্য দলসহ অনেকেই বহুবার করেছে। তাহলে কি অতীতের সেইসব গণতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়াও মবক্রেসি ছিল? এমন প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, এই শব্দটি মহান সংসদে অত্যন্ত বেমানান এবং এটি অবশ্যই এক্সপাঞ্জ করা উচিত।

বিরোধীদলীয় নেতার এমন আপত্তির মুখে স্পিকার তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, মবক্রেসি শব্দটা এখন একটি সাধারণ বা কমন টার্মে পরিণত হয়েছে এবং ইদানিং প্রায় সবার বক্তৃতাতেই এটি শোনা যায়। এটি কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং এটিকে অসংসদীয় কোনো কিছু বলেও মনে করার কারণ নেই।

স্পিকার সদস্যদের উদ্দেশে আরো বলেন, আপনারাও চাইলে আপনাদের বক্তব্যে এই শব্দটির ব্যবহার করতে পারেন। এটি মূলত রাজনীতিতে নিন্দনীয় ডেমোক্রেসির বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক শব্দ, কিন্তু কোনোভাবেই অশ্লীল শব্দ নয়। ফলে সংসদে এটি এক্সপাঞ্জ হওয়ার মতো কোনো শব্দ নয় বলে সাফ জানিয়ে দেন।