• ই-পেপার

গাড়ি থামিয়ে গুলি করে ৭ মাসের শিশুকে হত্যা, বিচার দাবি পরিবারের

শান্তিচুক্তি চূড়ান্তে তেহরানে রুশ-চীনের প্রতিনিধিদের বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
শান্তিচুক্তি চূড়ান্তে তেহরানে রুশ-চীনের প্রতিনিধিদের বৈঠক
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি খসড়া প্রস্তাবের ‘সর্বশেষ অগ্রগতি’ নিয়ে তেহরানে রুশ ও চীনা রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি।

দেশটির স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সি (আইএসএনএ) গরিবাবাদির একটি বিবৃতির বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, বৈঠকে ইসলামাবাদে খসড়া সমঝোতা স্মারক সম্পর্কিত সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে মতামত বিনিময় ও আলোচনা হয়েছে।

আরো বলা হয়েছে, ইরান, চীন ও রাশিয়ার মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারি এবং এই তিন দেশের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, যার সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি প্রকাশ্যে প্রকাশ করা হয়নি। গত মাসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তার ইরানি প্রতিপক্ষের বেইজিং সফরের পর চলমান আলোচনাকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিকে ক্রেমলিন মার্কিন সৈন্য ও সরঞ্জামের অবস্থান সম্পর্কে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে ইরানের সংসদ স্পিকার ও শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বিজয় না আসা পর্যন্ত তেহরান দৃঢ় থাকবে বলে জানিয়েছেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন এবং তেহরান তার অবস্থানে অটল থাকবে বলে অঙ্গীকার করেছেন। এক বিবৃতিতে গালিবফ বলেছেন, তারা নিরীহ শিশুদের হত্যা করেছে এবং কোনো অপরাধ বা নিষ্ঠুরতা থেকে বিরত থাকেনি।

তিনি আরো বলেন, ১২ দিনের যুদ্ধের বীর ও নির্যাতিত শহীদদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, আমরা আমাদের প্রিয় ইরানের গৌরব ও চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য শেষ পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে পাশে থাকব।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ পাঁচ মাসের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সংঘাত অবসানে একটি শান্তিচুক্তির কাঠামোতে সম্মত হয়েছে এবং চুক্তির চূড়ান্ত খসড়াও প্রস্তুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

শনিবার এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মূল বিষয়গুলো নিয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এখন আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে।

শেহবাজ শরিফের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এরপর পরবর্তী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, এই সমঝোতা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সংকট আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছিল। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দেয়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটবে এবং কূটনৈতিক আলোচনার নতুন পথ উন্মুক্ত হবে।

তবে চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পক্ষ থেকেও সম্ভাব্য স্বাক্ষরের বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি আসেনি।

অস্ট্রেলিয়ার পারামাট্টা নদী থেকে বাবা-শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার

শিপন আহমদ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার পারামাট্টা নদী থেকে বাবা-শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আবারও ঘটেছে এক মর্মস্পর্শী পারিবারিক ট্র্যাজেডি। শহরের পশ্চিমাঞ্চলের পারামাট্টা নদী থেকে এক ব্যক্তি ও তার সাত বছর বয়সী কন্যার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় কমিউনিটিতে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরের আগে কনকর্ড এলাকার হেন অ্যান্ড চিকেন বে সংলগ্ন নদীতে এক ব্যক্তিকে পানিতে ভাসতে দেখে পথচারীরা। স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১১টা ৪৫ মিনিটে জরুরি সেবা বিভাগে খবর দেওয়া হলে পুলিশ, মেরিন রেসকিউ ও অ্যাম্বুল্যান্সকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

উদ্ধারকারীরা ওই ব্যক্তিকে নদী থেকে তুলে জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থা নিলেও শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে তদন্তে জানা যায়, তার সঙ্গে থাকা সাত বছর বয়সী কন্যা নিখোঁজ রয়েছে।

এরপর শুরু হয় ব্যাপক অনুসন্ধান অভিযান। পুলিশ ডুবুরিদল, মেরিন ইউনিট এবং আকাশপথে অনুসন্ধান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানিয়েছে,পরিবারটি নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির পশ্চিমাঞ্চলীয় ওয়েস্টমিড এলাকার বাসিন্দা ছিল। ঘটনার দিন তারা একটি ভাড়াকৃত নৌকা ব্যবহার করছিলেন। শিশুটি পরিবারের একমাত্র সন্তান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বারউড পুলিশ এরিয়া কমান্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শিশুটির মা ও পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। পারিবারিক সহিংসতা, দুর্ঘটনা অথবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। 

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সংকটের সময়ে দ্রুত সহায়তা নেওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি চিহ্নিত করা অনেক ক্ষেত্রেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে মত প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন ধীরাজ শেঠ

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন ধীরাজ শেঠ
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ

ভারতের পরবর্তী সেনাবাহিনী প্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। আগামী ৩০ জুন বিকেল থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। একই দিনে বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর গ্রহণ করবেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি (এনডিএ), খাদকওয়াসলার সাবেক শিক্ষার্থী। ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি আর্মার্ড কর্পসে কমিশনপ্রাপ্ত হন।

প্রায় চার দশকের বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ভারতের সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে অবদানের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত ধীরজ শেঠ। আধুনিক প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামরিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

কর্মজীবনে ধীরজ শেঠ একটি আর্মার্ড রেজিমেন্ট, একটি আর্মার্ড ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মীরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।