• ই-পেপার

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

সৌদির ধাক্কা সামলে হার এড়াল উরুগুয়ে

২০০ ম্যাচ খেলার ইতিহাস গড়বেন ফুটবলের জাদুকর মেসি

অনলাইন ডেস্ক
২০০ ম্যাচ খেলার ইতিহাস গড়বেন ফুটবলের জাদুকর মেসি
কালের কণ্ঠ গ্রাফিক্স

ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবলের লড়াইয়ে নামলে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলার ঐতিহাসিক কীর্তি গড়বেন বিশ্ব ফুটবলের এ জাদুকর। 

দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো মেসির এ যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট, হাঙ্গেরির বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে। সেই দিনটি ছিল মেসির জন্য এক তিক্ত অভিজ্ঞতার নাম, কারণ বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র ২৫ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। সেই দুঃসহ শুরুর পর তিনি বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত নায়ক।

এখন পর্যন্ত খেলা ১৯৯টি ম্যাচে মেসি উপহার দিয়েছেন ১১৭টি গোল ও ৬৪টি অ্যাসিস্ট। ১৬ হাজার ৩৮০ মিনিটের এ দীর্ঘ পথচলায় তিনি জিতেছেন ২০২২ সালের বিশ্বকাপ, দুইবার কোপা আমেরিকা শিরোপা এবং ফিনালিসিমা জয়ের মতো গৌরব। ক্যারিয়ারের এ বাঁক বদল মোটেও সহজ ছিল না, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টানা দুইবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের বেদনা থেকে শুরু করে ২০২২ সালে বিশ্ব জয়ের আনন্দে ভেসে অমরত্বের চূড়ায় স্থান করে নেওয়া; সবই তার এ ২০০ ম্যাচের বর্ণিল ইতিহাসের অংশ। 

মেসির এই ম্যাচগুলোর বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকান বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের চ্যালেঞ্জ, যেখানে তিনি ৭২টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৩৬টি গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। এছাড়া বিশ্বকাপে ২৬টি এবং কোপা আমেরিকায় ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ২২৮ ম্যাচ নিয়ে সবার উপরে অবস্থান করছেন। তবে মেসির এই ২০০তম ম্যাচের মাইলফলক ছাপিয়ে এখন সবার নজর আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের ফাইনালের দিকে। 

এ টুর্নামেন্টের পর মেসি, রোনালদো কিংবা লুকা মদ্রিচ; কারা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন, তা নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও মেসি নিজে এ ব্যাপারে এখনো কোনো ইঙ্গিত দেননি। তবে বর্তমান সময়ের এই মহাতারকা তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের আরেক নতুন অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত, যা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

রক্ষণভাগে নিজের ঘাটতি পূরণে মরিয়া ফরাসি অধিনায়ক

ক্রীড়া ডেস্ক
রক্ষণভাগে নিজের ঘাটতি পূরণে মরিয়া ফরাসি অধিনায়ক
ছবি : রয়টার্স

ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের চোখ এখন একটাই লক্ষ্যে স্থির— সেটা হলো ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে ফের চ্যাম্পিয়নের আসনে বসানো। গত কয়েক বছরে গোল করার ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য পেলেও তার খেলার একটি দিক নিয়ে বারবার সমালোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে রক্ষণভাগে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে। এবার সেই সমালোচনা থেকে মুখ ফিরিয়ে না নিয়ে বরং তা মেনে নিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক।

এক সাক্ষাৎকারে এমবাপে বলেছেন, দলের প্রয়োজনে তাকে রক্ষণে আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। বিশ্বকাপের আগে নিজের খেলায় এই পরিবর্তন আনার ব্যাপারেও তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে বলেন, ‘রক্ষণে আমাকে আরও এক ধাপ এগোতে হবে। আমি সব সময় নিজের কাছে অনেক প্রত্যাশা রাখি।

এই জায়গায় উন্নতি করা প্রয়োজন। দলের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি সেটা করব।’ 

এই প্রসঙ্গ ওঠে তার ভাই এথান এমবাপ্পেকে নিয়ে আলোচনায়। এমবাপ্পে নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন, রক্ষণে পরিশ্রম করার ক্ষেত্রে তার ভাই অনেক সময় তার চেয়েও বেশি নিষ্ঠাবান। তিনি এই মন্তব্যকে সমালোচনা হিসেবে নয়, বরং নিজেকে আরও উন্নত করার সুযোগ হিসেবেই দেখছেন।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ১০৩ ম্যাচে ৮৬ গোল ও ১২টি গোল করানোর সুযোগ তৈরি করলেও, রক্ষণে তার অংশগ্রহণ নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। এমবাপ্পে জানিয়েছেন, তিনি এই দিকটি বদলাতে প্রস্তুত। তার দাবি, ‘এই বিশ্বকাপ থেকেই পরিবর্তনটা শুরু করতে হবে। আমরা বিশ্বকাপ জিততে চাই। তাই আমি সব কিছু ঠিকভাবে করতে বদ্ধপরিকর।’ 

কয়েক দিন আগেই তিনি বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপ জিততে পারলে, আমি যদি একটিও গোল না করি, তাতেও আমার কোনো আফসোস থাকবে না। দেশের সাফল্যই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

ফিফা বিশ্বকাপ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্টেডিয়ামে ইরানের পুরোনো পতাকা

অনলাইন ডেস্ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্টেডিয়ামে ইরানের পুরোনো পতাকা

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সোফি স্টেডিয়ামে ইরানের প্রাক-বিপ্লবী পতাকা নিয়ে ঢুকেছেন অনেক সমর্থক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে স্টেডিয়ামের ভেতরে ও বাইরে দেশটির বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা।

ইরানের বিপক্ষে এ প্রতিবাদের কেন্দ্রে ছিল ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগের ‘সান অ্যান্ড লায়ন’ পতাকা। ইরানের বর্তমান সরকারের বিরোধীরা এই পতাকাকে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে দেখেন।

ফিফা রাজনৈতিক প্রতীক প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দিলেও সেই পতাকা নিয়ে অনেকে ঢুকে পড়েন স্টেডিয়ামে। ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালতও ফিফার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ভয়েস অব লিবার্টি ফিফার নিষেধাজ্ঞা বাতিল চেয়ে মামলা করেছিল। তবে লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্টের বিচারক কার্টিস এ. কিন সোমবার সে আবেদন খারিজ করে দেন।

আদালতের রায় কিংবা ফিফার নিষধোজ্ঞা কিছুই ইরানি প্রবাসী প্রতিবাদকারীদের থামাতে পারেনি। স্টেডিয়ামের ভেতরে ম্যাচ শুরুর আগে কয়েকটি প্রাক-বিপ্লবী পতাকা দেখা যায়। অনেকের গায়েও ছিল ‘সান অ্যান্ড লায়ন’ পতাকার প্রতীকযুক্ত টি-শার্ট।

স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্রেতারা এ পতাকা, টুপি ও টি-শার্টসহ বিভিন্ন প্রাক-বিপ্লবী সামগ্রী বিক্রি করছিলেন। একই সঙ্গে প্রতিবাদকারীরা ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছিলেন।

কয়েকজন সমর্থক নিরাপত্তা তল্লাশির সময় পতাকা লুকিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আবার অনেকে প্রকাশ্যে পতাকা নিয়ে ঢুকেছেন। তাদের কাছ থেকে সব ক্ষেত্রে পতাকা জব্দ করা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে সোফি স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাকর্মীরা প্লাস্টিকের পতাকার কাঠি নিয়ে নিলেও পতাকা ঢুকতে দিয়েছেন।

তবে স্টেডিয়ামে কেবল প্রতিবাদকারীরা ছিলেন না। ইরানের সরকারি জার্সি পরা এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বর্তমান পতাকা হাতে নিয়েও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সমর্থককে দেখা গেছে। জাতীয় সংগীতের সময়ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ দুয়ো দেন, আবার অনেকে খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংগীত গেয়েছেন। সংগীত শেষ হওয়ার পর জোরালো করতালিও শোনা যায়। ম্যাচের শুরুর দিকেও ইরান আক্রমণে উঠলে বা বল পুনরুদ্ধার করলে গ্যালারির একাংশ থেকে উল্লাস শোনা যায়।

এর আগে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দুনিয়ামালি সতর্ক করে বলেছিলেন, স্টেডিয়ামে অননুমোদিত পতাকা ওড়ানো হলে তারা ম্যাচ বন্ধ করে দিতে পারেন। তার ভাষ্য, কোচ আমির গালেনোয়েই ‘নিশ্চিতভাবেই ম্যাচ বন্ধ করার দায়িত্বে থাকবেন’। বিষয়টি ফিফাকেও জানানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ইরান ফিফার কাছে বারবার অনুরোধ করেছে, তাদের নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে এবং প্রাক-বিপ্লবী পতাকা সরিয়ে নিতে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের এই ম্যাচ ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশটি বিশ্বকাপে খেলতে পারবে কি না, তা নিয়েও কয়েক মাস ধরে অনিশ্চয়তা ছিল।

ম্যাচের আগের দিন তেহরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর সাড়ে তিন মাস আগে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি।

সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচটি শুধু মাঠের ফুটবলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সোফি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতেও ফুটবলের সঙ্গে মিশে গেছে রাজনীতি, প্রতিবাদ ও প্রবাসী ইরানিদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ।

হঠাৎ আলোচনায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ম্যাচ

ক্রীড়া ডেস্ক
হঠাৎ আলোচনায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ম্যাচ
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

নতুন টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনকে মুখোমুখি করার পরিকল্পনা করছে ফিফা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

যদিও এটি ফিফার আনুষ্ঠানিক অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ নয়। তবে প্রতিযোগিতাটি ফিফার ২১১টি সদস্য রাষ্ট্রের জন্যই উন্মুক্ত। এমনকি সিনিয়র পর্যায়ে নিষিদ্ধ থাকা রাশিয়াও চাইলে এতে অংশ নিতে পারবে।

গত ডিসেম্বরে ফিফা এই টুর্নামেন্টের বিস্তারিত ঘোষণা করে। উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়ে ফিফার উচ্চাকাক্সক্ষী পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ফুটবলকে শান্তি ও বিশ্ব ঐক্যের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এর আগে গত এপ্রিলে ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফার সভায় ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিদের মধ্যে করমর্দন করানোর একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় ইনফান্তিনো বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন। সভায় ইনফান্তিানো বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জিব্রিল রাজুব ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি বাসিম শেখ সুলাইমানের পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানান। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রতিবাদে হাত মেলানোর অনুরোধ নাকচ করেন তিনি।

তবে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতায় ইনফান্তিনোকে দমে যাননি। বরং অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে ইসরায়েল বনাম ফিলিস্তিন ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাবটি এখনো বিবেচনায় করছেন। টুর্নামেন্টের ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে মায়ামিকে।

টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম আসরটি হবে ছেলেদের জন্য এবং এর ১২ মাস পর মেয়েদের একটি সংস্করণ হবে। এরপর ২০২৮ সাল থেকে প্রতি বছর দুটি করে আলাদা ফুটবল উৎসব আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে ফিফার।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন রাজনীতিতে ফিফার এই হস্তক্ষেপের চেষ্টাকে বিপজ্জনক মনে করা হচ্ছে কি না@এমন প্রশ্নে ফিফার সূত্রগুলো তা নাকচ করে দিয়েছে। ভ্যাঙ্কুভারের ঘটনার পরও ইনফান্তিনো এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এবং রাজুব করমর্দন করতে অস্বীকৃতি জানানোর পরপরই তিনি অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টের কথা উল্লেখ করেছিলেন।

ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ‘ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের যে দুই প্রতিনিধি এখানে উপস্থিত আছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই। ফিফার সদস্য হিসেবে তাদের একই অধিকার, কর্তব্য ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শিশুদের আশা জোগাতে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। আসুন আমরা সবাই মিলে সেটির জন্য কাজ করি।’

ফিফার অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্ট নিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, ‘আমরা বয়সভিত্তিক দারুণ একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছি। সেখানে আমরা ফিফার অন্তর্ভুক্ত ২১১টি দেশের শিশুদের অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাব। আসুন, শিশুদের জন্যই আমরা এটি করি এবং সবাই মিলে কাজ করি।’