• ই-পেপার

জুনে একাধিক তাপপ্রবাহের শঙ্কা, কমবে বৃষ্টি

ঢাকাসহ ১৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ১৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে : তিতাস

অনলাইন ডেস্ক
মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে : তিতাস
সংগৃহীত ছবি

এলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউর জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ জনিত কারণে শনিবার গ্যাসের কম থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। শনিবার (১৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটের (এফএসআরইউ) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ জনিত কারণে এলএনজি হতে প্রাপ্ত গ্যাস সরবরাহ কম থাকবে। এর ফলে আজ (শনিবার) মধ্যরাত পর্যন্ত তিতাস গ্যাস কম্পানির অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের কাছে স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।

গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মে মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২৩১

অনলাইন ডেস্ক
মে মাসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২৩১
প্রতীকী ছবি

চলতি বছরের মে মাসে দেশজুড়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ২১৯ জন। শনিবার (১৩ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ তথ্য জানিয়েছে।  

সংগঠনটি জানায়, সারা দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৬৭৬টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২১৯ জন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬.০৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭.১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩.২৫ শতাংশ। 

এ ছাড়া দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে রেলপথে ৪২টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ২৯ জন। নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর নিখোঁজ রয়েছেন ৭ জন।

গত মে মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঢাকা বিভাগে সংগঠিত হয়েছে। ১৮০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে। এই বিভাগে ২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১টি সুপারিশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এগুলো হলো— ঈদযাত্রায় স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সারা দেশে উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রযুক্তি নির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, চালকদের উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা, কাঠামোগত সংস্কার করে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা, মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা, ফিটনেস প্রদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন, মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন উচ্ছেদ করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো, ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমি গড়ে তোলা ও পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।

মে মাসে সড়কে ৬২২ প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
মে মাসে সড়কে ৬২২ প্রাণহানি

দেশজুড়ে গত মে মাসে ৬১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬২২ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন এক হাজার ৬৫২ জন। এ ছাড়া দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে রেলপথে ৪২টি  ‍দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন ২৯ জন। নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। আর নিখোঁজ রয়েছেন ৭ জন।

শনিবার (১৩ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনটি জানায়, সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৬৭৬টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত ও ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত ও ২১৯ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬.০৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭.১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩.২৫ শতাংশ। গত মে মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে; ১৮০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে; ২৭ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১১টি সুপারিশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এগুলো হলো— ঈদযাত্রায় স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, সারা দেশে উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রযুক্তি নির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, চালকদের উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা, কাঠামোগত সংস্কার করে সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা, মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা, ফিটনেস প্রদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন, মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন উচ্ছেদ করা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো, ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমি গড়ে তোলা ও পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।

জুনে একাধিক তাপপ্রবাহের শঙ্কা, কমবে বৃষ্টি | কালের কণ্ঠ