শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ঢাকা কলেজে আলোচনাসভা ও মুক্ত সংলাপের আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা কলেজ শাখা।
রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসজুড়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, পোস্টার প্রদর্শন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা কলেজ শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান শোভনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি হুমায়ুন মোহাম্মদ সামি, গগন ঘোষ ও মুস্তাকিম ইসলাম মুসা; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিলন হোসেন ও আখতারুজ্জামান রিফাত, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মো. সিয়াম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. শান্ত, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক মো. রাব্বি হোসেন, কার্যকরী সদস্য মনির হোসেন মারুফ, অহিদুজ্জামান, মুনতাসির আহমেদ, মাহফুজ আলম, মিঠু দাস, নয়ন ইসলাম, মাসুদ রানা, আবু হানজালা, মাহমুদুল মিজান, বাপ্পি, জুবায়ের, আরফিন, ঋত্বিক, তামিম, মাহবুবুর রহমান, মতিন ও কাজল খানসহ অন্যান্য সদস্যরা।
মুক্ত সংলাপ পর্বে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং বাস্তব জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আরও সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ক্যাম্পেইনে বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. এমদাদুল হক বলেন, “মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের অন্যতম ভিত্তি। মানসিকভাবে সুস্থ থাকলে মানুষ সঠিকভাবে চিন্তা করতে, সিদ্ধান্ত নিতে এবং জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। তাই শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া, দুশ্চিন্তা কমানো এবং প্রয়োজনে সহায়তা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ মনই সুন্দর ও সফল জীবনের চাবিকাঠি।”
সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুল হাসান শোভন বলেন, ‘আমরা শারীরিক সুস্থতা নিয়ে যতটা সচেতন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ততটা নই। এর ফলে প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী হতাশা ও আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। বসুন্ধরা শুভসংঘ সময়োপযোগী উদ্যোগের মাধ্যমে সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক এই ক্যাম্পেইন শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মানসিক পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।







