• ই-পেপার

সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের মানসিক সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের মানসিক সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শনিবার (২০ জুন) শুরু হতে যাওয়া ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী “প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬” আয়োজনের উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী সব ক্ষুদে ফুটবলার, কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, আয়োজক, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘শিশুদের সঠিক শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশ একটি উন্নত, সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। জাতি গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে সরকার ক্রীড়াকে পেশা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে এরই মধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণে নেয়া হয়েছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কর্মসূচি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমাদের শিশুরা সুনাগরিক হয়ে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি দেশে একটি সমৃদ্ধ ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ফুটবল বাংলাদেশের সব অঞ্চলে প্রধান জনপ্রিয় খেলা। চলমান বিশ্বকাপের প্রভাবে এই জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। কিন্তু আমাদের খেলার মান ও অংশগ্রহণ এখনও কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেনি। ফুটবল খেলার সম্প্রসারণ, মানোন্নয়ন এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাটির নিয়মিত চর্চা ও অনুশীলনের বিকল্প নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট এ লক্ষ্য অর্জনে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ বলে আমি মনে করি। এ টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা ক্ষুদে ফুটবলাররা এরই মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে ব্যাপক পরিসরে আয়োজিত এ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ফুটবলার তৈরিতে কার্যকর অবদান রাখবে।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শিশুদের ফুটবল প্রতিভা বিকাশে অন্যতম একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠুক; ক্ষুদে ফুটবলাররা দেশের ক্রীড়াজগতকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বিশ্ব ফুটবলে বাংলাদেশের জন্য আরও সম্মান ও মর্যাদা বয়ে আনুক— এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।’

কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বাসস
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১৯ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আল মুজাহিদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তারেক রহমান বলেন, মুজাহিদী আজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন। তার মৃত্যু আমাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত এই কবি আজ দুপুরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকে পাস হবে, শিগগিরই শুরু হবে কাজ : পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকে পাস হবে, শিগগিরই শুরু হবে কাজ : পানিসম্পদমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রকল্পটি দ্রুত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাবে এবং অনুমোদনের পরই এর বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে।’

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা রেলসেতু এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি এবার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব।’ ইতিমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত একনেকে পাস হয়ে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন। তার নেতৃত্বে খুব শিগগিরই এ প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হবে। আমি তিস্তাপাড়ের মানুষের পাশে আছি এবং থাকব। আমার দায়িত্বের জায়গা থেকে তিস্তাবাসীর স্বার্থে যা যা করা প্রয়োজন, তা করা হবে।’

মন্ত্রী জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনার নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখেছেন যে, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। শুধু নদীতে ড্রেজিং কিংবা তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না; নদীতে সারা বছর পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীতে অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হয়ে ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি করে। এতে নদীতীরবর্তী হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে বিশেষ করে মার্চ ও এপ্রিল মাসে নদীতে পানি থাকে না বললেই চলে। ফলে কৃষি, মৎস্যসম্পদ এবং নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ কারিগরি সমীক্ষা পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ্যানি বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর যদি নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে। তাই আমরা এমন একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুকনা মৌসুমে কীভাবে তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়, কিভাবে খাল ও শাখা-প্রশাখা দিয়ে পানি সরবরাহ করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় এবং মাছ চাষসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা যায়—এসব বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।’

মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার মাত্র চার মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের আগে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বাস্তবভিত্তিক সমীক্ষা সম্পন্ন করেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

তিনি বলেন, ‘এ কারণেই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, বুয়েটের প্রকৌশলী, নদী বিশেষজ্ঞসহ ২২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তারা সরেজমিন তিস্তাপাড়ের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন।’

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা তিনজন মন্ত্রী তিস্তাপাড় পরিদর্শন করছি। এই সফরের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের মতামত, নদীর বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে একটি বাস্তব চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, যা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, বুয়েটের প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এর আগে পানিসম্পদমন্ত্রী নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা ব্যারেজ, তিস্তা সেচ খাল এবং নদীর বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙন, পানিপ্রবাহ, সেচব্যবস্থা ও স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন।

তিস্তা অববাহিকার লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্রিটিশ ডায়না অ্যাওয়ার্ডের বিচারক বাংলাদেশের ফায়েজ

অনলাইন ডেস্ক
ব্রিটিশ ডায়না অ্যাওয়ার্ডের বিচারক বাংলাদেশের ফায়েজ
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ তরুণ নেতৃত্বের স্বীকৃতি ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর বিচারক প্যানেলের লিড জাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা ফায়েজ বেলাল। আন্তর্জাতিক এ প্ল্যাটফর্মে তার এই ভূমিকা বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার স্মরণে প্রতিষ্ঠিত ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড ২৫ বছরের কম বয়সী তরুণদের জন্য বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক স্বীকৃতি। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা তরুণদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রিন্সেস ডায়ানার দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।

এ বছরের ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন গ্রহণ শেষ হয়েছে গত ৩১ অক্টোবর। আগামী নভেম্বরে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তালিকায় কোনো বাংলাদেশি স্থান পান কি না, তা জানা যাবে তখনই।
 
ফায়েজ বেলাল ২০২২ সালে ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে এ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। পরবর্তীকালে ২০২৪ সালে তিনি বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ বছর তাকে বিচারক প্যানেলের লিড জাজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
 
ফায়েজ বাংলাদেশ ইয়ুথ সোসাইটির (বিওয়াইএস) প্রতিষ্ঠাতা এবং বিওয়াইএস ভেঞ্চারসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা ইউএনওডিসির গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৫ জন তরুণ প্রতিনিধির সঙ্গে তিনি এ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত।
 
২০১৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী থাকাকালে বিওয়াইএস প্রতিষ্ঠা করেন ফায়েজ। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার তরুণ সদস্য নিয়ে সংগঠনটি যুব উন্নয়ন, সামাজিক উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কাজ করছে। বরিশাল থেকে পথচলা শুরু হলেও ফায়েজের নেতৃত্বে সংগঠনটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এবার বৈশ্বিক পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘বিওয়াইএস গ্লোবাল নেটওয়ার্ক’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
 
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মানসম্মত শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু কার্যক্রম এবং শান্তি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন তিনি এবং তার সংগঠন। এসব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

বিওয়াইএসের উদ্যোগে পরিচালিত ‘অভয়’, ‘গার্লস সামিট’, ‘স্বপ্নজয়’, ‘সম্পর্কে ভালো থাকুক দেশ’, ‘শি ইজ দ্য ফার্স্ট’, ‘আমি থেকে আমরা’ ও ‘ইয়ুথ ফেস্ট’সহ বিভিন্ন প্রকল্পে গত ১২ বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে সংগঠনটির দাবি। পাশাপাশি সাতটির বেশি সামাজিক ব্যবসা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
 
নিজের যাত্রা সম্পর্কে ফায়েজ বেলাল বলেন, ‘বরিশাল থেকে শুরু হওয়া আমার যাত্রা আজ বৈশ্বিক একটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সুযোগ এনে দিয়েছে। আমি এটিকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বাংলাদেশের তরুণদের সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে দেখি।’
 
তিনি বলেন, ‘ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেখেছি, বয়স নয়—পরিবর্তন আনার উদ্ভাবনী ধারণা ও তা বাস্তবায়নের সক্ষমতাই নেতৃত্বের মূল পরিচয়।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণরা এরইমধ্যে বিশ্বমঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আগামী দিনে সেই অবদান আরো বিস্তৃত ও প্রভাবশালী হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
 
প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড বিশ্বজুড়ে তরুণদের সামাজিক উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। প্রিন্সেস ডায়ানার বিশ্বাস ছিল, তরুণদের হাতেই রয়েছে পৃথিবী বদলে দেওয়ার শক্তি।