মাঠে নামার আগে দুঃসংবাদ শুনে যুক্তরাষ্ট্র। চোটের কারণে দলের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচকে পাচ্ছে না তারা। তবে স্ট্রাইকারকে না পাওয়ার প্রভাব মাঠের খেলায় পড়তে দেয়নি তার সতীর্থরা।
ঘরের মাঠ সিয়াটলে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে তারা। অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে পরের রাউন্ডও নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মেক্সিকোর পর দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ডি’ গ্রুপে তারাই এখন শীর্ষে। ৩ পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দুইয়ে।
বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাতে ৯৬ বছরের এক সুখস্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে স্বাগতিকেরা। ১৯৩০ সালের পর বিশ্বকাপে তারা টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে।
জয়ের শুরুটা হয়েছে আত্মঘাতী এক গোলে। ম্যাচের ১১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের শট বাইরে পাঠাতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন ক্যামেরন বার্জেস। নিজেদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র প্যারাগুয়ের কাছেও প্রথম গোলটি আত্মঘাতী পেয়েছিল।
পরে বিরতিতে যাওয়ার আগে দ্বিতীয় গোলটি পায় যুক্তরাষ্ট্র। ৪৩ মিনিটে গোলটি করেন অ্যালেক্স ফ্রিম্যান। ভিএআর না থাকলে অবশ্য গোলের উদযাপন করা হতো না এই ডিফেন্ডারের। তার হেড জালে জড়াতেই যখন উদযাপন করতে যাবেন ঠিক তখনি লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন। পরে ভিএআরে চেক করে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। শেষ দিকে গোল শোধ দিতে মরিয়া হওয়া অস্ট্রেলিয়া একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান কমাতে পারেনি।




