• ই-পেপার

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে হাম প্রতিরোধ ও সচেতনতাবিষয়ক আলোচনা

দেশব্যাপী প্লাম্বারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জেডআই গ্রুপ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দেশব্যাপী প্লাম্বারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জেডআই গ্রুপ
সংগৃহীত ছবি

দেশব্যাপী নিরাপদ পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্লাম্বারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে জেডআই গ্রুপ। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পানি পরিশোধন যন্ত্র ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ইনস্টলেশন, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

জেডআই গ্রুপের পক্ষে জানানো হয়, দেশে নিরাপদ পানির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে পানি পরিশোধন যন্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ব্যবহার। তবে দক্ষ প্রযুক্তিবিদ ও প্রশিক্ষিত প্লাম্বারের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকরা কাঙিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ZI GROUP দেশব্যাপী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক ওয়াটার পিউরিফায়ার ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট সিস্টেমের ইনস্টলেশন, ত্রুটি নির্ণয়, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ একদিকে যেমন নিরাপদ পানি প্রযুক্তির বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে, অন্যদিকে প্রশিক্ষিত প্লাম্বারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। ফলে তাদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে। এছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত দক্ষ সেবাকর্মী গড়ে ওঠায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ইনস্টলেশন এবং বিক্রয়োত্তর সেবা সহজলভ্য হবে। এতে গ্রাহকরা কম খরচে দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পাবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ZI GROUP-এর এই উদ্যোগ দেশের পানি খাতে টেকসই উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বয়ে পরিচালিত এই কর্মসূচি দেশের পানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ZI GROUP-এর প্রতিনিধি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু ব্যবসা সম্প্রসারণ নয়, বরং দেশের জন্য একটি দক্ষ সেবা নেটওয়ার্ক তৈরি করা। আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে উঠুক, যাতে মানুষ সহজে নিরাপদ পানির প্রযুক্তিগত সেবা পেতে পারে।’

আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬

৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি
সংগৃহীত ছবি

তিন দিনের উত্তেজনা, লড়াই আর হাজারো তরুণের উচ্ছ্বাস শেষে ৩০ জুন  রাতে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে পর্দা নামল আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬-এর। গ্র্যান্ড ফাইনালে শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

তবে এই আসরের সবচেয়ে বড় অর্জন কেবল চ্যাম্পিয়নের ট্রফিতে সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকার ৩২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে একই মঞ্চে নিয়ে আসাটাই ছিল এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় সাফল্য। ভিন্ন ক্যাম্পাস, ভিন্ন জার্সি, কিন্তু খেলার প্রতি ভালোবাসা আর দলগত স্পিরিট ছিল একই সুতোয় বাঁধা। আমা কফির এই আয়োজনের মাধ্যমে শুধু একটি ফুটসাল টুর্নামেন্ট নয়, বরং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভা, স্পোর্টসম্যানশিপ ও স্বপ্নকে একসঙ্গে উদযাপন করার সুযোগ পেয়েছে।

২৮ জুন থেকে শুরু হওয়া নকআউট পর্বের ১৬টি ম্যাচে প্রতিটি দল যেভাবে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, স্টেডিয়ামজুড়ে তৈরি হয়েছিল এক অন্যরকম আবহ। এই আয়োজন সফল করতে এবং ম্যাচ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন  বাফুফে।

ফাইনাল ম্যাচটি জিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ায় স্টেডিয়ামের বাইরেও দেশজুড়ে অসংখ্য মানুষ এই উৎসবের ভাগীদার হতে পেরেছেন। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পেয়েছে পাঁচ লাখ টাকা, রানার্সআপ শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি পেয়েছে দুই লাখ টাকা । সেরা গোলরক্ষক, সর্বোচ্চ গোলদাতা আর সেরা খেলোয়াড় এই তিনটি বিশেষ স্বীকৃতিও তুলে দেওয়া হয় খেলোয়াড়দের হাতে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ মামুন এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিমসহ বাফুফের পদস্থ কর্মকর্তারা। তাঁদের উপস্থিতি এই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আসরকে দিয়েছে বাড়তি একটি মাত্রা। 

ফাইনালের আগে আলোক প্রদর্শনী, ফ্ল্যাশ মব আর লাইভ সংগীতের মধ্য দিয়ে পুরো স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল এক প্রাণবন্ত উৎসবে। ক্যাম্পাস ট্যুর, জার্সি রিভিল আর ট্রফি ট্যুর দিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আমা কফির উদ্যোগে সেই যাত্রা পরিপূর্ণতা পেয়েছে। ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়, শত শত খেলোয়াড় আর হাজারো সমর্থককে একই ছাদের নিচে এনে আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬ প্রমাণ করল- তরুণরা শুধু স্বপ্ন দেখে না, সুযোগ পেলে সেটা সত্যি করেও দেখায়।

২২টি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উত্তরা ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২২টি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উত্তরা ইউনিভার্সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

দেশে যে কয়টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর শিক্ষার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্রমাগত চেষ্টা রয়েছে তার ভেতর বড় রকমের সাফল্য দেখিয়েছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি। সম্প্রতি উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উত্তরা ইউনিভার্সিটি এশিয়া ও আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার ইন্দোনেশিয়া কনভেনশন সেন্টারে ২২–২৫ জুন অনুষ্ঠিত ৫ম গ্লোবাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কংগ্রেস (GSDC) ২০২৬-এ এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

টাইমস হায়ার এডুকেশন আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নে উচ্চশিক্ষার ভূমিকা এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। উত্তরা ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য আবিদ আজিজ এবং ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিং সেলের পরিচালক শেখ ইয়াসা শান।

চার দিনব্যাপী সম্মেলনে তারা বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, কৌশলগত সম্পর্ক তৈরি এবং একাডেমিক আলোচনায় অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা করেন। এই বিশাল উদ্যোগের বড় অংশজুড়েই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

দেশটির শীর্ষস্থানীয় ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তি করেছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব জাভার অন্যতম সেরা পাবলিক রিসার্চ ইউনিভার্সিটি ইউনিভার্সিতাস ব্রাবিজায়া এবং ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশটির অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ জাকার্তা। এছাড়াও রয়েছে প্রযুক্তি ও আধুনিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে ফলিত বিজ্ঞান ও মহাকাশ গবেষণার জন্য খ্যাত ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ আহমদ দাহলান , ডিজিটাল উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ সুরাবায়া, এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়া ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ রিয়াউ।

তালিকায় আরো রয়েছে ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ মাকাসার, ইউনিভার্সিতাস ইসলাম আহমদ দাহলান , এবং দক্ষিণ সুমাত্রার অন্যতম সেরা বেসরকারি বিদ্যাপীঠ ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ পালেমবাং।

পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও বিশেষায়িত গবেষণার জন্য ইউনিভার্সিতাস নেগেরি পাদাং, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ পোনোরোগো, ইউনিভার্সিতাস পেনডিডিকান ইন্দোনেশিয়া মুহাম্মাদিয়াহ সোরং, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ বুটন, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ মাগেলাং, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ পালাংকারায়া, ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ জেম্বার এবং কারিগরি ও ব্যবসায়িক শিক্ষার জন্য সুপরিচিত ইউনিভার্সিতাস মুহাম্মাদিয়াহ তাঙ্গেরাঙ্গ।

ইন্দোনেশিয়ার ১৫ টির বাইরে রয়েছে ফিলিপাইনের ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়। সেগুলো হলো  ইউনিভার্সিটি অব দ্য ভিসায়াস, ইউনিভার্সিটি অব ইস্টার্ন ফিলিপাইনস, ক্যাভিট স্টেট ইউনিভার্সিটি , সাউদার্ন লেইটে স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং ইলোকোস সুর পলিটেকনিক স্টেট কলেজ।

এই বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে আরও বৈচিত্র্যময় করতে দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় ডারবান ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির সাথে চুক্তি সই করেছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি। নতুন নতুন উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির দারুণ সুনাম রয়েছে। এই চুক্তির ফলে দুই মহাদেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ গবেষণার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

নতুন স্বাক্ষরিত এসব সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি, যৌথ গবেষণা, সহ-লিখিত গবেষণা প্রকাশনা, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, ভিজিটিং স্কলার প্রোগ্রাম, দ্বৈত ডিগ্রী অর্জনের  উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার ও কর্মশালা যৌথভাবে আয়োজনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সমঝোতার ভিত্তিতে অংশীদার হওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের, যেটা কিনা উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অর্জন উত্তরা ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আর কেবল একটি বিকল্প নয়, বরং সময়ের অপরিহার্য প্রয়োজন। এসব অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চা ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান আরও শক্তিশালী করবে।

তারা আরো জানিয়েছেন, প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশের বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা খাতে অবদান রাখা উত্তরা ইউনিভার্সিটি প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন এসব অংশীদারিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নেবে, যেখানে বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

উত্তরা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। গত ২৩ বছর ধরে একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও পেশাগত সাফল্যের জন্য প্রস্তুত করে আসছে।

ব্যাংককে আকিজ সিমেন্টের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ব্যাংককে আকিজ সিমেন্টের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

থাইল্যান্ডে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হোটেলে এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ‘বন্ধুত্বের বন্ধন’ শীর্ষক এই কনফারেন্সে আকিজ সিমেন্টের দেশসেরা ৮২ জন রিটেইলার অংশগ্রহণ করেন।

কনফারেন্সে আকিজ বিল্ডিং সলিউশন্স ক্লাস্টার সিইও আসাদুল হক সুফিয়ানী বলেন, আমাদের রিটেইলারদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আস্থা ও সহযোগিতার কারণে আকিজ সিমেন্টের আজকের এই অবস্থান সম্ভব হয়েছে। এই সম্পর্ককে আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই এবং ভবিষ্যতেও একসঙ্গে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের রিটেইলার নেটওয়ার্কের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আকিজ সিমেন্ট আগামী দিনগুলোতে দেশের নির্মাণ শিল্পে আরো শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে। 

আকিজ রিসোর্সের চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার তৌফিক হাসান বলেন, আকিজ রিসোর্স সব সময় বিশ্বাস করে টেকসই ব্যাবসায়িক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি হলো মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক। আমাদের রিটেইলাররা দেশের প্রতিটি প্রান্তে আমাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেন। তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের দায়িত্ব, আর ‘বন্ধুত্বের বন্ধন’ এই চেতনাকেই প্রতিফলিত করে।

কনফারেন্সটিতে আরো উপস্থিত ছিলেন আকিজ রিসোর্সের ক্লাস্টার চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (আকিজ বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস) মোস্তাক আহমেদ এবং আকিজ সিমেন্টের হেড অব মার্কেটিং সুব্রত কুমার সিংহ।