• ই-পেপার

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৬৭ হাজার

এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা
ফাইল ছবি

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। ঢাকা মহানগরীর ৩০৯টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্র করে কেন্দ্রে যাতায়াত নির্বিঘ্নকরণসহ ঢাকা মহানগরের সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে বেশ কিছু নির্দেশনা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ জুন সকাল ১০টা থেকে ঢাকা মহানগরীর ৩০৯টি কেন্দ্রে হবে। এইচএসসি/সমমান পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতায়াত নির্বিঘ্নকরণসহ ঢাকা মহানগরের সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সম্মানিত নগরবাসী ও যানবাহন চালকদের নিম্নবর্ণিত নির্দেশনাসমূহ মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো—

- পরীক্ষার্থীরা যথেষ্ট সময় নিয়ে কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন।

- যেসব পরীক্ষার্থী ব্যক্তিগত যানবাহনে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসবেন তারা পরীক্ষা কেন্দ্রের সম্মুখে নামার পরিবর্তে কম ব্যস্ত নিকটবর্তী স্থানে নেমে পরীক্ষা কেন্দ্রে হেঁটে আসবেন। পরীক্ষা শেষে ফেরার সময়ও কেন্দ্র থেকে হেঁটে গিয়ে নিকটবর্তী কম ব্যস্ত কোনো স্থান হতে গাড়িতে উঠবেন।

- কোনো যানবাহন (প্রাইভেটকার) পরীক্ষা কেন্দ্রের নিকটবর্তী সড়কে পার্কিং করে রাখা যাবে না (পার্কিং করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে)।

- অভিভাবদের পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের সড়কে অবস্থান না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। (অভিভাবকদের সড়কে অবস্থান করে যান চলাচলে বিঘ্ন করা সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী অপরাধযোগ্য অপরাধ)।

- পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়ার সুবিধার্থে (সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত) পরীক্ষার্থী ব্যতীত অন্য সব যাত্রী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র সংলগ্ন সড়কসমূহ যথাসম্ভব পরিহার করে চলবেন।

গোপনে জাবি ছাত্রীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক আটক

অনলাইন ডেস্ক
গোপনে জাবি ছাত্রীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবক আটক
সংগৃহীত ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণকালে বহিরাগত এক যুবককে হাতেনাতে ধরে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন শিক্ষার্থীরা। গত ৬ মাস ধরে ওই যুবক গোপনে এ ভিডিও করে আসছিলেন এবং তার মোবাইল ফোনে ১৪০টি ভিডিও পেয়েছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

সোমবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবক রিয়াজ আহমেদ কেরানীগঞ্জ এলাকার উত্তর বাহেরচর এলাকায় থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের ব্রাজিল বনাম জাপানের খেলা দেখছিলেন শিক্ষার্থীরা। খেলা শেষে ছাত্রীদের কয়েকজন টিএসসির ওয়াশরুমে যান। এ সময় ছাত্রীদের ওয়াশরুমে কেউ একজন ঢুকে তড়িঘড়ি করে বের হয়েছেন এমন সন্দেহ করেন তারা। ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে কয়েকজন ছাত্রী ওই যুবককে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অস্বীকার করেন। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে দেখতে পান, তিনি ওয়াশরুমের দরজার ছোট ছিদ্র দিয়ে ভিডিও ধারণ করেছেন।

তারা আরো বলেন, রিয়াজের ফোনের গ্যালারিতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত ক্যাম্পাসের ছাত্রীদের এমন স্পর্শকাতর ভিডিও পাওয়া যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কয়েকজন তাকে পিটুনি দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তা শাখার কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক ফটকে নিয়ে যান। আশুলিয়া থানার পুলিশ প্রান্তিক ফটকে আসে। এর কিছুক্ষণ পর শিক্ষার্থীদের অনেকেই প্রান্তিক ফটকে গেলে পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গাড়িতে করে নিয়ে চলে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পুলিশকে ফোন করে আবার ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এরপর ভোর ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নেওয়া হয়। এ সময় ভুক্তভোগী ছাত্রীরা লিখিত অভিযোগ দেন এবং মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় যান।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সীমান্ত বলেন, ‘যখন রিয়াজের ফোন চেক করা হয়, তখন সেখানে ১৪০টির মতো ভিডিও পাওয়া যায়।’

অভিযুক্ত রিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় পর্দায় খেলা দেখানো হয় শুনে আমি আসছিলাম। পরে ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় আমার এক বন্ধু আমার কাছ থেকে ফোন নিয়ে ভিডিও করতে গেছিল। আমি তার পেছনে পেছনে গিয়েছিলাম, পরে সে দৌড়ে পালিয়ে গেছে। তার ফোনে গত ছয় মাসের ভিডিও কিভাবে এলো—এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এর আগেও ক্যাম্পাসে এসেছি। সে সময় কিছু ভিডিও করেছিলাম।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘একটি ন্যক্কারজনক একটি ঘটনা ঘটেছে। গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ করত এক যুবক। বহিরাগত ওই যুবককে আটক করে থানা–পুলিশে দেওয়া হয়েছে এবং মামলা করা হবে।’

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা ইতিমধ্যে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলা রুজু করে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দুই মাসের বকেয়াসহ জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দুই মাসের বকেয়াসহ জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে মাদরাসাশিক্ষকদের বেতন নিয়মিত দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দুই মাসের বকেয়া বেতনও জুলাই মাসেই পরিশোধ করা হবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত সেপ্টেম্বর থেকে এনটিআরসির মাধ্যমে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় এসব পদে নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করেছে, যা প্রশংসনীয় উদ্যোগগুলোর মধ্যে একটি। কিন্তু তারা বাজেটে টাকা রাখেনি।  

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর দেখা গেল ৫০১ কোটি টাকা প্রয়োজন, কিন্তু সেটাও নেই। অন্তর্বর্তী সরকার বাজেটে টাকা রাখেনি বলে মাদরাসাশিক্ষকদের ২ মাসের বেতন দেওয়া যায়নি। তবে জুলাই মাস থেকে বকেয়াসহ বেতন নিয়মিত হবে। 

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী জানান,  ইসলামী শিক্ষায় যারা পড়াশোনা করছেন তাদের দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে জীবনযাপন করতে হবে।

এ সময় সংসদে জামায়াতে ইসলামী কতটা ইসলামী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই আলোচনার কথা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল ইসলামের পথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কৃষি সহকারী শিক্ষকদের জন্য সুখবর, ১০ম গ্রেডে বেতনের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
কৃষি সহকারী শিক্ষকদের জন্য সুখবর, ১০ম গ্রেডে বেতনের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের বেতন স্কেল ও গ্রেড পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। যেসব শিক্ষক ১১ গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করেছেন, তাদের এখন থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন দেওয়া হবে।

গতকাল সোমবার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে যেসব শিক্ষক সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে ১১ কোডে যোগদান ও এমপিওভুক্ত হয়েছেন, তাদের ১০ কোডে বেতন নির্ধারণের জন্য মেমিস সফটওয়্যারে ‘পুনঃনিয়োগ’ অপশনে আবেদন করতে হবে।

এর আগে গত ৯ জুন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়ার সই করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন স্কেল সংশোধন করা হয়।

কারা পাবেন ১০ম গ্রেড?

নতুন সংশোধিত পরিপত্র অনুযায়ী, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি, কৃষি অর্থনীতি, মৎস্য, পশুপালন, কৃষি প্রকৌশল, বনবিদ্যা, পরিবেশ বিজ্ঞান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা ডিভিএম বিষয়ের যেকোনো একটিসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকলে সরাসরি ১০ম গ্রেডে (১৬ হাজার-৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা) বেতন প্রাপ্য হবেন। এছাড়া ন্যূনতম ৩ বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও ১০ম গ্রেড পাওয়া যাবে। 

অন্যদিকে, উদ্ভিদবিদ্যা বা প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা শুরুতে ১১তম গ্রেডে (১২ হাজার ৫০০-৩০ হাজার ২৩০ টাকা) বেতন পেলেও পরে বিএড ডিগ্রি অর্জন সাপেক্ষে ১০ম গ্রেডের সুবিধা পাবেন। তবে সমগ্র শিক্ষা জীবনে একটির বেশি ৩য় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
পরিপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, এই পদের জন্য সাধারণ বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হলেও সমপদের ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য থাকবে। 

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সংশোধিত এই নিয়মটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। আদেশের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধিদপ্তর, ব্যানবেইস, এনটিআরসিএ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।