• ই-পেপার

বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঈন, সম্পাদক তানভীর

১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে পাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে পাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স
সংগৃহীত ছবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বিশ্বের ১৩টি দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইমার্জিং ফ্রন্টিয়ার্স ইন অ্যাডভান্সড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস-২০২৬ (ইফাস্ট-২০২৬)’ শনিবার (২৭ জুন) শুরু হচ্ছে।

পাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিসের (UniMAP) সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্মেলন উপলক্ষে শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩৯টি টেকনিক্যাল সেশনে মোট ৩৭৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ২২৮টি সরাসরি, ৭৮টি ভার্চুয়ালি এবং ৬৯টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন থাকবে। উন্নত পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাম্প্রতিক গবেষণা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ।

সম্মেলনে মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান গবেষক ও শিক্ষাবিদরা সরাসরি এবং ভার্চুয়ালি কীনোট ও ইনভাইটেড স্পিকার হিসেবে অংশ নেবেন।

সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন পাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং কনফারেন্স চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান।

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, ‘ধার করা প্রযুক্তি দিয়ে কোনো দেশ দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে না। আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান, কনফারেন্স কনভেনার ড. মো. ফজলুল হক, কনফারেন্স সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজাসহ আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দৈনিক কালের কণ্ঠ ও যমুনা টেলিভিশন।

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান হবে ঐতিহাসিক মিলনমেলা : ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান হবে ঐতিহাসিক মিলনমেলা : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল কেবল রাজশাহী বা বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র উপমহাদেশের একটি গর্বের প্রতিষ্ঠান। ২০২৮ সালে এই স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তি উদযাপিত হবে। আর সে অনুষ্ঠান হবে এক ঐতিহাসিক মিলনমেলা।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকালে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল প্রাঙ্গণে ২০২৮ সালে অনুষ্ঠেয় স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দ্বিশত বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব রেখে স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র মিজানুর রহমান মিনু বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই স্কুলেরই কৃতী ছাত্র। তারাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী।

মন্ত্রী সভায় দ্বিশত বার্ষিকী স্মৃতি হিসেবে স্কুলে একটি অত্যাধুনিক অডিটরিয়াম বা ‘২০০ ইয়ার্স হল’ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী টাওয়ারের আদলে একটি দৃষ্টিনন্দন টাওয়ার বা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে, যা সারা বিশ্বের মানুষের নজর কাড়বে। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র যারা দেশবরেণ্য শিল্পী, তাদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া উপহার হিসেবে বড় কোনো ক্রেস্টের পরিবর্তে ব্রিটিশ মিউজিয়াম বা প্রাচীন ঐতিহ্যের আদলে ছোট স্মারক মেডেল প্রদান করা হবে, যা বংশপরম্পরায় সংরক্ষিত থাকবে।

তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মানের করতে এবং সারা বিশ্বের কাছে স্কুলের ঐতিহ্য তুলে ধরতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে অনুষ্ঠান উদযাপনের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। দল-মত-নির্বিশেষে স্কুলের প্রতি ভালোবাসা থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উদযাপন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. বায়রুল ইসলাম ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, প্রাক্তন ছাত্ররাও ছিলেন।

আমাদের দেশে মাদ্রাসা পরিদর্শকের সংখ্যা অপ্রতুল : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদের দেশে মাদ্রাসা পরিদর্শকের সংখ্যা অপ্রতুল : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের দেশে মাদ্রাসা পরিদর্শকের সংখ্যা অপ্রতুল। তাই মাদ্রাসাগুলো যথাযথভাবে পরিদর্শন করা সম্ভব হয় না। এ জন্য মাদ্রাসা বোর্ডগুলোকে অন্যান্য বোর্ডগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মাদ্রাসা পরিদর্শন বৃদ্ধি করতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দিনাজপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং রংপুর বিভাগের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দের সঙ্গে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে আমরা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিচ্ছি। আগামীতে কমন বিষয়গুলোতে মাদ্রাসা ও কারিগরিতেও অভিন্ন প্রশ্নপত্র করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশ্নফাঁস বিষয়ে গুজব ছড়ালে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যারা প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং আটক করবে।

সভার শুরুতে শিক্ষামন্ত্রী বোর্ডের অধীন বিভিন্ন কলেজের ফলাফল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষদের মতামত শোনেন। এতে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ।

ঢাবিতে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘ফলদ ও বনজ বৃক্ষে সমৃদ্ধ করি পরিবেশ’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস অ্যালায়েন্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অমর একুশে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ আল-মামুন, ডুফার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ কামাল অনিক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. আবু রাফি উপস্থিত ছিলেন। প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বৃক্ষরোপণের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বরং যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে গাছের বেঁচে থাকার হার বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। গাছের পরিচর্যা করার সক্ষমতা বিবেচনা করেই বৃক্ষরোপণের পরিসর এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।


 
বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে ফলদ ও বনজ বৃক্ষ রোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ শুধু সবুজায়ন বৃদ্ধি করে না, বরং বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত করা, খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  

পরে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ সংলগ্ন লনে আম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর ফজলুল হক মুসলিম হল প্রাঙ্গণেও একটি গাছ লাগানো হয়।