• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ

আগে খরচ, পরে অনুমোদন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন বিরোধীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগে খরচ, পরে অনুমোদন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন বিরোধীদের
সংগৃহীত ছবি

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ সময়ে সম্পূরক বাজেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয়ের অনুমোদন নেওয়ার প্রচলিত প্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা। তারা অভিযোগ করেছেন, সরকার আগে ব্যয় সম্পন্ন করে পরে সংসদের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চাইছে। এর ফলে সংসদের আর্থিক নজরদারি ও অনুমোদনের সাংবিধানিক ক্ষমতা কার্যত ‘লোক দেখানো’ বা আনুষ্ঠানিকতায় সীমিত হয়ে যাচ্ছে।

সোমবার (১৫ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট ও ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের জিডিপির আকার প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকা হলেও প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশে। মূল্যস্ফীতি এখনো ৯ দশমিক ৫ শতাংশের ঘরে আটকে আছে।’

আর্থিক খাতের সংকট তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘খেলাপি ঋণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ থেকে কমে প্রায় ৫ শতাংশে নেমে এসেছে এবং ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততাও ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে।’ ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে প্রকৃত সক্ষমতাহীনদের ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সুদের ও ডলারের হার নির্ধারণ করায় এই বিপর্যয় নেমে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

অর্থপাচারের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। আর গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে।’

নতুন সরকারের বৈদেশিক অর্থায়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘আইএমএফ আগের ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী কিস্তি নতুন সরকারের জন্য বহাল থাকবে না বলে জানিয়েছে। ফলে নতুন করে চুক্তি করতে হবে। এ অবস্থায় সরকারকে চীন বা অন্য কোনো দেশের ঋণের দিকে ঝুঁকতে হতে পারে, যেখানে সুদের হার ও পরিশোধের চাপ—দুই-ই বেশি।’

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘অর্থপাচার এবং রপ্তানি খাতের দুর্বলতা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। দেশ ক্রমেই আমদানিনির্ভর হয়ে পড়লেও রপ্তানি সেই হারে বাড়ছে না, যা বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বরাদ্দ বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে দেওয়ায় প্রকৃত উপকারভোগীরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাচ্ছেন না।’

একই দলের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুর সম্পূরক বাজেটের যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়ার ঘটনা সরকারের আর্থিক শৃঙ্খলার ঘাটতি এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার দুর্বলতারই প্রতিফলন।’

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের হিমশিম খাওয়ার চিত্র তুলে ধরে আব্দুল গফুর বলেন, ‘সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত ছিল বাজার নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু কার্যকর বাজার তদারকির পরিবর্তে সরকার অতিরিক্ত বরাদ্দ চাইছে। অতিরিক্ত অর্থের কতটুকু বাজার মনিটরিংয়ে ব্যয় হবে?’ তিনি সম্পূরক বাজেটের একটি অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ভর্তুকি খাতে স্থানান্তরের প্রস্তাব দেন।

সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনার শুরুতেই বিরোধী দলের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন খরচের পর অনুমোদন নেওয়ার প্রচলিত রীতির সমালোচনা করে এই ‘প্র্যাকটিস’ বন্ধের দাবি জানান।

জামায়াতের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, ‘সংবিধানের ৯১ অনুচ্ছেদের আওতায় সরকার অতিরিক্ত ব্যয় করে পরে তা সম্পূরক বাজেট হিসেবে সংসদে আনে। খরচ হয়ে যাওয়ার পর তা সংসদে আসায় অনুমোদন দেওয়া ছাড়া সংসদের সামনে আর কোনো বাস্তব বিকল্প থাকে না। সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সংশোধিত বাজেট যথাসম্ভব মার্চ মাসের মধ্যে সংসদে উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবির আলোচনায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মো. আবদুল আলিম বলেন, ‘আগে খরচ, পরে অনুমোদন নয়; ‘আগে অনুমোদন, পরে খরচ’—এই নীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থবছরের শেষ দিকে তড়িঘড়ি করে ব্যয় করার প্রবণতা অপচয় ও অনিয়মের ঝুঁকি বাড়ায়।’

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্বীকার করেন, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের আগে সংসদের অনুমোদন নেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে সংসদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হতো।

স্পিকার বলেন, ‘আমিও বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রীয় খরচ যা কিছু, সেটা আগেই সংসদে অনুমোদন নেওয়া উচিত। তবে নানা কারণে এটা হয়তো সম্ভব হয় না। দীর্ঘদিন ধরে সম্পূরক বাজেট একই পদ্ধতিতে পাস হয়ে আসায় এটি এক ধরনের সংসদীয় রেওয়াজে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে সংসদের সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী করার জন্য বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনার সুযোগ রয়েছে।’

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় : রুমিন ফারহানা

দেশের বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে সরকার কিভাবে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ঘাটতি বাজেট দেওয়ার একটি সংস্কৃতি রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণ করা হয় দেশি-বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে, যার পরিশোধের চাপও বহন করতে হয়। ফলে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের সম্পূরক মঞ্জুরি দাবির ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৬৮ লাখ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, আর মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার হার ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে।’

তিনি আরো বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা রপ্তানি হ্রাস ও আমদানি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিবছর গড়ে ১৪ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকা ব্যক্তিদের ঋণ দেওয়া হয়েছে, ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুদের হার ও ডলারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের ওপর চাপ কমাতে কৃত্রিমভাবে বিনিময় হার ধরে রাখার ফলে ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, শেয়ারবাজার ও কর ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে পুরো চাপ গিয়ে পড়বে ব্যাংক খাতের ওপর। অথচ খেলাপি ঋণের হার এরই মধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি জানিয়েছে, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে পরবর্তী কিস্তি দিতে হলে নতুন সরকারের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতা প্রয়োজন। ফলে ভবিষ্যতে ঋণের জন্য চীন বা অন্যান্য দেশের দিকে তাকাতে হতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, এডিবি, বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের বাইরে অন্য উৎস থেকে ঋণ নিলে সাধারণত সুদের হার বেশি হয় এবং দ্রুত পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকার কীভাবে এ বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

রাশেদ খান

হান্নান মাসউদের হলফনামায় মিথ্যা তথ্য, বাতিল হচ্ছে এমপি পদ!

অনলাইন ডেস্ক
হান্নান মাসউদের হলফনামায় মিথ্যা তথ্য, বাতিল হচ্ছে এমপি পদ!
হান্নান মাসউদ।

সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ নির্বাচনী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। এই অপরাধে হান্নান মাসউদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে কিনা, প্রশ্ন করেন তিনি।

আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন অভিযোগ করেন রাশেদ খান।

তিনি বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অপরাধে বাতিল হচ্ছে হান্নান মাসউদের এমপি পদ? সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে হলফনামায় অসত্য তথ্য উল্লেখ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন হাতিয়ার এমপি হান্নান মাসউদ।

হান্নান মাসউদ তার আইনজীবীর পরামর্শে হলফনামায় অসত্য তথ্য দেন। এমপি হান্নান মাসউদ এবিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানান রাশেদ খান। বলেন, ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর রিটার্ন দিতে সুবিধা হবে বলে অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে হলফনামা হান্নান মাসউদকে তার আইনজীবী করার পরামর্শ দিয়েছেন।

রাশেদ খান বলেন, তিনি (হান্নান মাসউদ) দাবি করেছেন, তার স্থাবর সম্পদ নাই। তার মানে তার হলফনামায় দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।

হলফনামার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর ২০২৫ সালের ১১ আগস্টের একটি বক্তব্য কোড করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, 'কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে ভোটের পরেও তদন্ত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে সত্যতা মিললে বাতিল হবে প্রার্থিতা, চলে যাবে সংসদ সদস্য (এমপি) পদ। এটি সুনির্দিষ্টভাবে বিধান আরপিওতে সন্নিবেশ করা হয়েছে।'

রাশেদ খান বলেন, আমি হান্নান মাসউদ সম্পর্কে অতীতে যেসব তথ্য দিয়েছি, তা সত্য না কি মিথ্যা, তা হান্নান মাসউদের হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলেও উত্তর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে হান্নান মাসউদ দাবি করেছেন, সে তার সহধর্মিণীর সেমিস্টার ফি দিয়েছে মাহবুব ভাই নামক একজনের থেকে ধার করে। আর নতুন বাড়ি করার জন্য ইট কিনেছে, কিন্তু ৩ লাখ টাকা এখনো বাকি! টাকার অভাবে শোধ করতে পারছেন না, একজন এমপি এতো গরিব, এতো সৎ! আহারে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ খান প্রশ্ন করেন, হলফনামায় এই সততা কেন ফুটিয়ে তুললেন না তিনি?

সীমান্তে পুশ ইন ও হত্যার প্রতিবাদে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ আজ

অনলাইন ডেস্ক
সীমান্তে পুশ ইন ও হত্যার প্রতিবাদে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ আজ

ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে পুশইন, সীমান্তে হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য, ঢাকা মহানগরী। আজ সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৫টায় শাহাবাগ মোড়ে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। 

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমানা আযাদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারী জেরারের মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।