• ই-পেপার

পাকিস্তানে ফরাসি নারীকে ১২ বছর ধরে বন্দি রেখেছেন স্বামী, চালিয়েছেন নির্যাতন অতঃপর...

ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর

 ভারতের দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মীর-সহ উত্তর দিকে শাক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.২। এতে সাধারণ মানুষেরা মধ্যে আতঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে। 

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভূমিকম্পের উৎসস্থল আফগানিস্তান। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যে ৭টায় জোরাল ভূমিকম্পে  আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চল কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.২। 

জাতীয় ভূকম্পনকেন্দ্র বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎসস্থল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের কালাফগান থেকে প্রায় ৮১ কিলোমিটার দূরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ২১৫ কিলোমিটার গভীরে। কম্পন অনুভূত হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। 

ভূমিকম্পের পরই আতঙ্কে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন বহু মানুষজন। বাইরে বেরিয়ে আসেন অফিসের কর্মীরাও। 

 শনিবার ভারত ছাড়াও কম্পন অনুভূত হয়েছে পাকিস্তান, চিন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান ও তুর্কমেনিস্তানেও। 

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে কী বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে কী বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে শুধু একটি দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো। বিশেষ করে মোংলা বন্দর, তিস্তা প্রকল্প, বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডর এবং সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কৌশলগত উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ চীনের দিকে ক্রমে ঝুঁকছে বলে মনে করছেন ভারতীয় বিশ্লেষকরা। আর এভাবে ঢাকা-বেইজিংয়ের সম্পর্কের আরো উন্নতি হলে ভারতের ঐতিহ্যগত প্রভাব বলয়ের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও অভিমত তাদের।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ও চীন। জমিটি আগে ভারতের জন্য বরাদ্দ থাকলেও ২০২৫ সালে সেটি বাতিল করে দেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।

ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমটির মতে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে চীনের এই বিনিয়োগ বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে বেইজিংয়ের কৌশলগত উপস্থিতি আরো শক্তিশালী করতে পারে। পাকিস্তানের গোয়াদর থেকে আফ্রিকার জিবুতি পর্যন্ত চীনের বন্দর বিনিয়োগের ধারাবাহিকতায় মোংলাও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে বলে জানেয়েছেন তারা।

এ বিষয়টি নিয়ে আরো সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? এটি শুধু একটি অর্থনৈতিক প্রকল্প হাতছাড়া হওয়ার ঘটনা নয়; বরং ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি চীনের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির পথ খুলে দেওয়া।

চীনের বাণিজ্যিক বিনিয়োগ সামরিক উপস্থিতিতে রূপ নেবে—এমন প্রমাণ না থাকলেও অতীতে বিদেশি বন্দরে বিনিয়োগকে গোয়েন্দা ও নজরদারি কার্যক্রমে ব্যবহার করার নজির রয়েছে বলেও জানায় ইন্ডিয়া টুডে।

চীন সফরে তারেক রহমান তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বেইজিংয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন। এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রায় সব ভারতীয় গণমাধ্যমই তুলে ধরেছে। দেশটির অন্যতম প্রভাশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু বলছে, তিস্তা নদী নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের বিরোধ দীর্ঘদিনের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা সরকার ভারতের সঙ্গে সমঝোতার পথ খুঁজলেও বর্তমান সরকার অপেক্ষা না করে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিতে চায়। তিস্তা মহাপরিকল্পনায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি নদী খনন, জলাধার নির্মাণ, ভাঙনরোধ এবং নদীকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরেক সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট লিখেছে, তিস্তা প্রকল্প ভারতের কাছে সংবেদনশীল, কারণ নদীটি পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর অবস্থান শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’-এর খুব কাছাকাছি। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থল সংযোগ এই করিডর। ফলে সেখানে চীনের যেকোনো ধরনের উপস্থিতি নয়াদিল্লির উদ্বেগের কারণ।

তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তিস্তা প্রকল্প কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতাকে বাইরের প্রভাবমুক্ত রাখা উচিত।

  • ১৩ সমঝোতা স্মারক

চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীন ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, নদী ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন। আর এ সমঝোতার বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে এনডিটিভি এবং ইন্ডিয়া টুডে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর উভয় দেশ চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল এবং মোংলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে চীন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও হয়েছে আলোচনা। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, এটি মূল বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মায়ানমার (বিসিআইএম) করিডরের একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, যেটি আগে বাস্তবায়িত হয়নি।

  • বেইজিং-ঢাকা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪টি চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। আর এটি বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের পর এই মডেলের দ্বিতীয় বিদেশি ব্যবহারকারী হবে বাংলাদেশ।

এ ছাড়া ‘টু প্লাস টু’ সংলাপের আওতায় দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত আলোচনার বিষয়ে নীতিগত সমঝোতার কথাও উঠে এসেছে দেশটির গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলেছেন, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সমর্থন দেয় এবং ‘বিদেশি হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাখ্যান করে। এই বক্তব্যকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো।

ভারতের আউটলুক ম্যাগাজিনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লির উদ্বেগের মূল কারণ অর্থনীতি নয়, বরং ভূগোল ও নিরাপত্তা। এতে বলা হয়েছে, মোংলা বন্দর, তিস্তা অববাহিকা এবং লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিকে ঘিরে সম্ভাব্য চীনা সম্পৃক্ততা ভারতের নিরাপত্তা কৌশলের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।

‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’

অনলাইন ডেস্ক
‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’
সংগৃহীত ছবি

প্রবীণ গোয়েলও পুনেতে ব্যবসা করেন। তবে বিশাল আগরওয়ালের মতো অত বড় ব্যবসায়ী নন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে গোয়েল ও আগরওয়াল পরিবারের মধ্যে জানাশোনা ছিল। সে জানাশোনাকে আত্মীয়তা বন্ধনে বাধার উদ্যোগ নেয় দুই পরিবার।

প্রবীণ গোয়েলের একমাত্র কন্যা সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বিশাল আগরওয়ালের একমাত্র ছেলে কেতন আগরওয়ালের বাগদান হয় গত ফেব্রুয়ারিতে। বাগদানের পর থেকে দুই পরিবারে সুখের বন্যা। প্রস্তুতি চলছিল আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের। কিন্তু সিয়ার মনে ছিল অন্য কিছু। প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে পরিকল্পনা করে গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে  ফেলে হত্যা করেন কেতন আগরওয়ালকে।

একটি মৃত্যু এলোমেলো করে দিয়েছে দুটি পরিবারকে। আগরওয়াল পরিবার তো সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর, শোকে স্তব্ধ গোয়েল পরিবারও। কেতন যে তাদের কছেও সন্তানের মতোই ছিল। কেতন হত্যায় সিয়া জড়িত, এটা শোনার পর বাবা প্রবীণ গোয়েলের হার্ট অ্যাটাক হয়। তিনি এখন হাসপাতালে। তাকে দেখাশোনা করতে স্ত্রী পূজা গোয়েল ও ছেলে সাহিল গোয়েলও দিনরাত হাসপাতালেই কাটাচ্ছেন।

সিয়া গোয়েলের মা পূজা গোয়েল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কেতনের মৃত্যু একটি নয়, দুটি পরিবারকে এলোমেলো করে দিয়েছে। কেতনের মৃত্যুতে তাদের (আগরওয়াল পরিবার) মতো আমরাও বেদনার্ত।’

কেতনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্বাসই হচ্ছে না প্রবীণ গোয়েলের। তিনি বলেন, ‘তারা (আগরওয়াল পরিবার) ছেলে হারিয়েছে। কিন্তু কেতন আমাদের কাছেও ছেলের মতোই ছিল। আমরা তাকে অনেক ভালোবাসতাম। অল্প দিনে তার সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, মনে হতো কেতন আমার আরেকটি ছেলে। এমন সম্ভাবনাময়, ভালোবাসার সন্তান হারিয়ে আমরাও শোকে কাতর।’

কেতনের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে প্রবীণ গোয়েল বলেন, ‘মেয়ের বিয়েকে সামনে রেখে বাড়ি সংস্কারের কাজ করছিলাম। কেতন এসে বলত, পাপাজি প্লাম্বিং, মার্বেলের কাজ বা ফার্নিচারের কাজ; যেকোনো কাজে আমাকে বলবেন। আমি সব সামাল দেব। সে কখনো না বলত না।’

কেতনকে যেমন গোয়েল পরিবার সন্তানের মতো আদর করত, সিয়াকেও গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছিল আগরওয়াল পরিবার। বিয়েকে সামনে রেখে নানা অনুষ্ঠান চলছিল। সিয়ার জন্মদিন উদযাপনেও নানা পরিকল্পনা ছিল তাদের।

সিয়ার মা পূজা বলেন, ‘দুজনকে খুব সুখী মনে হচ্ছিল। এ জুটিকে ঘিরে আমাদের অনেক আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল।’

সিয়ার পরিবার চেতনের সঙ্গে তার সম্পর্ক জেনেও গোপন করেছিল, আগরওয়াল পরিবারের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে গোয়েল পরিবার। সিয়ার মা পূজা বলেছেন, ‘আমরা চেতনকে চিনতাম না। সে কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। তাকে আমরা কখনো দেখিনি।’

সিয়া গোয়েলের ভাই সাহিল গোয়েলও চেতনের সঙ্গে বোনের সম্পর্কের কথা জানতেন না। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, সিয়া যদি তাদের কিছু জানাত তাহলে প্রয়োজনে তারা বিয়ে ভেঙে দিত।

শুক্রবার পুলিশ সিয়ার ভাইকে ডেকে এনে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সিয়া ও চেতন ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন। পুলিশ সিয়ার ভাই ছাড়াও আরো ৭ জনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তদন্তের প্রয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও দুই অভিযুক্তের বন্ধুদেরও ডাকা হতে পারে।

একমাত্র ছেলের অভিযুক্ত হত্যাকারী সিয়া গোয়েলের প্রতি আগরওয়াল পরিবারের ক্ষোভ তো আছেই, সুখের আয়োজনে বেদনার কালি লেপে দেওয়ায় সিয়ার প্রতি গোয়েল পরিবারের ক্ষোভও কম নয়। প্রথমে দোষী হলে সিয়া গোয়েলের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চেয়েছিলেন তার মা-বাবা। এখন তাদের রাগ আরো বেশি।

প্রবীণ গোয়েল ও পূজা গোয়েল অভিন্ন কণ্ঠে বলেন, ‘কেতনকে যে বা যারা লোহাগড় দুর্গে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিল, তাদেরও যেন ঠিক সেখান থেকেই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়, এমনকি সে যদি আমাদের মেয়েও হয়।’

সিয়াকে লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে না ফেললেও পুলিশ মানুষের আকারের একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছে, সেটি নতুন করে মঞ্চায়নের চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে সবগুলো ঘটনা এক সুতায় গাঁথতে চাইছে। ঠিক যেখান থেকে কেতনকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল, পুলিশ ঠিক সেখান থেকেই কেতনের আকৃতির একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলে। পুলিশ আসলে বুঝতে চাইছে, কেতনকে ধাক্কাটা চেতন বা সিয়া একা দিয়েছিল নাকি দুজন মিলে দিয়েছিল।

থাইল্যান্ডে স্যুটকেসে মৃতদেহ, এক অস্ট্রেলীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
থাইল্যান্ডে স্যুটকেসে মৃতদেহ, এক অস্ট্রেলীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

থাইল্যান্ডে পাতায়াতে স্যুটকেসের ভেতর থেকে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃতদেহ উদ্ধারে এক অস্ট্রেলীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাত প্রায় সাড়ে ৯টায় ৪৬ বছর বয়সী ওই নাগরিককে পার্থগামী জেটস্টার ফ্লাইটে ওঠার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় থামানো হয়।

পাতায়া নগর পুলিশের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, থাইল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় উপসাগরীয় উপকূলের পাতায়া শহরের ফ্লোটিং মার্কেটের পেছনে একটি স্যুটকেসের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া থাই কিশোরের সঙ্গে ওই ব্যক্তির যোগযোগের বিষয়ে তদন্ত সংযোগ পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

পাতায়ার এক পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স প্রেস জানিয়েছেন, অপহরণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকারকারী সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ করার আগে তদন্তকারীরা ময়নাতদন্তের ফলাফল এবং মামলার ‘অন্যান্য প্রমাণে’র জন্য অপেক্ষা করছিলেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা, লাশ লুকানো এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।