• ই-পেপার

ইবোলা প্রাদুর্ভাব : ৩ দেশের নাগরিকদের সৌদি ভ্রমণ নিষিদ্ধ

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা, বিধ্বস্ত ছোট উড়োজাহাজ

অনলাইন ডেস্ক
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা, বিধ্বস্ত ছোট উড়োজাহাজ
সংগৃহীত ছবি

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবন সিআইটিআইসি টাওয়ারে ধাক্কা খেয়ে একটি ছোট উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ৫২৮ মিটার উঁচু এ ভবনটিতে আঘাত হানে উড়োজাহাজটি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ভবন থেকে ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়তে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী, পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়। মাটিতে উড়োজাহাজের পেছনের অংশ এবং একটি ট্যাক্সিক্যাবের ভাঙা জানালাও দেখা গেছে।

ঘটনার পর ভবনের ভেতরে থাকা লোকজনকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে জানান, বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে তাকে জরুরিভাবে ভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, পরিচয়পত্র বা ব্যাগ নেওয়ারও সুযোগ পাননি, দ্রুত দৌড়ে বের হয়ে আসতে হয়েছে।

পাশের একটি ভবনের আরেক কর্মী জানান, বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি বিকট শব্দ শুনতে পান।

দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজটিতে কতজন আরোহী ছিলেন, কোথা থেকে এটি উড্ডয়ন করেছিল এবং কীভাবে ভবনে আঘাত হানল, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

সিএনএন জানায়, অনলাইনে পাওয়া উড়োজাহাজটির নিবন্ধনসংক্রান্ত ছবিতে দেখা গেছে, এটি চীনে তৈরি একটি হালকা উড়োজাহাজ, যা একটি স্থানীয় সাধারণ বিমান চলাচল প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন।

এদিকে অনলাইনে প্রকাশিত ফ্লাইটরাডার২৪ এর যাচাই না করা তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার আগে উড়োজাহাজটির উড্ডয়ন পথ অস্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি চীনের স্টারএয়ার এয়ারক্রাফট কোম্পানির তৈরি দুই আসনের একক ইঞ্জিনবিশিষ্ট হালকা উড়োজাহাজ।

২০১৮ সালের শেষ দিকে নির্মিত সিআইটিআইসি টাওয়ার চায়না ইন্টারন্যাশনাল ট্রাস্ট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের সদর দপ্তর। ৫২৮ মিটার উচ্চতার এই ভবনটি বর্তমানে বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু স্থাপনা।

ভেনিজুয়েলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৮৯, প্রিয়জনদের সন্ধানে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ছে স্থানীয়রা

অনলাইন ডেস্ক
ভেনিজুয়েলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৮৯, প্রিয়জনদের সন্ধানে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ছে স্থানীয়রা
ছবি : এপি

ভেনিজুয়েলার শহরগুলোতে পরপর দুটি ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮৯ জন এবং হাজারো মানুষ আহত হয়েছে। এরই মাঝে প্রতিবেশীরা প্রিয়জনদের খোঁজে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়তে একে অপরকে সাহায্য করছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তা নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। খবর এপি

উদ্ধারকারী দলগুলোকে স্বাগত জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

উদ্ধারকারী দলগুলো পৌঁছালেও মৃতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

রদ্রিগেজ আরো বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যায় আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে লা গুয়াইরা রাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকারী দল জীবিতদের সন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি খাদ্য ও পানিও বিতরণ করছে ক্ষতিগ্রস্তদের।

হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে এবং ব্যাপক উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধারকারী দলগুলো কয়েক ডজন মানুষকে উদ্ধার করে তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। এই অভিব্যক্তি প্রকাশ করে উদ্ধার কর্মীরা প্রেসিডেন্টকে বলেছেন, এটা আমাদের আনন্দ দেয়। 

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে ভেনিজুয়েলার প্রায় ৬৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যাদের মধ্যে শুধু কারাকাসেই প্রায় ২০ লাখ মানুষ রয়েছে। 

আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের আমেরিকা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক লয়েস পেস বলেছেন, মানুষ এখনো তাদের বাড়িতে ফিরতে ভয় পাচ্ছে।

এদিকে বুধবারের এ ভয়াবহ ভূমিকম্প নিয়ে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) আশঙ্কা, নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কারণে রাজধানী কারাকাসের সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কেতন আগরওয়ালের হত্যাকারীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কেতন আগরওয়ালের হত্যাকারীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী কেতন আগরওয়ালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার মুহূর্ত ছবি : পিটিআই

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের হত্যাকারীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। শুক্রবার নিহত কেতন আগরওয়ালের পিতা পুনের বিশিষ্ট শিল্পপতি বিশাল আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মুখ্যমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

শুক্রবার পুনে সফরকালে মুখ্যমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানস্থলে কেতনের পিতাকে ডেকে নেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেন। সাক্ষাৎকালে বিশাল আগরওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুটি দাবি জানান। প্রথমত সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট উজ্জ্বল নিকমকে যেন এই মামলায় বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দ্বিতীয়ত এ মামলার বিচারের জন্য যেন একটি দ্রুত বিচার আদালত গঠন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী দুটি দাবির ব্যাপারেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছেন।  

মূখ্যমন্ত্রীর কাযালয়ের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে সাক্ষাতের ব্যাপারে লেখা হয়, ‘কেতন আগরওয়ালের বাবা বিশাল আগরওয়াল আজ পুনেতে দেবেন্দ্র ফড়নবিসের সঙ্গে দেখা করেন এবং ছেলের হত্যার বিচার দাবি করেন। মুখ্যমন্ত্রী পরিবারটিকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে এই মামলার দোষীরা যেন কঠোরতম শাস্তি পায়। 

মুখ্যমন্ত্রী আরো যোগ করেন, তাদের ন্যায়বিচার দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো খামতি রাখা হবে না।’ মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় এক্স-এর পোস্টে আরও জানানো হয়, ‘একটি দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং উজ্জ্বল নিকমকে বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে নিয়োগের পরিবারের দাবিও তাৎক্ষণিকভাবে মেনে নেওয়া হয়েছে। উজ্জ্বল নিকমও এই মামলায় বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে কাজ করার সম্মতি দিয়েছেন। ফড়নবিস আইন ও বিচার বিভাগের সচিবকে একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।’

 

মুম্বাইয়ে ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলা মামলায় বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দেশজুড়ে পরিচিতি পান উজ্জ্বল নিকম। এছাড়া বেশ কয়েকটি আলোচিত মামলার শুনানীতেও নেতৃত্ব দেন সিনিয়র এই আইনজীবী।

কেতনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেন, ’এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা। সমাজ হিসেবে আমাদের আত্মোপলব্ধি করা দরকার যে কেন ভালো পরিবারের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এমন প্রতিহিংসামূলক ও বিকৃত মানসিকতা তৈরি হচ্ছে।’ 

তিনি বলেন, ’এটি কেবল একটি অপরাধই নয়, এটি একটি সামাজিক সমস্যা, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার।’ 

তিনি আরও বলেন, ’তরুণ ছেলে-মেয়েদের মধ্যে যাতে এই ধরনের প্রতিহিংসামূলক প্রবণতা এবং বিকৃত চিন্তাভাবনা গড়ে না ওঠে, তা নিশ্চিত করার জন্য সমাজকে একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক, গুরুতর এবং সমাজের বিবেককে নাড়া দেয়।’

গত ফেব্রুয়ারিতে পুনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান কেতন আগরওয়ালের সাথে ‍সিয়া গোয়েলের বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে তাদের জমকালো বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এরইমধ্যে গত ১৮ জুন সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী লোহাগড় দূগ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করে।

আসল তৃণমূল কারা চূড়ান্তে তারিখ নির্ধারণ স্পিকারের

অনলাইন ডেস্ক
আসল তৃণমূল কারা চূড়ান্তে তারিখ নির্ধারণ স্পিকারের

কালীঘাটপন্থীরা নাকি ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই) সাংসদরা, লোকসভায় কারা আসল তৃণমূল? কাদের হাতে থাকবে দলের প্রতীক? নির্ধারণ করার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ফেলেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। আগামী সংসদ অধিবেমনের আগেই তৃণমূলের দুই শিবির এবং একই সঙ্গে শিব সেনার উদ্ধব শিবিরের সাংসদদের ভাঙন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন বলে নিশ্চিত করেছে স্পিকারের সচিবালয়

স্পিকারের সচিবালয় জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন স্পিকার। একদিকে যেমন কাকলিরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে এসেছেন সংসদ নেতাকে, অন্যদিকে তেমনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন স্পিকারের সামনে। শিব সেনার বিদ্রোহী ৬ সাংসদ ও এবং উদ্ধব ঠাকরে, ওই দুই পক্ষের বক্তব্যও শুনেছেন।

আসলে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদ নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার পর মনে করা হচ্ছিল, তৃণমূলের প্রতীক-নাম এবং সম্পত্তির আশা ত্যাগ করেছেন বিদ্রোহীরা। 

কিন্তু ওই যোগদানের পরও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই দলের পরবর্তী কার্যক্রম কী হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকচিহ্ন, সম্পদ-সেগুলো নিয়ে কী পদক্ষেপ হবে, সেগুলো বিচার্য বিষয়। তবে আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বলছে, এগুলো সবই আদালতে নিষ্পত্তি হবে।’ 

অর্থাৎ প্রতীক এবং দলের সম্পত্তির জন্য যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরা আদালতে টেনে নিয়ে যাবেন। সেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন সুদীপ। 

অন্যদিকে অভিষেকদের দাবি, ওই ২০ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা সাংসদ থাকার অধিকার হারিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, সেদিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের।

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য ঐতিহাসিকভাবে যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনই সাংগঠনিকভাবেও। ক্ষমতায় থাকাকালীন ওই দিনটিকে প্রতি বছর নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করত জোড়াফুল শিবির। কিন্তু এ বছর! ক্ষমতা হারাতেই দলের ছন্নছাড়া দশা। কারা নতুন তৃণমূল, কারা আসল তৃণমূল, কারা ঋতব্রত পন্থী, কারা সংসদে বিদ্রোহী এবং সবশেষে কারা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন, সব নিয়ে ধোঁয়াশা। এই পরিস্থিতিতে সংসদে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটার উপর একুশে জুলাই কী হবে তাও অনেকাংশে নির্ভর করছে।