• ই-পেপার

ব্রেক্সিট যেভাবে ব্রিটিশ রাজনীতিকে ভেঙে দিল

ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করতে দেবে না ইরান

অনলাইন ডেস্ক
ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করতে দেবে না ইরান
ছবি : রয়টার্স।

গত বছর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ইরান।

মঙ্গলবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আইএইএর মহাপরিচালকের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো বৈঠক হয়নি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের জন্য সংস্থাটিকে আমন্ত্রণ জানানোরও কোনো পরিকল্পনা নেই।

এর এক দিন আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ব্যান্স বলেছিলেন, ইরান শিগগিরই জাতিসংঘের পারমাণবিক পরিদর্শকদের ফিরে আসার অনুমতি দেবে। তিনি এটিকে ইরানকে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।

গত বছরের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধে পরে যুক্তরাষ্ট্রও জড়িয়ে পড়ে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফোরডো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। ইরানের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতেও নাতাঞ্জে আবার হামলা হয়েছে। তবে ইসরায়েল এ বিষয়ে কিছু জানে না বলে জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি করেছিলেন, ওই হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরান এসব স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না।

ইরান অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নিন্দা না করায় আইএইএর ভূমিকা পক্ষপাতদুষ্ট ছিল। এ কারণে দেশটি গত বছরের জুলাইয়ে সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করেছিল। পরে সেপ্টেম্বরে উভয় পক্ষ নতুন একটি কাঠামোতে সমঝোতায় পৌঁছালে সহযোগিতা পুনরায় শুরু হয়। তবে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো সেই চুক্তির আওতায় ছিল না। 

বাকাই বলেন, এ ধরনের স্থাপনা পরিদর্শনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রোটোকল নেই। তবে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) ও বিদ্যমান সুরক্ষা চুক্তির আওতায় ইরান তার বর্তমান নীতি অনুসরণ করে যাবে।
 

তারা সাহায্য করছে না, আমরাও করব না : ন্যাটো মিত্রদের ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
তারা সাহায্য করছে না, আমরাও করব না : ন্যাটো মিত্রদের ট্রাম্প
ছবি: রয়টার্স

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ন্যাটো সদস্যদের পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ায় ভবিষ্যতে ন্যাটো দেশগুলোকে সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ট্রাম্প এ কথা জানান। 

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এত অর্থ ব্যয় করেছি। কিন্তু এখন যখন আমরা কিছু বিষয়ে সহযোগিতা চাইছি, তারা বলছে, না। তাই আমরা সাহায্য করব না।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা বোকামি। কারণ আমরাও চাইলে তাদের একই কথা বলতে পারি, আর হয়তো বলবও।’ ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন থাকলেও ট্রাম্প আগামী মাসে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন-২০১৫ আংকারা সফর করবেন।

এদিকে আগামী মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানীতে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে এবং আইএসআইএসসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০০ জনেরও বেশি লোককে আটক করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৭-৮ জুলাইয়ের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আংকারায় ৩২ সদস্যের জোটের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তুরস্ক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা, বিমানবন্দরগামী সড়কগুলোতে প্রবেশাধিকার সীমিত করা। সেই সঙ্গে সম্মেলনের চারপাশের এলাকা এবং প্রতিনিধিদলগুলোকে আশ্রয় দেওয়া হোটেলগুলো সিল করে দেওয়া।

তুরস্ক সরকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে দেশব্যাপী এক অভিযানে আইএসের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৩২৪ জনকে আটক করা হয়।

প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে ২৪১ জন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হয়। পরে আংকারা ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ ও জেন্ডারমেরির অভিযানে তাদের মধ্যে ২০৯ জনকে আটক করা হয়। অন্যদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত অভিযান চলতে থাকে।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৬ জন আইএসের সন্দেহভাজন সদস্য এবং ৩৫ জন রেভল্যুশনারি পিপলস লিবারেশন পার্টি/ফ্রন্ট (ডিএইচকেপি-সি)-এর সদস্য বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। উগ্র বামপন্থী এই সংগঠনটি তুরস্কে সশস্ত্র হামলা ও গুপ্তহত্যার জন্য পরিচিত। আইএস তুরস্কে একাধিক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭ সালের নববর্ষের রাতে ইস্তাম্বুলের একটি নাইটক্লাবে হামলায় ৩৯ জন নিহত হয়েছিলেন।

ফিলিপাইনের স্কুলে গুলিবর্ষণ, নিহত ৩ শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক
ফিলিপাইনের স্কুলে গুলিবর্ষণ, নিহত ৩ শিক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় তিনজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো সাতজন। সোমবার (২২ জুন) সকালে লেইতে প্রদেশের তাকলোবান শহরের একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল নয়টার দিকে সান হোসে ন্যাশনাল হাইস্কুলের ভেতরে দুই কিশোর শিক্ষার্থী হঠাৎ গুলিবর্ষণ শুরু করলে স্কুলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্তদের বয়স ১৪ ও ১৫ বছর বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে দুই কিশোরকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। যেহেতু তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাই অভিভাবকদের উপস্থিতিতেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, গুলির শব্দ শোনার পর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ছুটে যায়। ভিডিওতে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীদের কান্না ও চিৎকারও শোনা যায়। পুলিশ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ইভালিন দিয়াজ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, সহপাঠীদের বুলিং বা নির্যাতনের শিকার হওয়ার জেরে অভিযুক্তরা হামলার পথ বেছে নিতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। তিনি আরো জানান, হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কীভাবে সেগুলো স্কুল প্রাঙ্গণে আনা হয়েছে- তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অস্ত্রগুলো জব্দের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

ফিলিপাইনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক সংঘাত ও লক্ষ্যভিত্তিক সশস্ত্র সহিংসতার ঘটনা প্রায়ই ঘটলেও  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন হামলার ঘটনা খুব বিরল। 

২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল প্রযুক্তি জায়ান্ট ‘ওরাকল’

অনলাইন ডেস্ক
২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করল প্রযুক্তি জায়ান্ট ‘ওরাকল’
সংগৃহীত ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং ব্যবসার কাঠামো নতুনভাবে সাজানোর অংশ হিসেবে গত এক বছরে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'ওরাকল'। কম্পানিটির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ওরাকলের পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার। এক বছর আগে একই সময়ে কর্মীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার। অর্থাৎ এক বছরে কর্মী সংখ্যা প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। ওরাকল জানিয়েছে, তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কারণে কর্মী সংখ্যা কমানো হয়েছে। কম্পানিটি সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতেও এআই ব্যবহারের ফলে আরো কিছু পদ বিলুপ্ত হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে কর্মী সংখ্যা কমেছে। ভবিষ্যতেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওরাকলের এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি খাতে চলমান বড় পরিবর্তনের অংশ। বর্তমানে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআইভিত্তিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার নির্মাণ, উন্নত কম্পিউটিং ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন এআই সেবা চালুর জন্য শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। এই বিনিয়োগের চাপ সামলাতে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী সংখ্যা কমানোর পথে হাঁটছে। সাম্প্রতিক সময়ে অ্যামাজন এবং ফেসবুকের মালিক মেটাও হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। কর্মসংস্থান পর্যবেক্ষণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে প্রযুক্তি খাতে ১ লাখেরও বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

ওরাকল জানিয়েছে, কর্মী ছাঁটাই ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা করতে গত এক বছরে তাদের প্রায় ১৮০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এই অর্থ কর্মীদের ক্ষতিপূরণ, চাকরি ছাড়ার সুবিধা এবং পুনর্গঠন-সংক্রান্ত অন্যান্য খাতে খরচ করা হয়েছে। এর আগের অর্থবছরে একই খাতে কম্পানিটির ব্যয় ছিল ৩৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে।

কম্পানিটি স্বীকার করেছে, পুনর্গঠনের এই প্রক্রিয়ায় কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। ওরাকল বলেছে, কর্মী সংখ্যা কমানোর ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে দক্ষ জনবলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এতে উৎপাদনশীলতা কমে যেতে পারে এবং ব্যবসার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। পুনর্গঠনের এই উদ্যোগ কিছু ক্ষেত্রে কার্যক্রমে বিঘ্ন তৈরি করতে পারে।

বর্তমানে এআই খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রতিযোগিতায় রয়েছে ওরাকল। ওপেনএআই, মেটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য এআই অবকাঠামো সরবরাহে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে কাজ করছে কম্পানিটি। আগেই জানা গেছে, চলতি বছরে অবকাঠামো খাতে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ওরাকল। বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ও ওরাকলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন বর্তমানে কম্পানিটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি এআই খাতে বিনিয়োগ দ্রুত বাড়াচ্ছে। 

এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কারণে শুধু ওরাকল নয়, আরো অনেক বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মী সংখ্যা কমাচ্ছে। গুগল, অ্যামাজন ও মেটা চলতি বছরে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি ডলার এআই খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। অ্যামাজন জানিয়েছে, আগামী এক বছরে তারা শুধু এআই খাতেই ২ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করবে। একই সঙ্গে কয়েক ধাপে প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে কম্পানিটির।

এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে। ফলে কিছু চাকরির চাহিদা কমে যাচ্ছে, আবার নতুন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন বাড়ছে। ফলে আগামী কয়েক বছরে প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের ধরনে আরো বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।