• ই-পেপার

জি-৭বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল জেনেভা

যুক্তরাজ্যে মেটার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাড়ছে ব্যাংক জালিয়াতি

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যে মেটার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাড়ছে ব্যাংক জালিয়াতি
ছবি : রয়টার্স

কোভিড চলাকালীন সময়ে ব্রিটেনে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক জালিয়াতি বা প্রতারণা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। মেটার (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে অপরাধীরা সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর যুক্তরাজ্যে ‘অ্যাপ জালিয়াতি’র কারণে ব্যাংক ও পেমেন্ট সংস্থাগুলোর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়ে ৫৭৬.৪ মিলিয়ন পাউন্ডে (প্রায় ৭৭৩ মিলিয়ন ডলার) দাঁড়িয়েছে।

ইউকে ফাইন্যান্সের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতারকরা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে। এর ফলে তারা নিখুঁতভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। গত বছর মেটার প্ল্যাটফর্মগুলোতে লোভনীয় মুনাফার বিজ্ঞাপন দিয়ে যে বিনিয়োগ কেলেঙ্কারি করা হয়েছে, তাতেই সর্বোচ্চ ২২ কোটি ১৫ লাখ পাউন্ড ক্ষতি হয়েছে। এর বাইরে অনলাইন কেনাকাটা ও প্রেমঘটিত সম্পর্কের ফাঁদ পেতেও বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরণের প্রতারণার সিংহভাগই শুরু হয় অনলাইন প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম বা মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। তাই শুধু ব্যাংক নয়, মেটার মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও কঠোর আইনি দায়িত্ব আরোপের দাবি উঠেছে। এমনকি প্রতারণার শিকার গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোকে আর্থিক অংশীদার করার দাবি জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাজ্যই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে অ্যাপ জালিয়াতির শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে চালু হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংক ও পেমেন্ট সংস্থাগুলোকে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ৮৫,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গত বছর ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ৩৫৪.৩ মিলিয়ন পাউন্ড ফেরতও দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মেটা তাদের প্ল্যাটফর্মে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এবং অবৈধ পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়নে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। রয়টার্সের একটি পুরোনো প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেটা নিজেই অনুমান করেছিল যে তাদের আয়ের ১০ শতাংশ বা প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার আসে এই ধরণের প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন থেকে। বর্তমানে এই সার্বিক পরিস্থিতি এবং ক্ষতিপূরণের নিয়মগুলো নিয়ে একটি স্বাধীন পর্যালোচনা চলছে, যার ফলাফল আগামী জুলাই মাসের শুরুতে প্রকাশ করার কথা রয়েছে।

চীন সফর শুরু করলেন মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং

অনলাইন ডেস্ক
চীন সফর শুরু করলেন মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং
ছবি : রয়টার্স।

চীনা নেতা শি চিনপিংয়ের আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সফরে মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং সোমবার বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।  প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে এটিই তার প্রথম সফর।

৬৯ বছর বয়সী মিন অং হ্লাইং ছিলেন সাবেক সামরিক জান্তা প্রধান। তিনি ছিলেন, ২০২১ সালের সেই অভ্যুত্থানের মূল পরিকল্পনাকারী। অভ্যুত্থানের পরে মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কবলে পরে দেশটি। মিন অং হ্লাইং এপ্রিলের শুরুতে সংসদ কর্তৃক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। 

শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা থেকে বেসামরিক রাষ্ট্রপতি হওয়ার মাধ্যমে তিনি ক্ষমতার ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিলেন। তার নেতৃত্বে হওয়া অভ্যুত্থান এক দশকের অনিশ্চিত গণতন্ত্রের অবসান ঘটায় এবং একসময় এশিয়ার সম্ভাবনাময় উদীয়মান বাজার হিসেবে পরিচিত দেশটি থেকে অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী সরে যেতে শুরু করেন।

৭ হাজার বছরের পুরনো মমির ডিএনএতে সাহারার অজানা মানবগোষ্ঠীর সন্ধান

অনলাইন ডেস্ক
৭ হাজার বছরের পুরনো মমির ডিএনএতে সাহারার অজানা মানবগোষ্ঠীর সন্ধান
সংগৃহীত ছবি

সাহারা মরুভূমিকে সাধারণত পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন ও প্রতিকূল অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়- যেখানে চারদিকে শুধু বিস্তীর্ণ বালু, তীব্র গরম, প্রচণ্ড পানির অভাব আর গভীর নিঃসঙ্গতা। এখন যেখানে মানুষের বসবাস প্রায় অসম্ভব হলেও হাজার হাজার বছর আগে এই অঞ্চলের রূপ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

প্রাচীন সময়ে উত্তর আফ্রিকার বড় অংশজুড়ে ছিল সবুজ তৃণভূমি, হ্রদ এবং নদী। তখন এই অঞ্চল ছিল প্রাণী ও মানুষের জন্য উপযোগী একটি পরিবেশ। সেসব জায়গায় মানুষ বসতি গড়ে তুলেছিল, যেসব এলাকা এখন পুরোপুরি জনশূন্য মরুভূমি। সেই হারিয়ে যাওয়া সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র উঠে এসেছে দক্ষিণ-পশ্চিম লিবিয়ায় পাওয়া প্রাচীন দুটি মানবদেহের ডিএনএ বিশ্লেষণে। প্রায় সাত হাজার বছর পুরনো এই দেহাবশেষ পাওয়া গেছে তাকারকোরি শিলা আশ্রয়স্থল থেকে। এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমন একটি মানব বংশের প্রমাণ পেয়েছেন, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে আগে জানা ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, এই গোষ্ঠী প্রায় ৫০ হাজার বছর ধরে অন্য মানব জনগোষ্ঠী থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন ছিল।

কিভাবে অজানা শনাক্ত হলো মানব বংশ?

বহু বছর ধরে গবেষকদের ধারণা ছিল, আফ্রিকার কিছু অঞ্চলের বর্তমান মানুষের ডিএনএর মধ্যে কোনো অজানা প্রাচীন মানবগোষ্ঠীর ছাপ রয়ে গেছে। তবে সরাসরি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু তাকারকোরি থেকে পাওয়া এই প্রাচীন দেহাবশেষ সেই ধারণায় বড় পরিবর্তন আনে। আধুনিক জিন বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষকেরা পুরো জিনোম বিশ্লেষণ করেন। এতে দেখা যায়, এই মানুষের জিনগত গঠন এমন একটি বংশের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা আগে কোনো পরিচিত প্রাচীন মানবগোষ্ঠীর সঙ্গে মেলে না। বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই দুই ব্যক্তি এমন একটি বিচ্ছিন্ন মানবগোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন, যারা হাজার হাজার বছর আগে আফ্রিকার অন্য জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন।

কেন এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ?

সাধারণভাবে মানব ইতিহাসে দেখা যায়, বিভিন্ন জনগোষ্ঠী দীর্ঘ সময় একা থাকে না। মানুষের চলাচল, বিয়ে, বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে জিনগত মিশ্রণ ঘটে। কিন্তু তাকারকোরির মানুষের ক্ষেত্রে এই চিত্র ভিন্ন। গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ৫০ হাজার বছর আগে অন্য আফ্রিকান জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীর মানুষ মাত্র সাত হাজার বছর আগেও জীবিত ছিল। এদের জিনে এমন প্রাচীন বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে, যা সাধারণত এত অল্প সময় আগে বেঁচে থাকা মানুষের মধ্যে দেখা যায় না। সহজভাবে বললে, এই জনগোষ্ঠী দীর্ঘ সময় ধরে নিজের আলাদা পরিচয় ধরে রেখেছিল।

‘সবুজ সাহারা’ যুগ নিয়ে নতুন ধারণা

এই গবেষণা ‘সবুজ সাহারা’ যুগ নিয়ে প্রচলিত ধারণাকেও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। সেই সময়ে সাহারায় বৃষ্টি বেশি হতো। হ্রদ ও নদী বড় ছিল, চারদিকে গাছপালা ছিল এবং পরিবেশ ছিল অনেক বেশি বাসযোগ্য। ধারণা করা হয়, তখন মানুষের যাতায়াতও সহজ ছিল। কিন্তু নতুন জিনগত তথ্য বলছে, পরিবেশ ভালো হলেও সব সময় জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ব্যাপক মিশ্রণ ঘটেনি। তাকারকোরির মানুষের মধ্যে বাইরের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বড় ধরনের জিনগত মিশ্রণের খুব কম প্রমাণ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ তারা অনেকটাই নিজেদের ভেতরেই সীমাবদ্ধ ছিল।

যোগাযোগ ছিল, তবে সীমিত

গবেষণায় কিছু জিনগত চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সীমিত যোগাযোগ ছিল। এ ছাড়া খুব সামান্য পরিমাণে প্রাচীন নিয়ান্ডারথাল মানুষের সঙ্গে দূরবর্তী জিনগত সংযোগের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। তবে এসব মিশ্রণ খুবই দুর্বল এবং সীমিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, হয়তো ছোট ছোট দল বা একক ব্যক্তি বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেছিল। তারা জ্ঞান, সামগ্রী বা সম্পর্ক বিনিময় করলেও বড় পরিসরে জনসংখ্যার মিশ্রণ হয়নি। 

কেন এই আবিষ্কার তাৎপর্যপূর্ণ?

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি মানব গোষ্ঠীর অস্তিত্ব খুঁজছিলেন, যার ইঙ্গিত শুধু পরোক্ষভাবে পাওয়া যেত। তাকারকোরির এই আবিষ্কার সেই খোঁজের সরাসরি প্রমাণ দিয়েছে। এটি শুধু মানব ইতিহাসের একটি হারিয়ে যাওয়া অধ্যায় উন্মোচনই করেনি, বরং এটাও দেখিয়েছে যে আজকের পরিচিত বসবাসের প্রায় অযোগ্য সাহারা মরুভূমিতে প্রাচীনকালে মানুষ থাকতে পারতো অনায়াসেই।

তবে সাহারার অতীত এখনো অনেকটাই অজানা রয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এমনসব নতুন আবিষ্কার মানব ইতিহাস সম্পর্কে আরো বিস্ময়কর তথ্য দিতে পারে।

রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৯, ক্ষতিগ্রস্ত ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রাল

অনলাইন ডেস্ক
রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৯, ক্ষতিগ্রস্ত ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রাল
ছবি : রয়টার্স

ইউক্রেনে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় ৯ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ সময় কিয়েভের একটি প্রধান ধর্মীয় স্থাপনায় (শতবর্ষী ক্যাথেড্রাল) আগুন লেগে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। 

ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভে হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভে রাশিয়ার হামলায় সৃষ্ট আগুন নেভাতে গিয়ে পাঁচজন উদ্ধারকর্মী মারা গেছেন।

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিডেঙ্কো বলেন, ‘আমাদের জনগণ ও আমাদের ঐতিহ্যের ওপর এক নৃশংস হামলা হয়েছে। এতে একাদশ শতাব্দীর ‘ডরমিশন ক্যাথেড্রাল’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের কিয়েভ পেচেরস্ক লাভরা মঠের অন্তর্গত ঐতিহাসিক ‘ডরমিশন ক্যাথেড্রাল’টি ১১ শতকে প্রতিষ্ঠিত অর্থোডক্স খ্রিস্টধর্মের অন্যতম পবিত্র ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন। 

এদিকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মস্কোর দক্ষিণে অবস্থিত রাশিয়ার তুলা শহরে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত এবং এক বছর বয়সী শিশুসহ আরো তিনজন আহত হয়েছেন। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভবন ও গাড়িতে আগুন লেগেছে।

এ ছাড়া ইউক্রেনের রাজধানীতে ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে বলে কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন। সোমবার ইউক্রেনের বেশিরভাগ অংশ বিমান হামলার সতর্কতার অধীনে ছিল। কিয়েভে বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনকে লক্ষ্য করে চালানো হামলায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন এবং খারকিভে আরো পাঁচজন আহত হয়েছেন।

কিয়েভের পেচেরস্ক লাভরা মঠের ক্যাথেড্রালটির কথা উল্লেখ করে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই নৃশংস ঘটনার দ্রুত ও উপযুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে আমরা ইউনেস্কোসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাব।’

ইউক্রেনের প্রতিবেশী পোল্যান্ড জানিয়েছে, কিয়েভে রাশিয়ার হামলার জবাবে তারা যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে এবং ভূমিতে অবস্থিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। এই সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য জি-৭ বৈঠকের আগে এই হামলাগুলো চালানো হলো, যেখানে ইউক্রেন যুদ্ধ আলোচ্যসূচির একটি অংশ।

গতকাল রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনসি বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিনের এই সংঘাতের অবসানের প্রচেষ্টা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। ২০২২ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে একটি পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করেন।