• ই-পেপার

হাইল হাওর থেকে অজগর উদ্ধার

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
সংগৃহীত ছবি

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এছাড়া অন্তত ১২টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৫ জুন) সকালে সদর উপজেলার ঝিকরহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- ঝিকরহাটি গ্রামের বন্দে আলী মোল্লার ছেলে নুরুজ্জামান মোল্লা (৩৫), একই গ্রামের মোতালেব ফকিরের ছেলে মাসুদ ফকির (৩৫), আব্দুল মজিদ খানের ছেলে হানিফ খান (৪৫) ও সিদ্দিক হাওলাদারের ছেলে কামরুল হাওলাদারের (২৫)। বাকিদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ভোর ৬টা থেকে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে একের পর এক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। পরে সকাল ৮টার দিকে খান বংশ ও মোল্লা বংশের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হন। আহতদের মাদারীপুর বিভিন্ন হাসপাতালে ও স্থানীয়ভাবে চিৎকিসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষের সময় ১২টি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেছেন। পরে খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।’

মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
ছবি: কালের কণ্ঠ

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১২টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে সদর উপজেলার ঝিকরহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ঝিকরহাটি গ্রামের বন্দে আলী মোল্লার ছেলে নুরুজ্জামান মোল্লা (৩৫), একই গ্রামের মোতালেব ফকিরের ছেলে মাসুদ ফকির (৩৫), আব্দুল মজিদ খানের ছেলে হানিফ খান (৪৫) ও সিদ্দিক হাওলাদারের ছেলে কামরুল হাওলাদারের (২৫) নাম জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ভোর ৬টা থেকে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে একের পর এক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। পরে সকাল ৮টার দিকে খান বংশ ও মোল্লা বংশের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হন। আহতদের মাদারীপুর বিভিন্ন হাসপাতালে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে। এ ছাড়া সংঘর্ষের সময় ১৩টি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেছেন। পরে খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। 

ভালুকায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ভালুকায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদরাসাপড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৪ জুন) উপজেলার বিরুনীয়া ইউনিয়নের এক জঙ্গলে ধর্ষণের ওই ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা ভালুকা মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলায় ইসমাইল হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী মারা যাওয়ার পর উপজেলার গোয়ারী এলাকায় বসবাস করে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা। ঘটনার দিন রবিবার দুপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় নন্দীবাড়ি বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি দোকানে যায়। ওই সময় একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন বিস্কুট কিনে  দেওয়ার প্রলোভনে তাকে পাশের মোবাইল কম্পানির একটি টাওয়ারের সঙ্গে থাকা জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ওই শিশু বাড়ি গিয়ে ঘটনাটি জানালে তার মা বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেন। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্যে ওই শিশুকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে মডেল থানা পুলিশ। 

মামলার তদন্তকারী অফিসার ভালুকা মডেল থানার এসআই সোহেল রানা জানান, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

শূন্যরেখায় থাকা ১২ জনকে চার দিন পর ফেরত নিল বিএসএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া
শূন্যরেখায় থাকা ১২ জনকে চার দিন পর ফেরত নিল বিএসএফ
সংগৃহীত ছবি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পুশইনের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে চার দিন পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে দ্বিতীয় দফা পতাকা বৈঠক শেষে ওই ১২ জনকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, গত শুক্রবার ভোরে বিএসএফ অবৈধভাবে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে নেয় বিজিবি। সেই দিন থেকে তারা সীমান্তের শুন্যরেখায় অবস্থান করছিল। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আজ সোমবার আবার পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।


পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির উপ-অধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ থেকে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এবং বিএসএফের পক্ষে রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদবের নেতৃত্বে সমসংখ্যক প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, এর আগে গত শুক্রবার (১২ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। ঘটনার সমাধানে সেদিন বিকেল ৪টায় পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত হলেও বিএসএফের অসহযোগিতার কারণে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরদিন শনিবার (১৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় দুই বাহিনীর মধ্যে আরেকটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই বৈঠকেও কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ১২ জনকে শূন্যরেখাতেই অবস্থান করতে হয়।

সেসময় বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করে এবং শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিজিবি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্ত করে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সময় চায়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান, মশার উপদ্রব, গোসলের সুযোগ না পাওয়া এবং তীব্র গরমে পাটখেতে মানবেতর জীবনযাপনের কারণে ১২ জনই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ।