• ই-পেপার

যুক্তরাজ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির ৩৪ বছরের কারাদণ্ড

মহাবিশ্বের বৃহত্তম কাঠামোগুলোর একটি ধরা পড়ল নাসার হাবলে

অনলাইন ডেস্ক
মহাবিশ্বের বৃহত্তম কাঠামোগুলোর একটি ধরা পড়ল নাসার হাবলে
ছবি: নাসা

মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ঘনসন্নিবিষ্ট গঠনগুলোর একটি নতুন ছবিতে প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। ছবিটি তুলেছে নাসার পরিচালিত হাবল মহাকাশ দূরবীন। এতে দেখা গেছে হাজার হাজার গ্যালাক্সির এক বিশাল সমাবেশ, যেখানে মহাকর্ষের শক্তিশালী প্রভাবও স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। সেখানকার মহাকর্ষ বল এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক দূরবর্তী বস্তু থেকে আসা আলোকে বাঁকিয়ে দেয় এবং বিবর্ধিত করে।

ছবির কেন্দ্রে রয়েছে 'গ্যালাক্সি ক্লাস্টার এমএসি এস০৩২৯-০২১১'। এটি এমন একটি বিশাল গ্যালাক্সির সমষ্টি, যেখানে অসংখ্য গ্যালাক্সি মহাকর্ষের টানে একসঙ্গে যুক্ত হয়ে রয়েছে। নাসা জানিয়েছে, এই ধরনের গ্যালাক্সি ক্লাস্টার বা ছায়াপথের গুচ্ছ মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঠামোগুলোর মধ্যে অন্যতম।

প্রথম দেখায় পুরো ছবিটি বেশ জটিল ও এলোমেলো মনে হয়। বিভিন্ন আকারের গ্যালাক্সি পুরো দৃশ্যজুড়ে ছড়িয়ে আছে। তবে এই বিশৃঙ্খল সৌন্দর্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে মহাবিশ্বের গঠন ও বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমএসি এস০৩২৯-০২১১-এর মতো গ্যালাক্সি ক্লাস্টারগুলো মহাবিশ্ব কীভাবে কোটি কোটি বছরে তৈরি হয়েছে, তা বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ক্লাস্টারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর শক্তিশালী মহাকর্ষীয় প্রভাব। এই মহাকর্ষ শুধু গ্যালাক্সিগুলোকে একসঙ্গে ধরেই রাখে না, বরং এর আশপাশের আলোকে বাঁকিয়ে দেয় এবং অনেক সময় দূরের গ্যালাক্সিকে বড় করে দেখায়। এই ঘটনাকে বলা হয় মহাকর্ষীয় লেন্সিং। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এমন দূরের বস্তু দেখতে পান, যা সাধারণভাবে দেখা সম্ভব নয়। কারণ, সেগুলোর আলো অনেক সময় অত্যন্ত দুর্বল হয়ে আসে বা দূরত্বের কারণে হারিয়ে যায়।

হাবলের ছবিতে দেখা গেছে, ক্লাস্টারের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের গ্যালাক্সি ছড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বড় ও উজ্জ্বল উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সি যেমন আছে, তেমনি সর্পিল গ্যালাক্সিও রয়েছে, যেগুলোর ঘূর্ণায়মান বাহু স্পষ্টভাবে দেখা যায়। কিছু গ্যালাক্সি পাশ থেকে দেখা যাওয়ায় সরু রেখার মতো মনে হচ্ছে। এছাড়া ছবিতে লেন্টিকুলার গ্যালাক্সিও দেখা গেছে, যেগুলো উপবৃত্তাকার ও সর্পিল, দুই ধরনের বৈশিষ্ট্যই বহন করে। সব মিলিয়ে এটি একটি অত্যন্ত ঘন ও বৈচিত্র্যপূর্ণ মহাজাগতিক দৃশ্য তৈরি করেছে।

ছবির কিছু অংশে আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সির সামনের দিকের কয়েকটি তারকাও দেখা গেছে। এগুলো তাদের আলোর বিশেষ বিচ্ছুরণ বৈশিষ্ট্যের কারণে দূরের গ্যালাক্সিগুলোর থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো মহাকর্ষীয় লেন্সিংয়ের প্রভাব। ছবির কিছু জায়গায় বাঁকানো আলোর রেখা দেখা যায়, যা আসলে কোনো আলাদা গঠন নয়। এগুলো অনেক দূরের গ্যালাক্সি, যাদের আলো বিশাল ক্লাস্টারের মহাকর্ষীয় টানের কারণে বাঁকিয়ে গেছে। একটি জায়গায় মোচড়ানো আটের মতো একটি আকৃতিও দেখা গেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি একটি দূরের গ্যালাক্সি, যার চেহারা মহাকর্ষীয় লেন্সিংয়ের কারণে বিকৃত হয়ে গেছে। নাসা জানিয়েছে, এই ধরনের বিকৃতি শুধু দৃশ্যমান সৌন্দর্য নয়, বরং এটি বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলো কীভাবে বাঁকছে তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা ক্লাস্টারের ভেতরে থাকা অদৃশ্য পদার্থের বণ্টন সম্পর্কেও ধারণা পান।

হাবল এই ক্লাস্টারটি পর্যবেক্ষণ করেছে একটি বিশেষ গবেষণা কর্মসূচির অংশ হিসেবে, যেখানে শক্তিশালী এক্স-রে বিকিরণ ছড়ানো গ্যালাক্সি ক্লাস্টারগুলোকে অধ্যয়ন করা হয়। এসব ক্লাস্টার মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সক্রিয় অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম। পর্যবেক্ষণে হাবল তার দুটি প্রধান যন্ত্র- অ্যাডভান্সড ক্যামেরা ফর সার্ভে এবং ওয়াইড ফিল্ড ক্যামেরা থ্রি ব্যবহার করেছে। এগুলো দৃশ্যমান আলো ও অবলোহিত তরঙ্গদৈর্ঘ্যে তথ্য সংগ্রহ করেছে, যা ক্লাস্টারের গঠন আরো বিস্তারিতভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে।

ভারতে সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত
ছবি : এক্স থেকে নেওয়া।

ভারতীয় সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি রাশিয়ার তৈরি ছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, জোরহাটে অবতরণের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি আন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঘটনার কারণ জানতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এতে হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি দুর্ঘটনাস্থলের ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং বিধ্বস্ত বিমান দেখা গেছে।

ইউক্রেনের হামলায় অর্থনীতির ক্ষতি হলেও রাশিয়া দ্রুত সামলে নিচ্ছে: পুতিন

অনলাইন ডেস্ক
ইউক্রেনের হামলায় অর্থনীতির ক্ষতি হলেও রাশিয়া দ্রুত সামলে নিচ্ছে: পুতিন
ছবি : আনাদোলু এজেন্সি।

ইউক্রেনের হামলা রাশিয়ার অর্থনীতির ক্ষতি করছে, কিন্তু তা থেকে দেশকে দ্রুত ঘুরিয়ে আনতে পেরেছেন বলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার বলেছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া সামরিক কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘তারা (ইউক্রেন) অবশ্যই আমাদের কিছু ক্ষতি করছে, কিন্তু আমরা দ্রুত সামলে উঠছি। তারা আমাদের কোনো গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারবে না।’

ইউক্রেন যুদ্ধকে রাশিয়া যে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করে, সেই প্রসঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে রুশ সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি ৭ লাখেরও বেশি। তিনি আরো বলেন, পশ্চিমাদের বিরোধিতার মুখে রাশিয়া কার্যত একাই।

পুতিন আরো বলেছেন, ইউক্রেনে তার দেশের বাহিনী যত দ্রুত তারা চায়, তত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে না, তবে তারা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে আমরা আমাদের অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছি। আমরা এটি অর্জন করব, এ নিয়ে কারও কোনো সন্দেহ নেই।’

তিনি বলেন, ইউক্রেনকে রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে রাশিয়া পর্যায়ক্রমে তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার তীব্রতা বাড়াবে।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে ন্যাটোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি পুতিন ন্যাটো দেশগুলোর প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং তাদের ‘অত্যন্ত উন্নত অর্থনীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথে

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন ইউক্রেন আক্রমণ করেন, তখন তিনি হয়তো ভেবেছিলেন যাবেন আর কয়েকদিনের মধ্যে কিয়েভ দখল করে নেবেন। কিন্তু ইউক্রেনের পাল্টা প্রতিরোধ চমকে দেয় সবাইকে। কয়েকদিন বা কয়েক মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল যে যুদ্ধের, সে যুদ্ধ এখন নতুন নতুন মাইলফলক গড়ছে। যুদ্ধ আসলে কোনো হিসাব মেনে হয় না। যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন ইরানে হামলা চালায়, তখন কি তারা ভেবেছিলেন, ইরান তাদের এমন নাকানি চুবানি খাওয়াবে!

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে একটু আড়ালে ফেলে দিয়েছে। তবে তাতে যুদ্ধ থামেনি। বরং এই যুদ্ধ গত ১১ জুন এক নতুন মাইলফলক গড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মোট স্থায়িত্বকালকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই শুরু হয়ে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত চলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ মোট ১ হাজার ৫৬৭ দিন স্থায়ী হয়েছিল। গত ১১ জুন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়েছে। আজকের হিসাব পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ১ হাজার ৫৭০ দিন ধরে চলছে। কিছু কিছু রেকর্ড আমাদের বেদনার্ত করে, সভ্যতাকেই চোখ রাঙায়। আধুনিক সময়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সভ্যতার জন্য এক গ্লানির রেকর্ড।

দীঘস্থায়ী যে কোনো যুদ্ধের সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া মুশকিল। নিজ নিজ সুবিধার জন্য অনেক সময় ক্ষয়ক্ষতি আড়াল করা হয়, অনেক সময় বাড়িয়ে বলা হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আর্থিক ক্ষতিও কোনো নির্দিষ্ট একটি সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এই যুদ্ধ সামগ্রিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতিকেই বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে।

সর্বশেষ আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধের মোট আর্থিক ক্ষতি ও ব্যয়ের পরিমাণ ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বড় হলো মানুষের প্রাণ। বিভিন্ন হিসেবে এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ মানুষ মারা গেছে। এছাড়া আহত, নিখোঁজ ধরলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও এই যুদ্ধে অন্তত ৪০ জন বাংলাদেশি তরুণ প্রাণ দিয়েছে। উন্নত জীবনের আশায় দালালদের খপ্পরে পড়ে বাংলাদেশ থেকে তরুণরা রাশিয়ায় যান। প্রতিশ্রুতি ভেঙে তাদের অনেককে জোর করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশের তরুণরা প্রাণ দেয় ইউক্রেন ফ্রন্টে।

যুদ্ধের পাশাপাশি আড়ালে যুদ্ধ থামানোর নানা কূটনৈতিক তৎপরতাও চলে। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের কোনো পদক্ষেপই কার্যকর হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আশায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করেছিলেন। ট্রাম্পও নোবেল পাননি, যুদ্ধও বন্ধ হয়নি। ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ তো করতে পারেনইনি, বরং নিজেই বিশ্বকে ঠেলে দিয়েছেন আরো বৃহত্তর পরিসরের এক যুদ্ধে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের নানামুখী চেষ্টার মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির একটি খোলা চিঠি নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। গত ৪ জুন জেলেনস্কি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে পাঠানো খোলা চিঠিতে সুইজারল্যান্ড বা তুরস্কের মতো কোনো নিরপেক্ষ দেশে পুতিনের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন। ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররাও এই প্রস্তাব সমর্থন করেছে। পাশাপাশি জুড়ে দিয়েছেন কিছু শর্ত। তবে পুতিন শর্তযুক্ত এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধ করেই তিনি লক্ষ্য অর্জন করবেন।

তেমনটি হলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আরো নতুন নতুন গ্লানির রেকর্ড গড়তে পারে। এক জরিপে দেখা গেছে, ইউক্রেনের অধিকাংশ নাগরিক মনে করেন, আগামী বছরের আগে এই যুদ্ধ থামবে না। তার মানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে তো ছাড়িয়েছেই, এগিয়ে যেতে পারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার দিকে।