• ই-পেপার

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

ভক্তদের দুঃসংবাদ দিলেন জার্মান গোলরক্ষক নয়্যার

ক্রীড়া ডেস্ক
ভক্তদের দুঃসংবাদ দিলেন জার্মান গোলরক্ষক নয়্যার
ছবি : রয়টার্স

২০২৪ সালের ইউরো কাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে ‘আলবিদা’ বলেছিলেন। কিন্তু কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের বিশেষ অনুরোধ আর দেশের টানে ফের গ্লাভস হাতে জাতীয় দলে ফিরে আসেন ম্যানুয়েল নয়্যার। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের প্রত্যাবর্তন নিয়ে ফুটবলপাড়ায় অনেক গুঞ্জন থাকলেও এবার সব ধোঁয়াশা নিজেই দূর করলেন। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপই জার্মানির জার্সিতে তার ক্যারিয়ারের শেষ টুর্নামেন্ট।

ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়ে থাকা বায়ার্ন মিউনিখের এই কিংবদন্তির এখন একমাত্র লক্ষ্য—দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে এক রাজকীয় বিদায় নেওয়া।

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আইভরি কোস্টের মুখোমুখি হওয়ার আগে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করেন নয়্যার। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার যে, জার্মানির হয়ে এটাই আমার শেষ টুর্নামেন্ট। দুই বছর পর আগামী ইউরোতে খেলার কোনো পরিকল্পনা আমার নেই। গত কয়েক দিন ধরে আমি এই সত্যটা মেনে নিয়েছি যে, এগুলোই দেশের জার্সিতে আমার শেষ ম্যাচ। তবে আমি বিদায়ী কোনো স্মারক বা জার্সির দিকে তাকিয়ে আবেগপ্রবণ হতে চাই না, প্রতিটি ম্যাচ স্রেফ উপভোগ করতে চাই।’

২০২৪ সালে ইউরোর পর নেওয়া অবসরের সিদ্ধান্তটি যে ভুল ছিল না, তা মনে করিয়ে দিয়ে নয়্যার আরো যোগ করেন, ‘তখন ঘরের মাঠে দুর্দান্ত একটা ইউরো খেলে অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা শতভাগ সঠিক ছিল। কারণ গত দুই বছর ধরে জাতীয় দলের এই বাড়তি মানসিক ও শারীরিক চাপ প্রতিনিয়ত নেওয়া আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন হতো।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘ দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরেই নিজের চেনা রূপ দেখিয়েছেন এই বিশ্বস্ত দেয়াল। ফেরার প্রথম ম্যাচেই কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির ৭-১ গোলের বিশাল জয়ে দুর্দান্ত অবদান রাখেন নয়্যার। 

রেফারিদের বগলে বিজ্ঞাপন, ফিফার অবিশ্বাস্য বাণিজ্য-কৌশল

ক্রীড়া ডেস্ক
রেফারিদের বগলে বিজ্ঞাপন, ফিফার অবিশ্বাস্য বাণিজ্য-কৌশল
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার জন্য টাকার খনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় চলমান আসরে ফিফার বাণিজ্যিক আগ্রাসন যেন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আয়ের জন্য প্রতিটি খাতকে যেভাবে নিঙড়ে নেওয়া হচ্ছে, তা ফুটবলপ্রেমীদের যেমন চমকে দিয়েছে, তেমনি সমালোচনার ঝড়ও তুলেছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তই বিজ্ঞাপন প্রচারে ব্যয় করছে ফিফা, এমনকি অব্যবহৃত থাকছে না রেফারির বগলও!

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, অতিরিক্ত আয়ের জন্য ফিফা এবার সম্পূর্ণ নতুন ও অদ্ভুত এক পন্থা বেছে নিয়েছে—চতুর্থ রেফারির বগলের অংশে বিজ্ঞাপন বিক্রি করছে তারা। ফুটবল ইতিহাসে নজিরবিহীন এই ‘বগল বিজ্ঞাপন’ মূলত চলতি বিশ্বকাপ থেকে ফিফার প্রত্যাশিত ৮.৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের শত শত উৎসের একটি মাত্র।

২০২৩-২০২৬ চক্রে ফুটবলের সর্বোচ্চ এই সংস্থাটির লক্ষ্য রেকর্ড ১৩ বিলিয়ন ডলার আয় করা, যার সিংহভাগই আসবে এই বিশ্বকাপ থেকে। এই বিপুল অংকের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে ফিফা এমন এক কৌশল নিয়েছে, যেখানে আয়ের সামান্য সম্ভাবনা থাকলেও কোনো জায়গা হাতছাড়া করা হচ্ছে না; এমনকি তা যদি হয় রেফারির বগল!

সম্প্রতি ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচে এক অভিনব দৃশ্য দেখা যায়। মাঠের পাশে বদলি খেলোয়াড় নামানোর বোর্ড প্রদর্শনের সময় চতুর্থ রেফারির বগলের নিচে ঘাম ও দুর্গন্ধ প্রতিরোধক (অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট) ব্র্যান্ড ‘শিওর’-এর লোগো জ্বলজ্বল করছিল। ব্রিটিশ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভারের মালিকানাধীন এই ব্র্যান্ডটি মনে করছে, ঘামরোধী পণ্যের প্রচারের জন্য রেফারিদের বগলের চেয়ে উপযুক্ত ও কার্যকর বিজ্ঞাপনস্থল আর হতেই পারে না! জানা গেছে, বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচে ‘শিওর’-এর আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ‘রেক্সোনা’র নাম প্রদর্শিত হবে। এটি কেবল রেফারির বগলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, অতিরিক্ত সময় ও খেলোয়াড় বদলের সংকেত দেওয়া বোর্ডেও শোভা পাচ্ছে।

অবশ্য ফিফা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আপাতত সহকারী রেফারি এবং মূল রেফারিদের বগলে কোনো বিজ্ঞাপন রাখা হয়নি, কেবল চতুর্থ রেফারিদের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।

বিজ্ঞাপন বাণিজ্যের এখানেই শেষ নয়। এবারের বিশ্বকাপে বাণিজ্যিকীকরণের জন্য একের পর এক নজিরবিহীন ক্ষেত্র সামনে এনেছে ফিফা। এমনকি ম্যাচের প্রতি কোয়ার্টারে যখন নির্ধারিত পানিবিরতি (হাইড্রেশন ব্রেক) দেওয়া হচ্ছে, তখনো বসে নেই সম্প্রচারকারীরা; সেই সময়টুকুতেও টেলিভিশন স্ক্রিনে দেখানো হচ্ছে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন।

বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি মাঠের টিকিট ও স্যুভেনির বিক্রি থেকেও দেদারসে টাকা আসছে। গত বুধবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৪-২ গোলে জয়ের রোমাঞ্চকর ম্যাচটিতে স্টেডিয়ামের বাইরে বিভিন্ন অফিশিয়াল স্টোরের সামনে দর্শকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ফলে এবার ম্যাচ-ডের আয়ও আগের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলার পথে।

তিনটি দেশের যৌথ আয়োজনে চলমান এই প্রতিযোগিতায় এবার সর্বমোট রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই আসর থেকে সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং টিকিট বিক্রির মতো খাত থেকেই আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ফিফা।

অবশেষে মার্কিন মুলুকের পথে ভোজিনহার মা

ক্রীড়া ডেস্ক
অবশেষে মার্কিন মুলুকের পথে ভোজিনহার মা
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের সবুজ গালিচায় ছেলে যখন বীরত্ব দেখাচ্ছিলেন, দূর দ্বীপরাষ্ট্রে বসে তখন মায়ের চোখ ভেজা ছিল আনন্দ আর আক্ষেপের জলে। অবশেষে ঘুচতে চলেছে সেই আক্ষেপ। বিশ্বকাপের মঞ্চে ছেলের ঐতিহাসিক লড়াইয়ের সাক্ষী হতে এবার সরাসরি গ্যালারিতেই হাজির হচ্ছেন কেপ ভার্দের তারকা গোলরক্ষক ভোজিনহার মা আনা কান্দিদা এভোরা। ফুটবলবিশ্বকে নাড়িয়ে দেওয়া সেই আবেগঘন অধ্যায়ের পর অবশেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

বুধবার কেপ ভার্দের সাও ভিসেন্তে দ্বীপের সেসারিয়া এভোরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ধরেন আনা কান্দিদা।

দেশ ছাড়ার আগে এক আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয় বিমানবন্দরে। নাতি মারভিন জুনিয়র ও নাতনি লাইস সোফিয়াকে জড়িয়ে ধরে ক্যামেরাবন্দি হন আনা কান্দিদা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সেই ছবি। আর তা দেখেই ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় গলেছে আবেগে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এটাই তো ফুটবলের আসল সৌন্দর্য।

চলতি বিশ্বকাপে ফুটবলবিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে কেপ ভার্দে। বিশেষ করে পরাশক্তি স্পেনের বিপক্ষে দলটির গোলরক্ষক ভোজিনহা যা করে দেখিয়েছেন, তা এককথায় অবিশ্বাস্য। একের পর এক অতিমানবীয় সেভে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডদের হতাশ করে দলকে এনে দিয়েছেন এক ঐতিহাসিক ড্র। ম্যাচ শেষে যখন চারদিকে ভোজিনহা-বন্দনা, তখনই সংবাদ সম্মেলনে এক ভিন্ন রূপকথার জন্ম দেন এই গোলরক্ষক।

সংবাদকর্মীদের সামনে নিজের বুকের ভেতর চেপে রাখা কষ্টটা উগরে দেন তিনি। ভোজিনহা জানান, মাঠের পারফরম্যান্সে ইতিহাস গড়লেও গ্যালারিতে মায়ের অনুপস্থিতি তাকে ক্ষতবিক্ষত করছে।

তিনি বলেন, ‘মা যুক্তরাষ্ট্রে এসে আমার খেলা দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভিসা প্রক্রিয়া জটিলতা আর বিমানের টিকিটসহ ভ্রমণের বিশাল খরচ জোগাড় করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। শুধু অর্থসংকটের কারণেই মা আসতে পারেননি, ঘরে বসেই তাকে খেলা দেখতে হয়েছে।’

ভোজিনহার সংবাদ সম্মেলনের সেই কান্নাভেজা ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় দুনিয়াজুড়ে। ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এই দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন—বিশ্বকাপ মানেই শুধু গোল, জয় আর ট্রফির হিসাব-নিকাশ নয়; বিশ্বকাপ মানে মানুষের জীবনসংগ্রাম, ত্যাগ আর নাড়ির টানের এক পরম আখ্যান।

অবশেষে ফুটবলপ্রেমীদের সেই ভালোবাসা আর শুভ কামনাকে সঙ্গী করেই ছেলের পাশে দাঁড়াতে আটলান্টিক পাড়ি দিচ্ছেন আনা কান্দিদা। 
 

রোনালদো-এমবাপ্পেরা কেন পরছেন গোলাপি বুট? বিশ্বকাপে নতুন ট্রেন্ডের রহস্য কী

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদো-এমবাপ্পেরা কেন পরছেন গোলাপি বুট? বিশ্বকাপে নতুন ট্রেন্ডের রহস্য কী
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দর্শকদের নজর কাড়ছে আরেকটি বিষয়—অনেক তারকা ফুটবলারের পায়ে দেখা যাচ্ছে উজ্জ্বল গোলাপি বুট। পর্তুগালের ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়দের এই রঙের বুট পরতে দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল ফ্যাশনের বিষয় নয়; এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত বিপণন ও দৃশ্যমানতা বাড়ানোর কৌশল। বিশ্বের শীর্ষ ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি মৌসুমে উজ্জ্বল রঙের বুট বাজারে এনেছে, যার মধ্যে গোলাপি রঙ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

ফুটবল বুট তৈরির কাজ সাধারণত বাজারে আসার প্রায় দুই বছর আগে শুরু হয়। এ সময় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ট্রেন্ড বিশ্লেষক সংস্থার সঙ্গে কাজ করে ভবিষ্যতে জনপ্রিয় হতে পারে এমন রঙ ও ডিজাইন নির্বাচন করে। ট্রেন্ড পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান ডব্লিউজিএসএন (WGSN) ২০২৪ সালেই ২০২৬ সালের অন্যতম ট্রেন্ডি রঙ হিসেবে ‘ইলেকট্রিক ফুশিয়া’ বা উজ্জ্বল গোলাপি রঙের পূর্বাভাস দিয়েছিল।

নাইকির গ্লোবাল ফুটবল ফুটওয়্যার বিভাগের কর্মকর্তা ওডিঙ্গা নিমাকোর মতে, সবুজ ঘাসের মাঠে গোলাপি রঙ সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হয়। ফলে দর্শক, টেলিভিশন ক্যামেরা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আরো স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।

আরো একটি কারণ হলো, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের কোনো দলেরই প্রধান জার্সির রঙ গোলাপি নয়। ফলে খেলোয়াড়দের বুট সহজেই আলাদা করে চোখে পড়ে এবং মাঠে তাদের উপস্থিতি আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

বিপণন বিশেষজ্ঞদের মতে, তারকা ফুটবলারদের ব্যবহৃত সরঞ্জাম ভক্তদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। রোনালদো, এমবাপ্পে কিংবা অন্য তারকাদের পায়ে গোলাপি বুট দেখে অনেক সমর্থকও একই ধরনের বুট কিনতে আগ্রহী হন। এ কারণেই বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে ব্র্যান্ডগুলো নিজেদের নতুন পণ্যের প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।