• ই-পেপার

সুইডেনের কাছে হেরে যাওয়ায় কোচ ছাঁটাই তিউনিশিয়ার

খেলোয়াড়দের বিনা মূল্যে সেবা দেবে মাইকেয়ার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
খেলোয়াড়দের বিনা মূল্যে সেবা দেবে মাইকেয়ার
সৌজন্য ছবি

দেশের খেলোয়াড় ও অ্যাথলেটদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত মাইকেয়ার হেলথ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার। প্রতিষ্ঠানটি খেলাধুলাজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও ইনজুরি ব্যবস্থাপনায় বিশেষায়িত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘সমন্বিত স্পোর্টস মেডিসিন বোর্ড’ গঠন করেছে।

গত রোববার (১৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান মাইকেয়ার হেলথ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের অর্থোপেডিক্স ও স্পোর্টস সার্জারির চিফ কনসালটেন্ট ডা. শেখ মু. আব্দুল্লাহ আল রাফি। তিনি জানান, খেলাধুলার সময় সৃষ্ট ইনজুরি, হাঁটুর ব্যথা, লিগামেন্টজনিত সমস্যা, মাংসপেশির আঘাত, পুনর্বাসন এবং পারফরম্যান্স উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়ে দেশের সব খেলোয়াড় ও অ্যাথলেট এই বিশেষ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। স্পোর্টস মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, অর্থোপেডিক স্পোর্টস সার্জন এবং স্পোর্টস ফিজিওথেরাপিস্টদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড খেলোয়াড়দের জন্য সমন্বিত মূল্যায়ন ও চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করবে।

এই উদ্যোগের আওতায় সব নিবন্ধিত স্পোর্টসম্যান ও অ্যাথলেটদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে কনসালটেশন সুবিধা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্পোর্টস ইনজুরি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা ও সার্জারিতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, একসঙ্গে তিনজন বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণের সুযোগ এবং পেশাদার খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ব্যবস্থাও থাকবে।

ডা. রাফি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য আধুনিক ও সমন্বিত স্পোর্টস মেডিসিন সেবা সহজলভ্য করাই আমাদের লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা প্রদানের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি পারফরম্যান্স উন্নয়ন এবং দ্রুত মাঠে ফিরিয়ে আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরো জানান, বিনা মূল্যে এই বিশেষ ক্যাম্পে অংশগ্রহণের জন্য আগাম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। সেবা গ্রহণের সময় খেলোয়াড়দের ক্লাব আইডি কার্ড অথবা সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনের আইডি কার্ড সঙ্গে আনতে হবে।

মাইকেয়ার হেলথ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার আশা করছে, এই উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াবিদদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং খেলাধুলাজনিত আঘাত প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের একাদশ ঘোষণা

ক্রীড়া ডেস্ক
কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের একাদশ ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের ‘এইচ’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচে আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামছে স্পেন। কেপ ভার্দের মুখোমুখি হতে প্রথম একাদশ ঘোষণা করেছে ‘লা রোজা’রা।

প্রথম ম্যাচে বার্সেলোনার চারজন খেলোয়াড় রয়েছেন এবং বেঞ্চে রয়েছেন আরো তিনজন। বার্সা থেকে শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছে পেদ্রি, ফেরান তোরেস, গাভি এবং পাউ কুবারসি।

 স্পেনের শুরুর একাদশ : উনাই সাইমন; কুকুরেলা, ল্যাপোর্টে, কিউবারসি, লরেন্টে; রডরি, পিটার, রুইজ; গাভি, ওয়ারজাবাল, ফেরান।

নিজেদের নাম লেখাতে চাই ইতিহাসে—ইয়ান দিওমান্দে

ক্রীড়া ডেস্ক
নিজেদের নাম লেখাতে চাই ইতিহাসে—ইয়ান দিওমান্দে

শেষ মুহূর্তের গোলে ইকুয়েডরকে হারিয়ে শুভ সূচনা করে আইভরি কোস্ট। ২০১৪ বিশ্বকাপের পর বৈশ্বিক মঞ্চে সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচের জয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছে পুরো আইভরি কোস্ট। জয়ের প্রক্রিয়ায় আইভরি কোস্টের ফরোয়ার্ড ইয়ান দিওমান্দে বলেছেন, কঠোর লড়াই করে সফল হয়েছি, আমরা সবাই আনন্দিত।

ইয়ান দিওমান্দে বলেন, নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা সব সময়ই আনন্দের। কিন্তু এটি কঠিন। কারণ সাড়ে তিন কোটি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা অত্যন্ত কঠিন ও চাপের।

আমরা আমাদের পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের জন্য খেলছি। বৈশ্বিক এই প্রতিযোগিতায় আমরা সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে, নিজেদের নাম লেখাতে চাই ইতিহাসে বলে যোগ করেন এই ফরোয়ার্ড।

জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির বিতর্কিত সাইন

ক্রীড়া ডেস্ক
জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির বিতর্কিত সাইন
ভিএআর কক্ষে ইশারার ভঙ্গিতে ইভান্স (দাঁড়ানো)। ছবি : এক্স থেকে

জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচটি এমনিতেই আলোচনায়। আলোচনায় থাকার কারণ সবার জানা। কুরাসাওকে ৭-১ ব্যবধানে জার্মানি বিধ্বস্ত করায় ব্রাজিলকে টেনে এনে অনেকে মজা নেওয়ায় ম্যাচটি আরো ব্যাপকভাবে আলোচনায়। কেননা ২০১৪ বিশ্বকাপে সেলেসাওদের সমান ৭-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল এই জার্মানিই।

তবে এবার বিতর্কিত ঘটনার কারণে শিরোনামে এসেছে ম্যাচটি। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) কক্ষে একটি ইশারা দিয়েছেন রেফারি শন ইভান্স। হাতের মাধ্যমে ইশারা দেওয়ায় তা নিয়ে এখন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চরম ডানপন্থী গোষ্ঠীর সাইন দেখিয়েছেন বলে অনেক বলছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন উল্টো সম্মতির ইঙ্গিত হিসেবে ‍‘ওকে’ দেখিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার রেফারি। ২০১৯ সালে নিউইয়র্কভিত্তিক অ্যান্টি-ডিফেমেশন লিগ এটিকে একটি ঘৃণ্য প্রতীক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

ভিএআর রুমে যে সাইন দেখিয়েছেন ইভান্স তা ছিল এমন। বুড়ো আঙুল ও তর্জনী একত্রে করে গোলচিহ্নের মতো করেন এবং বাকি তিন আঙুল প্রসারিত রাখেন। এটাকে সাধারণত ‘ওকে’ বা সম্মতির ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু চরম ডানপন্থী গোষ্ঠী এটিকে ‘হোয়াইট পাওয়ারের’ প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এমন সাইন ২০১৯ সালে আদালতে দেখিয়েছিলেন ব্রেন্টোন টাররেন্ট। যিনি নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদের মধ্যে প্রবেশ করে ৫০ জনকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন। 

 

এমন সাইন দেখানোর জন্য বিশ্বকাপের অফিশিয়াল প্যানেল থেকে তাকে বাদ দেওয়ার জন্য ফিফার কাছে আর্জি করেছে বৈষম্যবিরোধী সংস্থা ফেয়ার নেটওয়ার্ক। এক বিবৃতিতে তারা লিখেছে, ‘ফুটবলের একটি বৈশ্বিক আসরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্যানেল যখন ক্যামেরার সামনে থাকে, তখন তিনি কেন এমন ইঙ্গিত করলেন? এটি ইচ্ছাকৃতভাবে চরম ডানপন্থী প্রতীক প্রদর্শনের ইঙ্গিত দেয়।’ তার এই সাইন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এখন ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।

২০১৬ সালে পেশাদার রেফারি হিসেবে কাজ শুরু করেন ইভান্স। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য পরের বছর, ২০১৭ সালে ফিফার তালিকাভুক্ত রেফারি হন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের মতো এভারে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার বিতর্কিত সাইনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্যে করেনি ফিফা।