তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি হেরে আগেই বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামে অজিরা। ওপেনার কুপার কনলির ১৪৯ রানের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে ১ উইকেটে জয় তুলে নেয় ক্যাঙ্গারু বাহিনী। দলকে না জেতাতে পারলেও ১০ ওভারে ৬ উইকেট তুলে নেন শরিফুল।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ২৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামে অজিরা। শুরুতে দুই ওপেনারের মারকুটে ব্যাটিংয়ে ৪ ওভারে ৪০ রান তুলে নেয় অজিরা। ম্যাচের পঞ্চম ওভারে পর পর দুই উইকেট তুলে নিয়ে রানের চাকায় লাগাম টানে পেসার শরিফুল।
তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ওপেনার কুপার কনলি সঙ্গে ক্রিজে কিছুটা থিতু হতে চাওয়া আলেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেয় তাসকিন। এতে দলীয় স্কোর ৭০ রানেই নেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান।
চতুর্থ উইকেটে ওপেনার কুপারের সঙ্গে ৬৪ রানের কার্যকারি জুটি গড়ে, দলকে এগিয়ে নেন মারনাস লাবুশান। তারপর পঞ্চম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিন ২৭ রানে আউট হওয়ার আগে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। ষষ্ঠ উইকেটে ওলিভার পিকের সাথে ৬৪ রানের জুটি এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
এক পর্যায়ে ৫ উইকেটে ২৬৬ রান অজিদের স্কোর বোর্ডে। ততক্ষণে ফিফটির পর সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ১৩১ বলে ১৪৯ রানে অপরাজিত কনোলি।
জয়ের জন্য সমীকরণ ৩০ বলে ৯ রান। কিন্তু এই সমীকরণ মেলাতে গিয়ে শরিফুল, মুস্তাফিজের তোপে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ১৪৯ রানেই আউট হয়েছেন কনোলি।
ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের পর ৬ নম্বর শিকারও তুলে নেন শরিফুল। জয়ের পাল্লা বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়লেও অ্যাডাম জাম্পার ব্যাটে (৪*) ৩ বল আগেই ১ উইকেটে জয় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার।
এর আগে তাওহিদ হৃদয়ের ৮৩, মোসাদ্দেক হোসেন ও লিটন দাসের অপরাজিত ৫৬ ও ৫৮ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ম্যাট রেনশ ও জাভিয়ের বার্টলেট নেন দুটি করে উইকেট, একটি উইকেট পান বেন ডোয়ারসুইশ।




