• ই-পেপার

ইউরোপে সক্রিয় ভূমিকার পরও নেতৃত্ব সংকটে ফ্রান্স বিএনপি

বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হচ্ছে আমিরাতের চাকরির বাজার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশিদের জন্য সহজ হচ্ছে আমিরাতের চাকরির বাজার
ছবি: কালের কণ্ঠ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর এসেছে। দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থা সহজ ও দ্রুত করতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে।

নতুন এই উদ্যোগের ফলে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, ভিসা প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থান অনুমোদন আগের তুলনায় কম সময় ও কম জটিলতায় সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় গত ৮ জুন ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই উদ্যোগের ফলে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া আরো সহজ ও দ্রুত হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ব্যবহার হ্রাস এবং ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণের মাধ্যমে নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের জন্য আরো সহজ পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াও আরো গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন ব্যবস্থার আওতায় অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক নথি জমার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। কিছু পারমিটের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে একীভূত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর ফলে অধিকাংশ আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া এখন অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।

বর্তমানে আমিরাতে ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিট চালু রয়েছে। এর মধ্যে বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ, চাকরি পরিবর্তন, পার্ট-টাইম চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং, শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান, গোল্ডেন ভিসাধারীদের কাজের অনুমতি এবং গৃহকর্মীদের জন্য বিশেষ পারমিট উল্লেখযোগ্য।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই সংস্কার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ আমিরাতে নির্মাণ, সেবা, পরিবহন, প্রযুক্তি ও গৃহস্থালি খাতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। সহজতর ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থা নতুন কর্মীদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকেও উৎসাহিত করবে।

দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতে, এই উদ্যোগ বেসরকারি খাতের টেকসই উন্নয়ন, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজার গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র : গালফ নিউজ

জালিয়াতির অভিযোগে কুয়েতে ৫ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
জালিয়াতির অভিযোগে কুয়েতে ৫ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

কুয়েতে সরকারি স্ট্যাম্প জাল করে প্রবাসী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রেসিডেন্স অ্যাফেয়ার্স ইনভেস্টিগেশন বিভাগ দীর্ঘ তদন্তের পর অভিযান চালিয়ে এই চক্রটিকে আটক করে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতের বিভিন্ন সরকারি স্ট্যাম্প জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা মূলত বিভিন্ন হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান করে গ্রাহকদের টার্গেট করতেন। তারা ৫ ও ১০ কুয়েতি দিনার মূল্যের সরকারি স্ট্যাম্প আসল দামের চেয়ে কম মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন। এভাবে প্রবাসীদের প্রলোভন দেখিয়ে তারা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেন।

অভিযান পরিচালনাকালে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযুক্তদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জাম জব্দ করে। এর মধ্যে রয়েছে—একটি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টার, বিপুল পরিমাণ স্ট্যাম্প তৈরির বিশেষ কাগজ ও সরঞ্জাম।

তদন্তে আরো উঠে এসেছে, জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত এই বিশেষ স্ট্যাম্পের কাগজের রোলগুলো কুয়েতের একটি হাসপাতাল থেকে চুরি করা হয়েছিল।

কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত আলামতসহ তাদেরকে সংশ্লিষ্ট পাবলিক প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি নথি জালিয়াতি কিংবা রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাজ্যে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ নারী দলের বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

নুরুল হক শিপু, যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ নারী দলের বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ যাত্রার প্রাক্কালে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম শহর যেন পরিণত হয় এক টুকরো বাংলাদেশে। লাল-সবুজের পতাকা, উচ্ছ্বাস আর প্রবাসী বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম ভালোবাসায় মুখরিত হয় পুরো আয়োজন।

আগামী ১৪ জুন রোববার বার্মিংহামের ঐতিহ্যবাহী এজবাস্টন স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বার্মিংহামে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে দেওয়া হয় বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা।

বার্মিংহামের বাদশা প্যালেসে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জাতীয় পতাকার উচ্ছ্বাস ও করতালির মধ্য দিয়ে স্বাগত জানানো হয় বাংলাদেশ দলের সদস্যদের। আয়োজনটি করে বার্মিংহামে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রবাসী ক্রীড়াপ্রেমীরা।

সহকারী হাইকমিশনার সুজন দেবনাথ বলেন, ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়; এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির শক্তিশালী সেতুবন্ধন। তিনি ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বলেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রবাসীদের এমন ভালোবাসা পুরো দলকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি বলেন, দেশের জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে খেলোয়াড়রা প্রস্তুত এবং সমর্থনের জন্য প্রবাসীদের মাঠে আসার আহ্বান জানান।

দলের প্রধান কোচ সারোয়ার ইমরান জানান, স্কটল্যান্ডে দীর্ঘ প্রস্তুতি ক্যাম্পে খেলোয়াড়রা কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং ইংলিশ কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তিনি বিশ্বকাপে ভালো ফলের আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে টিম ম্যানেজমেন্ট ও কোচিং স্টাফসহ বাংলাদেশ দলের কর্মকর্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কাউন্সিলর ও স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকেরাও দলকে শুভেচ্ছা জানান।

শেষ পর্বে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় ব্রিটিশ-বাংলাদেশি বক্সার হামজা উদ্দীন ও ইউসুফ উদ্দীনকে। অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে নারী দলের সদস্যদের নামাঙ্কিত সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

আবেগঘন এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভালোবাসা ও শুভকামনায় সিক্ত হয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে যাত্রা শুরু করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

ফ্রান্সে নতুন ইইউ আশ্রয়নীতি কার্যকর

তানভীর আহমেদ তোহা, ফ্রান্স
ফ্রান্সে নতুন ইইউ আশ্রয়নীতি কার্যকর
সংগৃহীত ছবি

ফ্রান্সে শুক্রবার (১২ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন মাইগ্রেশন ও অ্যাসাইলাম প্যাক্ট। এর ফলে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য সীমান্তে বাধ্যতামূলক যাচাই, দ্রুত প্রত্যাবাসন, ডাবলিন নীতির সংশোধন এবং বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহসহ অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইইউর বহিঃসীমান্তে আশ্রয় আবেদনকারী অনিয়মিত অভিবাসীদের সর্বোচ্চ সাত দিনের বাধ্যতামূলক ‘ফিল্টারিং’ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এ সময় তাদের পরিচয়, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হবে। ফিল্টারিং চলাকালে আবেদনকারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশকারী হিসেবে গণ্য করা হবে না।

যাচাই শেষে আবেদনকারীকে সাধারণ আশ্রয় প্রক্রিয়া অথবা সীমান্তভিত্তিক বিশেষ আশ্রয় প্রক্রিয়ায় পাঠানো হবে। সীমান্ত প্রক্রিয়ার আওতায় পড়লে তাকে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ সীমান্তসংলগ্ন কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে এবং সেখানেই তার আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে।

ফ্রান্সের পরিকল্পনা অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ৬১৫টি স্থান প্রস্তুত রাখার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে প্রায় ৩০০টি। এর মধ্যে ১৫৭টি স্থান রোয়াসি শার্ল দ্য গল বিমানবন্দরে। ফরাসি অভিবাসন ও ইন্টিগ্রেশন দপ্তরের (ওএফআইআই) মহাপরিচালক দিদিয়ে লেসচি জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে বিমানবন্দরসংলগ্ন হোটেল ব্যবহার করা হবে।

নতুন বিধান অনুযায়ী, যেসব দেশের নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন অনুমোদনের হার ইইউতে ২০ শতাংশ বা তার কম, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করার সন্দেহভাজনদের সীমান্ত আশ্রয় প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হতে পারে।

এছাড়া ফ্রান্সের অভ্যন্তরে অনিয়মিত অবস্থায় শনাক্ত কিছু ব্যক্তিকেও ফিল্টারিংয়ের আওতায় আনা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশের অভিযানে আটক কোনো অনিয়মিত অভিবাসী আশ্রয় চাইলে তাকেও একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে।

নতুন প্যাক্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, সীমান্তে আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে আপিল বিচার শেষ হওয়ার আগেই দেশত্যাগের নির্দেশ কার্যকর করা যেতে পারে। বর্তমানে আপিল চলাকালে বহিষ্কার কার্যক্রম সাধারণত স্থগিত থাকে।

ডাবলিন বিধিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি অন্য একটি ইইউ দেশে আগে আশ্রয় আবেদন করে থাকলে সেই দেশই তার আবেদন পরীক্ষা করবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব বহনের সময়সীমা ১২ মাস থেকে বাড়িয়ে ২০ মাস করা হয়েছে।

ইউরোড্যাক ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণের পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে অনিয়মিতভাবে প্রবেশকারী সব ব্যক্তির তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। আঙুলের ছাপের পাশাপাশি মুখের বায়োমেট্রিক তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। ছয় বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুরাও এ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।

সামাজিক সহায়তা সুবিধার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ডাবলিন প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত আবেদনকারীরা আগের মতো সুবিধা পাবেন না। তবে পুনরায় বা বিলম্বিত আশ্রয় আবেদনকারীদের জন্য সীমিত সহায়তা চালু রাখা হবে।

তবে ‘নিরাপদ তৃতীয় দেশে’ আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়াকরণ এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের মতো কিছু বিতর্কিত প্রস্তাব ফ্রান্স বাস্তবায়ন করবে না বলে জানিয়েছে।