• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারসহ সব দুর্নীতি তদন্ত করা উচিত

সংসদে পররাষ্ট্র বাজেট পাস, ছাঁটাই প্রস্তাব নাকচ

অনলাইন ডেস্ক
সংসদে পররাষ্ট্র বাজেট পাস, ছাঁটাই প্রস্তাব নাকচ
সংগৃহীত ছবি

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাব নাকচ করে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবি পাস হয়েছে। এর ফলে এই খাতের জন্য অনধিক ১ হাজার ৮৪৪ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছে সংসদ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ১৬ নম্বর মঞ্জুরি দাবিটি ভোটের জন্য উপস্থাপন করা হলে তা ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত ও গৃহীত হয়।

এর আগে, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত বাজেট মাত্র ১ টাকায় নামিয়ে আনার ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

এই ছাঁটাই প্রস্তাবের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিবর্তনশীল ও জটিল ভূ-রাজনৈতিক বিশ্বব্যবস্থায় একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা অনেকাংশেই তার দূরদর্শী ও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর নির্ভর করে। আজকের এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে আমাদের কূটনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। যার অভূতপূ্র্ব সাম্প্রতিক উদাহরণ হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জনগণের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত বাজেটের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ছাঁটাই প্রস্তাব অনুযায়ী যদি বাজেট ১ টাকায় নামিয়ে আনা হয়, তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা আমাদের দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। নামিয়ে ফেলতে হবে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক লাল-সবুজের পতাকা। একই সাথে বন্ধ হয়ে যাবে প্রবাসীদের দেওয়া আমাদের সব ধরনের সেবা। এছাড়া বাজেট না থাকলে জাতিসংঘের বাৎসরিক চাঁদা দেওয়া সম্ভব হবে না, যার ফলে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ স্থগিত হয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে গরম

অনলাইন ডেস্ক
সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে গরম

দেশের সব বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারা দেশে গরমের দাপট কমবে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে— এমন পরিস্থিতিতে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এদিকে গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বোচ্চ বৃষ্টি ঝরেছে বগুড়ায় ৬৮ মিলিমিটার। 

ভূমি অ্যাপে কতটুকু কমবে দুর্নীতি?

অনলাইন ডেস্ক
ভূমি অ্যাপে কতটুকু কমবে দুর্নীতি?

দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ, দুর্নীতি, দালালচক্র ও প্রশাসনিক জটিলতায় জর্জরিত দেশের ভূমি সেবাখাত। ফলে সেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে জনগণকে। এমন পরিস্থিতিতে ভূমি সেবাখাতে সবধরনের অনিয়ম রুখতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি, ‘ভূমি অ্যাপ’, অনলাইন সেবা এবং কর্মকর্তাদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণের মতো প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে এ খাতে অনিয়ম-দুর্নীতি কমানো ও ভোগান্তি হ্রাস করা সরকারের লক্ষ্য। 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক জরিপের তথ্য তুলে ধরে টিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমি খাতে দুর্নীতি আগের তুলনায় বেড়েছে। ফলে প্রযুক্তি সেবা দ্রুততর করলেও বহু বছরের ঘুষ ও অনিয়মের সংস্কৃতি ভাঙা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে সেবাগ্রহীতার সঙ্গে কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগাযোগ কমিয়ে ভূমি সেবাকে আরো সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করা। তিনি বলেন, যত বেশি মানুষ ডিজিটাল মাধ্যমে সেবা নেবেন, দুর্নীতি ও হয়রানির সুযোগ তত কমবে।

সরকারের চালু করা ‘ভূমি অ্যাপ’-এ এরই মধ্যে এক লাখের বেশি ব্যবহারকারী যুক্ত হয়েছেন। অ্যাপটির মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, ই-মিউটেশনের আবেদন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, জমির রেকর্ড যাচাই, খতিয়ান ও মৌজা মানচিত্র সংগ্রহ, অনলাইনে অভিযোগ দাখিল এবং উত্তরাধিকার হিসাব নির্ধারণসহ বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাচ্ছে।

ডিজিটাল সেবা সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে দেশজুড়ে ৮৯৩টি সেবা কেন্দ্র অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং অনলাইন সেবা ব্যবহারে উৎসাহ দিতে তথ্যপত্র ও ভিডিও টিউটোরিয়াল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগের পরও গ্রামীণ এলাকায় অনেক মানুষ এখনও দালালের ওপর নির্ভরশীল। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না।

এদিকে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে নতুন একটি জিও-ফেন্সিংভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অফিস চলাকালে কোনো কর্মকর্তা নির্ধারিত সীমানার বাইরে গেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে দেখা যাবে।

সরকার একই সঙ্গে ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ, কেন্দ্রীয় ভূমি তথ্যভাণ্ডার তৈরি এবং ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ভূমি তথ্যব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ সরাসরি উপকারভোগীর ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দিতে আইবিএএস++ প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে টিআইবির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ভূমি সেবা গ্রহণকারী ৬৬ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার কোনো না কোনো ধরনের দুর্নীতির শিকার হয়েছেন, যা ২০২৩ সালে ছিল ৫১ শতাংশ। ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ সেবাগ্রহীতা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছেন। এতে প্রতি পরিবারে গড়ে অবৈধ অর্থ পরিশোধের পরিমাণ ১১ হাজার ৩১০ টাকা। 

জরিপে উঠে এসেছে, ভূমি খাতে ঘুষের মাধ্যমে সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার ৮১ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হয়েছে, যা সরকারি সেবা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

এছাড়া দেশে বিচারাধীন ৪৭ লাখের বেশি মামলার বড় একটি অংশই ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই ভূমি খাতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য টেকসই করতে ভারসাম্য আনা জরুরি : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য টেকসই করতে ভারসাম্য আনা জরুরি : মার্কিন রাষ্ট্রদূত
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই করতে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্য আনা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত এক টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তি, নতুন উড়োজাহাজ কেনা এবং প্রতিরক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের নানা উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাণিজ্যনীতির মূল ভিত্তি হলো—বাণিজ্য হতে হবে মুক্ত, ন্যায্য ও পারস্পরিক। বাংলাদেশ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচুর তৈরি পোশাক রপ্তানি করলেও, সে তুলনায় সেখান থেকে পণ্য আমদানি করে খুবই কম। একটি ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের নিয়ম হলো, যে দেশ যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য বিক্রি করবে, তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকেও পণ্য কিনতে হবে। বিশ্বের সব দেশ যদি শুধু যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য বিক্রি করে; কিন্তু নিজেরা কিছু না কেনে, তবে তা দীর্ঘ মেয়াদে কোনো পক্ষের জন্যই টেকসই হবে না। এই বাণিজ্যিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এবং সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’তে সম্মত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ যেমন আকর্ষণীয় শুল্ক সুবিধা পাবে, তেমনই এর শর্ত মেনে দেশের কাস্টমসব্যবস্থা, শ্রম খাত ও সামগ্রিক বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হবে। এই সংস্কারগুলো বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত জরুরি ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য ভারসাম্য ঠিক করতে বাংলাদেশ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে মানসম্মত গম ও কৃষিপণ্য কিনছে। মার্কিন গমে অপচয় মাত্র ২%, যেখানে অন্যান্য দেশ থেকে আনা গমের ২০% নষ্ট হতো। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বহর বাড়াতে ১৪টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ভবিষ্যতে ১৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। মার্কিন কম্পানিগুলো তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহী, তবে সরকারের দেওয়া শর্তগুলো ব্যাবসায়িকভাবে লাভজনক হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। অনেকে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও থেকে যান বা ভুল তথ্য দিয়ে ভিসা নেন। জাল কাগজপত্র এবং অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুযায়ী দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে। বাংলাদেশ যেন বিশ্বের সেরা সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায়, বিশেষ করে যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবেলায় মার্কিন সহায়তা চালু রয়েছে। খুব শিগগিরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ বছরের একটি নতুন স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি সই হবে।

তিনি বলেন, জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এই উপলক্ষ্যে শুধু ঢাকাতেই নয়—চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেটসহ বিভিন্ন শহরে বছরজুড়ে নানা অনুষ্ঠান চলবে। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে ২৫০টি রিকশাকে লাল, সাদা ও নীল রঙে (মার্কিন পতাকার রঙে) সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস ও স্বাধীনতার কাহিনী তুলে ধরার জন্য ‘ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম’ নামক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে।

সবশেষে বর্তমানে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের দল নকআউট পর্বে ওঠায় বাংলাদেশের মানুষকে মার্কিন দলকে সমর্থন করার অনুরোধ জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।