• ই-পেপার

আওয়ামী লীগ শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে : গয়েশ্বর

পথকুকুর নিধনের প্রতিবাদে ঢাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পথকুকুর নিধনের প্রতিবাদে ঢাবিতে মানববন্ধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের বিভিন্ন স্থানে পথকুকুর নিধনের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন প্রাণিকল্যাণকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী ও আইনজীবীরা।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এএলবি অ্যানিম্যাল শেল্টার (অ্যানিম্যাল লাভার্স অব বাংলাদেশ), গ্রিট ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রাণিকল্যাণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচি থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো— প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন; কুকুর নিধন ও অবৈধ স্থানান্তরের সব উদ্যোগ বন্ধ; দেশব্যাপী পুনরায় সিএনভিআর কার্যক্রম চালু; জলাতঙ্ক প্রতিরোধে গণটিকা কর্মসূচির সম্প্রসারণ ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা; এবং সামাজিক মাধ্যমে আতঙ্ক ও বিদ্বেষ ছড়ানো বিভ্রান্তিকর প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

মানববন্ধনে গ্রিট ফাউন্ডেশনের পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন টুম্পা বলেন, একটি সমাজের সভ্যতা, মানবিকতা ও নৈতিকতার প্রকৃত পরিচয় নির্ভর করে সে সমাজ দুর্বল ও অসহায়দের কতটা সুরক্ষা দিতে পারে তার ওপর। যে সমাজে দুর্বলরা নিরাপত্তা ও মর্যাদা পায় না, সেই সমাজকে পুরোপুরি মানবিক বলা যায় না।

তিনি বলেন, প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা সমাজে সহিংসতার সংস্কৃতি তৈরি করে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত মানুষের ওপরও পড়ে। অসহায় প্রাণীর প্রতি দয়া ও সহমর্মিতার শিক্ষা মানুষকে আরও দায়িত্বশীল ও সহনশীল সমাজ গঠনে সহায়তা করে।

এএলবি অ্যানিম্যাল শেল্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান দীপান্বিতা হৃদি বলেন, বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে সরকার যেন মানুষ ও পথপ্রাণীর নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীতে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. ইমন হোসেন (২৪) নামের এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-১ সংলগ্ন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শিমুলকান্দি গ্রামের মো. টিপু সুলতানের ছেলে। তিনি বর্তমানে মোহাম্মদপুরের বসিলা মেট্রো হাউজিং এলাকায় থাকতেন এবং ফার্মগেটের একটি চশমার দোকানে চাকরি করতেন।

জানা গেছে, ইমন বাইসাইকেলে করে বিভিন্ন স্থানে চশমা ডেলিভারি ও টাকা আদায়ের কাজ করতেন। আজ দুপুরে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী সিএনজি অটোরিকশা তার বাইসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে ইমনের স্বজনরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে ইমনের বড় ভাই সাব্বির হোসেন বলেন, ‘মাত্র দেড় মাস আগে বিয়ে করেছিল ইমন। কিন্তু স্ত্রীকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের বাসায় উঠিয়ে আনা হয়নি। তার আগেই ছোট ভাই সবাইকে ছেড়ে চলে গেল।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

ঢামেকে এক কারাবন্দির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকে এক কারাবন্দির মৃত্যু

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. তরিকুল ইসলাম (৬৮) নামের এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে। মৃত তরিকুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার ধুয়াপাড়া মৌবন লাইনপাড়া এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত ইসমাইল।

শনিবার (২০ জুন) অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ থেকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী আতিয়ারসহ কয়েকজন কারারক্ষী তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তরিকুল ইসলাম কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ মারা গেছেন

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’।

শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন। পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে মুক্তি পান।

গত ১২ জুন জুমার নামাজের পর রামপুরা ব্রিজ-সংলগ্ন একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে পলাশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, জুমার নামাজ পড়ে নিজ বাসভবনের নিচে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন পলাশ। এ সময় আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরপর তাকে দুই রাউন্ড গুলি করা হলে এক রাউন্ড গুলি তার মাথা ভেদ করে বের হয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।