• ই-পেপার

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রথমবার স্বাস্থ্য কার্ড দিল ডিএসসিসি

মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে রাজধানীতে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে রাজধানীতে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল
বুধবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল।

অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। পরে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় যুবদলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন, ‘যুবদল গড়বে দেশ, সব ষড়যন্ত্র করবে শেষ', ‘মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে যুবদল প্রস্তুত, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদল প্রস্তুত’, ‘মিথ্যাচারের রাজনীতি চলবে না চলবে না, অপপ্রচারের রাজনীতি চলবে না চলবে না’।

মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুর মোনায়েম মুন্না বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে অশালীন কোনো উক্তি, মন্তব্য করলে কিন্তু আমাদেরও ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাবে। আমরা বসে থাকব না। যুবদল মাঠে থেকে সাংগঠনিকভাবে তা মোকাবেলা করব। জামায়াতে ইসলামীকে সস্তা রাজনীতি পরিহার করে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানাই।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘গুপ্ত রাজনীতির নেতাকর্মী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বলতে চাই, আমরা কিন্তু হাসিনা বাহিনীকে তাড়িয়েছি। দেশের প্রয়োজনে জাতির প্রয়োজনে যুবদল কিন্তু আবার বাশের লাঠি হাতে নিতে প্রস্তুত আছে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।

রাজধানীতে খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে খাল থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর বাড্ডার সাঁতারকুল এলাকার একটি খাল থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় মরদেহটি বিকৃত হয়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সাঁতারকুলের ইয়াসিন নগর এলাকার একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বাড্ডা থানা-পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড্ডা থানার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াসিন নগর খালের পানিতে কচুরিপানার মধ্যে এক যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। আজ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।

বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক মাহবুবুল আলম বলেন, উদ্ধার হওয়া লাশটি বেশ কয়েক দিন আগের। অতিরিক্ত পচে যাওয়ার কারণে প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এসআই মাহবুবুল আলম বলেন, ‘এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

লিফটকে পুনরায় ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ঘোষণার দাবি বেলিয়ার

অনলাইন ডেস্ক
লিফটকে পুনরায় ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ঘোষণার দাবি বেলিয়ার
সংগৃহীত ছবি

দেশের আবাসন, শিল্প ও অবকাঠামো খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে লিফট ও এস্কেলেটরকে পুনরায় ক্যাপিটাল মেশিনারিজ (মূলধনী যন্ত্রপাতি) হিসেবে ঘোষণা এবং বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ এলিভেটর, এস্কেলেটর অ্যান্ড লিফট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেলিয়ার সভাপতি মো. শফিউল আলম উজ্জ্বল সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বর্তমান নগরায়ণ, বহুতল ভবন নির্মাণ, শিল্পায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে লিফট কোনো বিলাসদ্রব্য নয়, বরং এটি একটি অপরিহার্য মূলধনী যন্ত্রপাতি।

শফিউল আলম অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে লিফটকে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ শ্রেণি থেকে সরিয়ে কমার্শিয়াল পণ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করার পর ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরেও ধারাবাহিকভাবে শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে ২০২৩ থেকে ২০২৫ অর্থবছরে লিফট আমদানির ওপর মোট শুল্কহার প্রায় ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে আবাসন শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক লিফট কম্পানি ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে, যার কারণে বহু মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শফিউল আলম উজ্জ্বল সরকারের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—লিফট ও এস্কেলেটরকে পুনরায় ক্যাপিটাল মেশিনারিজ হিসেবে ঘোষণা, লোড ফ্যাক্টর প্রতি কেজি ৩ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ১.৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ, স্থানীয় উৎপাদনের নামে আমদানিকৃত কাঁচামালের অপব্যবহার রোধে কার্যকর নজরদারি, বন্দর পর্যায়ে স্কেলিং, মূল্যায়ন ও ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজীকরণ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরাপদ লিফট আমদানির জন্য শুল্ক ও কর কাঠামোর যৌক্তিক সংস্কার।

রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল বলেন, বর্তমানে লিফট আমদানির ওপর উচ্চহারে শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর আরোপিত থাকায় সাধারণ ভোক্তা ও আবাসন শিল্পের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় শিল্প সুরক্ষার যুক্তি দেখিয়ে আমদানিকৃত আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন লিফটের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যার ফলে বহুতল ভবনে লিফট স্থাপনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতার ওপর বর্তেছে। ফলে মধ্যবিত্তের জন্য নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন ক্রমশ দূরবর্তী হয়ে যাচ্ছে। 

রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশের পরিকল্পিত নগরায়ণ, স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ এবং নিরাপদ অবকাঠামো উন্নয়নের স্বার্থে লিফট খাতের প্রতি সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াদুল হক, বেলিয়ার উপদেষ্টা এমদাদ উর রহমান, বেলিয়ার সহ-সভাপতি অসীম সরকার, বেলিয়ার পরিচালক মোহাম্মদ জাকিরুল হক এবং বেলিয়ার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মো. ইউসুফ নবী। 

বেলিয়ার নেতারা বলেন, লিফটের ওপর অযৌক্তিক শুল্ক আরোপের ফলে বহুতল ভবনে লিফট স্থাপনের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত আবাসনের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে নিম্নমানের ও রিকন্ডিশনড লিফট ব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়ছে, যা জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। 

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার লিফট খাতের যৌক্তিক দাবিসমূহ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, যা দেশের আবাসন, শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফ্যামিলি কার্ড অসচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে : ডিসি ফরিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্যামিলি কার্ড অসচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে : ডিসি ফরিদা
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফ্যামিলি কার্ড প্রতিটি অসচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। বুধবার (১৭ জুন) কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি৷ 

ডিসি ফরিদা বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম দূরদর্শী অঙ্গীকার হলো—ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক। এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমানে দেশে ২৩টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড এই বিচ্ছিন্ন সেবাগুলোকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার ভিত্তি তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা আর কেবল অনুদানভিত্তিক ব্যবস্থা নয়, বরং নাগরিকের ন্যায্য অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।