• ই-পেপার

‘দুদক অকার্যকর ও দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান’—নোয়াখালীতে মাহবুব উদ্দিন খোকন

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মানিক হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি পলাতক আসামির

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে মানিক হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি পলাতক আসামির

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শ্রমিক নেতা মানিক মিয়া হত্যা মামলাকে ‘মিথ্যা মামলা’ দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন মামলার এক পলাতক আসামি। ওই পোস্টে তিনি মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং নিজেকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেন, যা স্থানীয়ভাবে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

পলাতক ওই আসামির নাম আল ইমরান খান। তিনি গৌরীপুর থামায় দায়েরকৃত মানিক মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে একটি লেখা পোস্ট করে এই দাবি জানান আল ইমরান খান।

ফেসবুকের ওই পোস্টে আল ইমরান খান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে ভুয়া অপপ্রচার বন্ধ করে সত্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে গৌরীপুরবাসীকে সবকিছু জানানো হবে সে কথাও ফেসবুকের ওই পোস্টে  জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টের ওই লেখার সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিহত মানিক মিয়ার ভাই সুখ মিয়ার কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন এই পলাতক আসামি। 

ফেসবুক পোস্ট তিনি লিখেছেন- ‘মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই। মানিক মাদক ব্যবসায়ী জনরোসে না রোড এক্সিডেন্টে মৃত্যুবরণ করেছে তা আমরা জানি না। তার ভাই সুখমিয়া ও হীরা জুলাই হত্যা মামলার আসামি (তারা এখনো গ্রেপ্তার হচ্ছে না) পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র রফিকের সন্ত্রাসী বাহিনী অন্যতম ক্যাটার ছিল তারা। তারা এমন কোনো জঘন্য অপরাধ নাই তারা করেনি, মানিক মাদক ব্যবসায়ী অনেককেই মাসোয়ারা দিত, তারা কারা গৌরীপুরবাসী জানতে চায়, আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, ভুয়া অপপ্রচার বন্ধ করুন সত্য প্রকাশ করুন।

অবশ্যই সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে গৌরীপুরবাসীকে সবকিছুই জানানো হবে ইনশাআল্লাহুল আজিজ।’

এর আগে শ্রমিক নেতা মানিক মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয় সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, সদ্য বহিষ্কৃত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও গৌরীপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল ইমরান খানসহ নাম উল্লেখ করা ৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শোয়েব মুন্সী ও তার সহযোগীরা মানিক মিয়াকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে বেদম মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মানিক মিয়া গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পরপরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সী, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য আল ইমরান খান এবং গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হাসানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান ফেসবুক স্ট্যাটাস নজরে এসেছে এ নিয়ে কাজ করছি। অভিযুক্ত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিক্ষোভের মুখে গ্রামবাসীর জিম্মায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়ল পুলিশ

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
বিক্ষোভের মুখে গ্রামবাসীর জিম্মায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়ল পুলিশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নিষিদ্ধঘোষিত যুবলীগের নেতা রিপন সরকারকে (৪০) থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়েছেন গ্রামবাসী। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

রিপন উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের (পাটুলিপাড়া) ১ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ওই গ্রামের হাবিবুর সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে রিপনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর গ্রামের ৩ শতাধিক লোক থানার সামনে গিয়ে রিপনকে ছাড়াতে বিক্ষোভ করেন। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থানার সামনে থেকে সরিয়ে দেন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের শীর্ষ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে আলোচনায় বসেন। পরে রিপন সরকারকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

গ্রামের একটি সূত্র জানায়, টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী সড়কের ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাটুলিপাড়া গ্রামে একটি ছোট্ট বাজার রয়েছে। সেই বাজারে ইউনুস সরকার নামের এক ব্যক্তির ঘর পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা ভেঙে মাছের বাজার বসায়। এ ঘটনায় ইউনুস সরকার আদালতে রিপনসহ গ্রামের বাসিন্দাদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। রিপন সরকারের আটকের সঙ্গে এই ঘটনার সংযোগ থাকতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নিরপরাধ মানুষকে আটক করা মেনে নিতে পারেননি গ্রামের মানুষ। তাই দলমত নির্বিশেষে সবাই গ্রাম থেকে এসে বিক্ষোভ করেন। ফলে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আজম বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করা হয়েছিল। পরে গ্রামবাসীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফটিকছড়িতে ট্রলি উল্টে খাদে পড়ে কিশোর চালক নিহত, আহত ১

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
ফটিকছড়িতে ট্রলি উল্টে খাদে পড়ে কিশোর চালক নিহত, আহত ১
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মালবোঝাই ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে মিনহাজ (১৩) নামের এক কিশোর চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার সহকারী সাইম (১৪) আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াহাট বাজারসংলগ্ন কাশেম চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মিনহাজ স্থানীয় বাসিন্দা মনসুরের ছেলে। আহত সাইম একই ইউনিয়নের শাহনগর গ্রামের দারগ আলী তালুকদার বাড়ির ইয়াসিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় মিনহাজ ও সাইম নয়াহাট বাজার থেকে ডেকোরেশনের মালামাল বোঝাই করে একটি ট্রলিতে পাশের একটি বিয়েবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে উল্টে পড়ে যায়। এতে চালক ও তার সহকারী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত কর্তব্যরত চিকিৎসক মিনহাজকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাইমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রুমা আক্তার বলেন, ডেকোরেশনের মালামাল নিয়ে বিয়েবাড়িতে যাওয়ার পথে ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে কিশোর চালকের মৃত্যু হয়েছে।

ফটিকছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। কোনো অভিযোগ না থাকায় অনুমতি সাপেক্ষে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

শান্তি ও উন্নয়নের কেরানীগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই: আমান উল্লাহ আমান

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
শান্তি ও উন্নয়নের কেরানীগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই: আমান উল্লাহ আমান
ছবি: কালের কণ্ঠ

কেরানীগঞ্জকে শান্তি, উন্নয়ন ও মাদকমুক্ত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান। এ লক্ষ্যে জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেই সরকার কাজ করছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) কেরানীগঞ্জের চর ওয়াশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনের শিক্ষা ব্যবস্থার আদলে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ব্যাগ, স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করেছেন। শিক্ষা খাতে চলতি বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে তারেক রহমান জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার গঠনের পর সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই হেলথ কার্ডও চালু করা হবে।

তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন ও সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করেছিলেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করতে হলেও পরবর্তীতে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, শিক্ষা ছাড়া ভালো মানুষ হওয়া যায় না। তাই সবাইকে শিক্ষিত হতে হবে। আগামী ১ নভেম্বর চর ওয়াশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্বোধন করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের যেসব এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সেখানে নতুন বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। যেখানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই সেখানে হাইস্কুল এবং যেখানে কলেজ নেই সেখানে কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। অর্থের অভাবে যেন কেরানীগঞ্জের কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আমান বলেন, কেরানীগঞ্জে কোনো মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি কিংবা ভূমিদস্যুতা থাকতে দেওয়া হবে না। মাদক সব ধরনের অপরাধের মূল উৎস। এটি পরিবারকে ধ্বংস করে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রকে অকার্যকর করে তোলে। কেউ মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি বা ভূমিদস্যুতার সঙ্গে জড়িত থাকলে তিনি বিএনপির কর্মী হলেও তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, বাবুবাজার সেতু, ওয়াশপুর সেতু, হযরতপুরের আলিপুর সেতুসহ কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। কেরানীগঞ্জে এমন কোনো এলাকা নেই যেখানে রাস্তা-ঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়নি।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে পাঁচবার কেরানীগঞ্জের জনগণ তাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। একসময় কেরানীগঞ্জের ৯৫ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না, কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

আমান বলেন, কেরানীগঞ্জকে উন্নয়ন, শান্তি, মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি আধুনিক শহরে পরিণত করাই তার লক্ষ্য। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘অন্য কোনো দেশ নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।