• ই-পেপার

কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালকদের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০

তালা ভেঙে পটিয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
তালা ভেঙে পটিয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে গভীর রাতে তালা ভেঙে দুর্বৃত্তদের হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে পটিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ইদ্রিস মিয়া।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৪টার মধ্যে যেকোনো সময়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা দক্ষিণ ছনহরাস্থ ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে কার্যালয়ে থাকা চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের বাঁধানো ছবি ভাঙচুর করা হয়।

এ ছাড়াও কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরের পাশাপাশি একটি স্ট্যান্ড ফ্যান, প্লাস্টিকের চেয়ার এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগকারী মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, বিএনপি অফিসে চুরি ও ভাঙচুরের এ ঘটনা রাজনৈতিকভাবে কার্যালয়কে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয়রা বলছেন, রাতের আঁধারে এ ধরনের ঘটনা এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করা প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও মালামাল চুরির অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাতের আঁধারে কবরস্থানে অগ্নিসংযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

ফরিদপুর প্রতিনিধি
রাতের আঁধারে কবরস্থানে অগ্নিসংযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় একটি সামাজিক কবরস্থানে গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে গাছপালা ও কবরের ওপর গজিয়ে ওঠা ছনগাছ পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মোরাদ হোসেন তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল আলী যৌথভাবে আলফাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কুচিয়াগ্রাম-নওয়াপাড়া ঈদগাহ কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা কবরস্থানের ভেতরে আগুন দেয়। এতে কবরের ওপর জন্মানো ছনগাছ, ঝোপঝাড় ও কয়েকটি গাছ পুড়ে যায়। সকালে স্থানীয়রা কবরস্থানে গিয়ে আগুনে পোড়া বিভিন্ন অংশ দেখতে পান। পরে বিষয়টি কবরস্থান পরিচালনা কমিটিকে জানানো হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কবরস্থান একটি ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান। সেখানে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেওয়ার ঘটনা শুধু সম্পদের ক্ষতিই নয়, ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত করেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মোরাদ হোসেন তালুকদার বলেন, কবরস্থানের মতো পবিত্র স্থানে আগুন দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি।

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

নাইয়রে এসে মাছ ধরতে নেমে বিদ্যুৎস্পর্শ, প্রাণ গেল দম্পতির

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
নাইয়রে এসে মাছ ধরতে নেমে বিদ্যুৎস্পর্শ, প্রাণ গেল দম্পতির

পাবনার আতাইকুলা থানার কুচিয়ামোড়ায় শ্বশুরবাড়িতে নাইয়রে এসে সেচে মাছ ধরতে স্ত্রীসহ পুকুরে নামেন যুবক। পরে সেচপাম্পের মাধ্যমে পুরো পুকুর বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান ওই দম্পতি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৬টার দিকে কুমিয়ামোড়া বাজার এলাকার আবুল হোসেন চৌকিদারের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কুচিয়ামোড়া বাজার এলাকার আবুল হোসেন চৌকিদারের মেয়ে আশা পারভীন (২৫) ও তার মেয়ে জামাই সব্দুল শেখ (৪০)। সব্দুল সদর উপজেলার কৈজুরী শ্রীপুরের সাদেক শেখের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, স্ত্রী আশা পারভীনকে নিয়ে সব্দুল মঙ্গলবারই শ্বশুরবাড়িতে নাইয়রে আসেন। এসে বিকেলে বাড়ির পাশে শ্বশুরের ছোট্ট পুকুরে মাছ ধরার সিদ্ধান্ত নেন। পরে একটি মাঠ পাম্প (সেচ পাম্প) লাগিয়ে ওই পুকুর সেচ কার্যক্রম শুরু করে। এসময় পানি কিছুটা কমলে স্ত্রীকে নিয়ে মাছ ধরতে পুকুরে নামেন। এর এক পর্যায়ে সেচ পাম্পের মাধ্যমে পুরো পুকুর বিদ্যুতায়িত হলে সব্দুল ও আশা পারভীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের হাসপাতালে নিতে গেলে রাস্তায় দেখেন তারা মারা গেছেন। 

নাইয়রে এসে মাছ ধরতে গিয়ে দম্পতির এমন মৃত্যুতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ব্যাপারে আতাইকুলা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল মালেক জানান, আজকেই দুজন নাইয়রে এসেছিলেন। এসেই জোড়া লাশে পরিণত হলেন। বিষয়টি সবাইকে খুবই ব্যথিত করেছে। তাদের মরদেহ এখনো আবুল চৌকিদারের বাড়িতেই রয়েছে। ছেলের মরদেহ তাদের পরিবার নিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটিকে দাফনের কার্যক্রম চলছে।

এ ব্যাপারে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, একসঙ্গে এভাবে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিদ্যুৎ বা এ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো করা উচিত। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। এটি স্বাভাবিক কোনো মৃত্যু নয়। এক্ষেত্রে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হবে।

নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

গাইবান্ধায় চার উপজেলার ২৫ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় চার উপজেলার ২৫ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন
ছবি: কালের কণ্ঠ

গাইবান্ধায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা হ্রাস পেলেও অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। তিস্তা নদীর পানি গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার ৩ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও মঙ্গলবার বিকেলে গত ২৪ ঘণ্টায় কাউনিয়া পয়েন্টে ৪৩ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এখন পর্যন্ত গাইবান্ধায় কোনো নদ-নদীর পানিই বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

মঙ্গলবার পাউবোর দুপুরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ির তিস্তামুখ পয়েন্টে ১৯ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ২০ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৩০ সেন্টিমিটার ও করতোয়া নদীর পানি গোবিন্দগঞ্জের চকরহিমাপুর স্টেশন পয়েন্টে ৫৩ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৫৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এলাকা ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাইবান্ধার প্রধান নদ-নদীগুলোতে উজানের ঢল ও পানি বাড়া কমার সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। বসতভিটা, আবাদি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড নদ নদী তীরবর্তী জেলার চার উপজেলার অন্তত ২৫টি পয়েন্টে ভাঙনের কথা স্বীকার করেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা। গত এক সপ্তাহের অব্যাহত ভাঙনে সদর, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী সহস্রাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি। ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদী পাড়ের মানুষ।

ভাঙনকবলিত এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কালির খামার গ্রামের শখের বাজার, হরিপুর ইউনিয়নের চর চরিতাবাড়ী, রাঘব, চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর সীচা, কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার, কেরানির চর, মিন্টু মিয়ার চর ও বাদামের চর। এসব এলাকার দু’শ পরিবারের বসতভিটা ও দেড়’ শ বিঘা আবাদি জমি তিস্তা নদীতে ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে।

সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনজু মিয়া বলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লাল চামার ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানীর চর ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে। অব্যাহত ভাঙনে ২’শ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। শতাধিক বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

ফুলছড়ি উপজেলার ভাঙনকবলিত এলাকার মধ্যে রয়েছে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের বালাসীঘাট, রসুলপুর, উড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর, ফজলুপুর ইউনিয়নের মধ্য ও দক্ষিণ খাটিয়ামারীর চর ও চর চৌমোহন।

চর চৌমোহনে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে ইতোমধ্যে অন্তত দু’শ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে চৌমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চার’শ বিঘা আবাদি জমি ও বিপুল সংখ্যক গাছপালা। ভাঙনের শিকার নরনারী ঘরবাড়ির টিন কাঠ ও আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামেও নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ফজলুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনছার আলী মন্ডল বলেন, পানি বাড়তে শুরু করার পর এলাকার মধ্য ও দক্ষিণ খাটিয়ামারীর চর ও চর চৌমোহনসহ বেশ কিছু এলাকার ৫’শ থেকে ৭’শ পরিবার নদী ভাঙনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারিয়েছে। উড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা বলেন, নদীতে পানি বাড়া কমার এই সময়ে রতনপুরে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সদর উপজেলার মোল্লারচর ইউনিয়নের সিধাইল এলাকায় ভাঙনে এর মধ্যে ২০ থেকে ৩৫ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। ভাঙনের মুখে আছে আরও অনেক পরিবার। ভাঙনের মুখে স্থানীয় সিধাইল কওমি মাদরাসার দু’টি ঘর সরিয়ে নিতে হয়েছে। বিপদের মুখে আরও দুটি ঘর দ্রুত না সরাতে পারলে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে হারিয়ে যাবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম কালের কন্ঠকে বলেন, জেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চল ও চরাঞ্চলে ২০ থেকে ২৫টি স্পটে ভাঙন শুরু হয়েছে। রিপোর্ট পাঠানোর পর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ করা হচ্ছে।

এদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা মঙ্গলবার ভাঙ্গন কবলিত দক্ষিন রসুলপুরএলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানকার অসহায় মানুষদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন। তিনি গৃহহীন এক নারীকে আর্থিক সহায়তা ও শুকনো খাবার দেন।