• ই-পেপার

স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে লুট, র‍্যাব পরিচয়ধারী চক্রের ৫ সদস্য আটক

দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সরকার কঠোর : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সরকার কঠোর : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
নান্দাইলে উপজেলা পরিষদ হল রুমে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি : কালের কণ্ঠ

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে বর্তমান সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক নেতার নাম ভাঙিয়ে কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার। সেই লক্ষ সামনে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এগিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা হলরুমে জি আর চাল, দুস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে মানবিকতা উঠে গিয়েছে। এখন আর সম্মানিতদের সম্মান করা হয় না, যে যার মতো চলছে। এই অভ্যাস দূর করতে হবে। এই জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তা ছাড়া আমার মন্ত্রণালয় থেকে অনেক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার রোধে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে আমাদের যে মানবিক আচরণ, মুরুব্বিদের প্রতি, ছোটদের প্রতি এমনকি পশুপাখিদের প্রতি যে আচরণ করা হতো তা হারিয়ে যাচ্ছে। আগে রাস্তা দিয়ে কেউ গেলে সালাম-ভদ্রতা দেখাতাম। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে বা যানবাহন বা প্লেনে গেলে দেখতাম সিনিয়রদের বসার জায়গা করে দিতে। অথবা চেয়ারটা এগিয়ে দিতে। এখন সব বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় আমাদের সরকার বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শিশু থেকে যুবক-যুবতীর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে অনেক ধরনের পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন তথ্য চিত্র  ভিডিওর মাধ্যমে বড় পর্দা ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তা প্রচার করা।

তিনি বলেন, আগে দেখেছি পরিচিত লোক বা প্রতিষ্ঠানে এমনকি রাজনীতি বিবেচনায় সহায়তা করা হতো। এখন সহায়তা করা হবে প্রাপ্য যারা তাদের। এখন সড়ক করা হবে ইট বিছানো। কাঁচা রাস্তায় অযথা টাকা ব্যয় করা হবে না। এখন আর কোনা কমিশন দিয়ে কাউকে কাজ করতে হবে না। কাউকে চাঁদা দিতে হবে না। সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা থাকবে। সরকারের সব উন্নয়নে জনগণকে পাশে থাকতে হবে। সরকার চায় যে যার জায়গা থেকে সরকারকে সহযোগিতা করতে।

তিনি বলেন, নান্দাইলের উন্নয়নে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায় ক্রমে সব ক্ষেত্রেই উন্নয়ন হবে। এই জন্য দরকার সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নান্দাইল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা কৃষি বিভাগ আয়োজিত দিনব্যাপি ফল মেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি পৌরসভার আমোদাবাদ মহল্লার একটি সড়কে তাল গাছ রোপণ করেন।

কেরানীগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
প্রতীকী ছবি

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ৫০০ টাকার বিনিময়ে বন্ধুকে ‘আব্বা’ ডাকতে বলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে ইমন (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ মে) সকালে শুভাঢ্যা ইউনিয়নের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত আরাফাত হোসেন রবিউলকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ইমন ও তাঁর বন্ধু আরাফাত হোসেন রবিউল (২৫) নদীপথে ঢাকার সদরঘাট এলাকায় ঘুরতে যান। ঘোরাঘুরি শেষে নৌকাযোগে নিজ এলাকায় ফেরার পথে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে এলাকায় ফিরে রবিউল ইমনকে ছুরিকাঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ইমনকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। নিহত ইমনের বাড়ি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায়। অভিযুক্ত রবিউলও একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল দাবি করেছেন, সদরঘাট থেকে ফেরার পথে ইমন মজা করে তাকে ৫০০ টাকার বিনিময়ে ‘আব্বা’ ডাকতে বলেন। এ বিষয়টি নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে সেই বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, অভিযুক্ত রবিউল থানার হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

নারায়ণগঞ্জে সিএনজি-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত ৫

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে সিএনজি-প্রাইভেট কার সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত ৫
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সিএনজি অটোরিকশা ও প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে সিনথিয়া রহমান হুমাইরা (৬) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা-মাসহ আরো পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১০টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি আন্ডারপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিনথিয়া রহমান হুমাইরা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার মো. আশিকুর রহমান শামীমের মেয়ে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ঢাকামুখী একটি সিএনজি অটোরিকশাকে একই দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি প্রাইভেট কার সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে এতে থাকা শিশু হুমাইরা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এসময় তার মা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক, নিহত শিশুর বাবা-মাসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান জানান, প্রাইভেট কারটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর গাড়িটির চালক পালিয়ে যান।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে পর্যটন সম্পদে রূপান্তর করা হবে : পর্যটনমন্ত্রী

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, মৌলভীবাজার
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে পর্যটন সম্পদে রূপান্তর করা হবে : পর্যটনমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। একই সঙ্গে কমিউনিটি-বেইজড ট্যুরিজম, ইকো-ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটনের প্রসারে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি শুধু প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা পর্যটন সম্পদে রূপান্তরিত হবে।

শুক্রবার (১৯ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুলছড়া চা বাগান মাঠে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শ্রীমঙ্গল শুধু চায়ের রাজধানী নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঞ্চল। এখানে এবং এর আশপাশে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্পকলা ও জীবনধারা জাতীয় সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ ও বর্ণিল করেছে।

তিনি বলেন, ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ একদিন আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হবে। এটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়; বরং সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। এবারের উৎসবে দেশের ২৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অংশ নিয়েছে, যা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক অনন্য উপস্থাপনা।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ধর্ম, বর্ণ কিংবা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নেই। সব জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়ন এবং তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের প্রকৃত শক্তি তার বৈচিত্র্যের মধ্যেই নিহিত।

আগামী বছর শীত মৌসুমে ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ আরো বৃহৎ, নান্দনিক ও আকর্ষণীয় পরিসরে আয়োজনের আশা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এতে দেশ-বিদেশের আরো বেশি পর্যটক ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মোল্লা।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল এবং পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুর রউফ, এনডিসি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (যুগ্মসচিব) সালেহা বিনতে সিরাজ, উপপরিচালক মুহিবুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহিবুল্লাহ আকনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে ফিতা কেটে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অতিথিদের সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারা তুলে ধরার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গলে দ্বিতীয়বারের মতো ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এ উৎসব আগামী ২১ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে।