• ই-পেপার

রংপুর

হাঁড়িভাঙার বাজারজাত শুরু, চাষিরা চান কোল্ড স্টোরেজ

‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি
ছবি: কালের কণ্ঠ

যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণসই সম্বলিত এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

স্মারকলিপি পেশকালে কমিটির নেতারা উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো-যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) নির্মাণ এবং মাঝখানের স্থায়ী চরে ২০ ফুট উঁচুতে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন। চরের উর্বর মাটিতে উৎপাদিত মরিচ, পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন রবি শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং স্থানীয় বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সর্বাধুনিক ‘কৃষিভিত্তিক ইপিজেড’ গড়ে তোলা। যমুনার বিশাল চরাঞ্চল ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত ‘চর ট্যুরিজম’ বা আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

স্মারকলিপি দেওয়া শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্মারকলিপি পেশ ও গণদাবি আদায়ের সমাবেশে নেতৃত্ব দেন এবং বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, ফুলছড়ি গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ার ম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু এবং জাহাঙ্গীর আলম।

সমাবেশে নেতারা বলেন, ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুটটি পুনরায় পুরোদমে চালু করা এখন সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে। 

চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ

জাহাজভাঙা শিল্প মালিকদের নিরাপত্তা চেয়ে বিএসবিআরএর আবেদন

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
জাহাজভাঙা শিল্প মালিকদের নিরাপত্তা চেয়ে বিএসবিআরএর আবেদন
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিপব্রেকিং ইয়ার্ড মালিকের গাড়ির গতিরোধ করে চাঁদা দাবি ও কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যান্ড শিপ রি-সাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)। এ ঘটনায় জাহাজভাঙা শিল্পের মালিকদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৫ জুন) বিএসবিআরএর ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাজমুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই আবেদনপত্র পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।

আবেদনে বলা হয়, বিএসবিআরএর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিল্প ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি সংগঠনের সদস্য প্রতিষ্ঠান বিওবি রিসাইক্লার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম নুরুন নবী মানিক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হামলার শিকার হয়েছেন, যা ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

বিএসবিআরএর দাবি, এ ধরনের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনা শিল্প খাতের জন্য হুমকি এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তাই ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনের তথ্যমতে, গত শনিবার সন্ধ্যায় সোনাইছড়ি সাগরপাড় এলাকায় অবস্থিত বিওবি রিসাইক্লার্স শিপইয়ার্ড থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে ফেরার পথে খোঁজারপাড়া এলাকায় এস এম নুরুন নবীর গাড়ির গতিরোধ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি দল তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

এ সময় বিষয়টি দেখতে এগিয়ে এলে বিওবি রিসাইক্লার্স শিপইয়ার্ডের পাবলিক রিলেশনস অফিসার মো. আলমগীর হোসেন, পরিচালক নাজমুল হুদা, ভূমি কর্মকর্তা অহিদুর রহমান এবং ইয়ার্ড ম্যানেজার সাহাবউদ্দিনের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর ওই রাতেই মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সীতাকুণ্ডের মধ্য সোনাইছড়ি বক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক বনায়নের

১৫ বছর ধরে পরিচর্যা করা গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
১৫ বছর ধরে পরিচর্যা করা গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন
সংগৃহীত ছবি

জয়পুরহাটের কালাই পৌর এলাকায় সামাজিক বনায়নের আওতায় লাগানো আটটি পরিণত ইউক্যালিপটাস গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে এক চাতাল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্তনকৃত গাছের অবশিষ্টাংশ জব্দ করে এবং অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কালাই পৌরসভার মূলগ্রাম-হাটশেখা সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪-১৫ বছর আগে বন বিভাগের সহযোগিতায় রূপায়ণ কৃষক সমবায় সমিতির সুফলভোগীরা সামাজিক বনায়নের আওতায় রাস্তার দুই পাশে ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার পর গাছগুলো বর্তমানে বিক্রয়যোগ্য অবস্থায় পৌঁছেছে।

অভিযোগ রয়েছে, কালাই পৌরশহরের মূলগ্রাম-হাটশেখা সড়কের পাশে নিজের বাড়ি ও অটোরাইস মিল সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার ধারে থাকা আটটি ইউক্যালিপটাস গাছ সোমবার সকালে কেটে ফেলেন চাতাল ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম। গাছ কাটার পর দ্রুত ট্রাকে করে অধিকাংশ কাঠ সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা গাছের গুঁড়ি দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবশিষ্ট গাছের গুঁড়ি জব্দ করেন। অভিযুক্ত শামসুল ইসলামকে না পেয়ে তাঁর ছেলে গোলাম রব্বানীকে কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, কর্তনকৃত গাছগুলোর মূল্য এক লাখ টাকারও বেশি।

রূপায়ণ কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি রেজাউল ইসলাম বলেন, গাছগুলো সমিতির সুফলভোগীদের। প্রায় ১৫ বছর ধরে পরিচর্যা করার পর বিক্রির উপযোগী হয়েছে। অথচ একতরফাভাবে গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে অভিযুক্তের ছেলে গোলাম রব্বানী দাবি করেন, জমি ও গাছ উভয়ই তাদের মালিকানাধীন। এ কারণেই তারা গাছ কেটেছেন। মালিকানার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালাই বনবিভাগের বন প্রহরী ইয়াসির আরাফাত বলেন, সামাজিক বনায়নের গাছের দৈনন্দিন তদারকি বন বিভাগের দায়িত্ব নয়। তবে বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের অবশিষ্টাংশ জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গাছ সরানো বা নতুন করে কোনো গাছ কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর রিকশাচালক নকিরের পরিবারের মুখে হাসি

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার,রাজশাহী
কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর রিকশাচালক নকিরের পরিবারের মুখে হাসি
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের একদিনের মধ্যেই সহায়তা পেলেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও বিছানাবন্দি রিকশাচালক মো. নকির (৭৫)। তার জন্য একটি হুইলচেয়ার ও একটি বৈদ্যুতিক ফ্যানের ব্যবস্থা করেছে রাজশাহী মানবিক ফাউন্ডেশন।

গতকাল রবিবার (১৪ জুন) কালের কণ্ঠে ‘হুইলচেয়ারের জন্য ৬ বছরের অপেক্ষা, বিছানাবন্দি রাজশাহীর রিকশাচালক নকির’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে রাজশাহী মানবিক ফাউন্ডেশনের সদস্যদের। পরে তারা দ্রুত নকিরের পরিবারের পাশে দাঁড়ান।

জানা যায়, দীর্ঘ ছয় বছর ধরে এক হাত ও এক পা প্যারালাইসিস হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন মো. নকির। জীবনের প্রায় পাঁচ দশক রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন এবং দুই সন্তানকে বড় করেছেন। কিন্তু বার্ধক্য ও অসুস্থতার সময়ে একটি হুইলচেয়ারের অভাবে চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল তার জীবন।

রাজশাহী মানবিক ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, সংবাদটি দেখার পর তারা দ্রুত যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করেন। প্রাথমিকভাবে নকিরের জন্য একটি হুইলচেয়ার ও একটি বৈদ্যুতিক ফ্যান দেওয়া হয়েছে।

হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত নকিরের স্ত্রী হাসনা বানু বলেন, গতকাল কালের কণ্ঠের একজন সাংবাদিক এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলে যান। এরপর আজ কয়েকজন এসে আমার স্বামীর জন্য একটি হুইলচেয়ার ও একটি ফ্যান দিয়ে গেছেন। তারা আমাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন। 

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেকের কাছে একটি হুইলচেয়ারের জন্য বলেছি, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। সংবাদটি প্রকাশ না হলে হয়তো আমরা কখনো এই সহায়তা পেতাম না।

স্থানীয়দের দাবি, হুইলচেয়ার পাওয়ার মাধ্যমে নকিরের চলাচলের সমস্যা কিছুটা দূর হলেও পরিবারের সামগ্রিক দুর্দশা এখনো কাটেনি। তাদের বসতঘরটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে, ফলে পরিবারকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ভাঙাচোরা টিনের চাল দিয়ে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ে এবং ঘরের উচ্চতাও বেশ নিচু হওয়ায় বসবাস করা কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা আরো জানান, বর্ষাকালে শুধু পানি নয়, মাঝেমধ্যে সাপও ঘরে ঢুকে পড়ে। এতে পরিবারটি সব সময় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটায়। তারা নকিরের পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, রাজশাহী মানবিক ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। করোনাকালে সংগঠনটি বিনা মূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সেবা প্রদান করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচির পাশাপাশি বিনা মূল্যে অ্যাম্বুল্যান্স সেবাও চালিয়ে যাচ্ছে।