• ই-পেপার

এসিআই প্রপার্টিজের ডিজিটাল প্রপার্টি সেবা প্ল্যাটফর্ম ‘সেরেনো লেভান্দে’ উদ্বোধন

আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির সূচনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির সূচনা

আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির সূচনা: কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে ঢাকা লা মেরিডিয়ান হোটেলে ।

বৈশ্বিক মানবসম্পদ বিকাশের লক্ষ্যে আজু মোটর কলেজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচি’ চালু করেছে। এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিনিময় ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার (১৭ জুন) আজু মোটর কলেজের আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তরের ডিন কওনসে কিম এবং একই দপ্তরের পরিচালক তেহিয়ং কিম ঢাকার লে মেরিডিয়ান হোটেলে এক বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করেন।

এই সেমিনার শিক্ষার্থী ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য কোরিয়ায় অধ্যয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানার একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।

কোরিয়ান কানেক্ট-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সম্ভাব্য শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা-পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ প্রায় ৯০ জন অংশগ্রহণকারি যোগ দেন। অনুষ্ঠানটি কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও পেশাজীবন গড়ে তোলার প্রতি বাংলাদেশি তরুণদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসাবে প্রতীয়মান হয়।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কোরিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা, ভর্তি প্রক্রিয়া, শিক্ষার্থী ভিসার প্রয়োজনীয়তা, বৃত্তির সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য প্রদান করা হয়। বিশেষভাবে আজু মোটর কলেজের শিল্পমুখী পাঠক্রম ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরিবর্তনশীল অটোমোটিভ ও মোবিলিটি খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

বাংলাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত কিছু খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। একই সঙ্গে তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখার পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

দারাজ কর্তৃপক্ষের মতে, সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার কিংবা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশজুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।

গত এক বছরে দারাজের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই বিক্রেতাদের ব্যবসার বিকাশের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিগত ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল দারাজ। বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারির মাধ্যমে এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।

দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশ দারাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করি, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।’

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দারাজ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে কাজ করছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনাও প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ স্কাউট ভবনের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুল হক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের ট্রেজারার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল।

ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মইনুদ্দিন মাসুদ, তানভীর হাসনাইন মঈন, উপমহাব্যবস্থাপক মো. মনিরুজ্জামান, এস এম রোকনুজ্জামান, মো. আনিছুর রহমান, মো. আবদুল মান্নান মিয়া, স্কাউটসের যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক আবুল হাসনাত মো. মুহসিনুল ইসলাম, ও মো. রুহুল আমিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ স্কাউটসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ রূপালী ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদ ও সহজ শর্তে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় হবে এবং স্কাউটসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক সেবাপ্রাপ্তি আরো সহজতর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা জোরদার

‘প্লাস্টিকপাথ’ ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
‘প্লাস্টিকপাথ’ ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন

বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা এবং সামুদ্রিক পরিবেশে প্লাস্টিক বর্জ্য দূষণ প্রতিরোধে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই) এবং জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো)-এর যৌথ কারিগরী সহায়তায় চলমান প্রকল্প “ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচ টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল প্লাস্টিকস ইউজ অ্যান্ড মেরিন লিটার প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ”-এর আওতায় নির্মিত ‘প্লাস্টিকপাথ’ (PlasticPath) ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ পরিবেশ অধিদপ্তরের আগারগাঁও কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ওয়েবসাইট ও মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন প্লাটফর্মটি উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ রায়হান কাওসার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। এ সময় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাঙ্গন, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ, প্লাস্টিক রিসাইকেল এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

‘প্লাস্টিকপাথ’ বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনাকে এগিয়ে নিতে একটি জাতীয় জ্ঞান, সম্পৃক্ততা ও কার্যক্রমভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, গবেষণা, কারিগরি নির্দেশিকা, শিক্ষামূলক উপকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত তথ্য সহজেই জানতে পারবেন। পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপটি ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল প্লাস্টিক দ্রব্য ব্যবহার এবং জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করবে।

প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর আওতাভুক্ত ফরম-১ এবং ফরম-২-এর ডিজিটাল সংযুক্তিকরণ। এর মাধ্যমে তথ্য প্রতিবেদন, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয় কার্যক্রম আরো নিখুঁত, দক্ষ ও কার্যকর হবে। দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক ও সর্বসাধারণের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে প্ল্যাটফর্মটিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সঙ্গেও সংযুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইউনিডো বাংলাদেশের জাতীয় বিশেষজ্ঞ (কমিউনিকেশন) রামিসা রহমান প্লাস্টিকপাথের উন্নয়ন যাত্রা পরিক্রমা তুলে ধরেন এবং ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের বিভিন্ন কার্যক্রম প্রদর্শন করেন। এ ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন প্ল্যাটফর্মটির ডিজিটাল রিপোর্টিং সুবিধা উপস্থাপন করেন এবং ফরম-১ ও ফরম-২ সংযুক্তিকরণের কার্যপ্রক্রিয়া প্রদর্শন করেন, যা স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রিপোর্টিং-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর হবে।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ রায়হান কাওসার প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অংশীজনদের মধ্যে আরো শক্তিশালী সহযোগিতার ও সক্রিয় সংশ্লিষ্টতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‘প্লাস্টিকপাথ’ বাংলাদেশে ডিজিটাল পরিবেশগত সুশাসন জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি উন্নততর রিপোর্টিং, পর্যবেক্ষণ এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে নাগরিকদের জন্য এটি তথ্য, শিক্ষা ও সম্পৃক্ততার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে তারা প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হতে পারবেন, পরিবেশবান্ধব বিকল্প সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উদ্যোগে  সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এই উদ্যোগটি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচ টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল প্লাস্টিকস ইউজ অ্যান্ড মেরিন লিটার প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ” প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটি ইউনিডো’র কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ঢাকাস্থ রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।