• ই-পেপার

জামেয়া দারুল মা‘আরিফের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

বুড়িগঙ্গায় মিলল নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বুড়িগঙ্গায় মিলল নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা ব্রিজসংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদী থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে রিভার পুলিশ। রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম দ্বীপ মজুমদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের ৫০তম ব্যাচের (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য মতে, মরদেহে পচন ধরেছিল। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর ঘটনা অন্তত এক থেকে দুই দিন আগে ঘটেছে।

নিহতের পরিবার ও সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে দ্বীপ বাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল এবং পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় শনিবার সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

রিভার পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে—এমন সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে দ্বীপ মজুমদারের আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যুতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সহপাঠী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণবিজ্ঞপ্তি কখন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণবিজ্ঞপ্তি কখন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনেতার প্রশ্নে জানতে চান, তার এলাকায় সরকারি এবং এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট কতটি শিক্ষকের শূন্য পদ রয়েছে। এনটিআরসিএর মাধ্যমে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই শূন্য পদগুলো পূরণে বিশেষ কোনো অগ্রাধিকার বা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব পদে নিয়োগের জন্য দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

তিনি জানান, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শূন্য পদের তালিকা প্রস্তুত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানোর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। 

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ার আওতায় ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট ৪১ হাজার ৬২৭ জন এবং ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি ১১ হাজার ৭১৩ জনসহ মোট ৫৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষককে দেশের বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) এলাকার শূন্যপদগুলোও জাতীয় মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। চলমান নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ‘অত্যন্ত জরুরি’ নির্দেশনা বোর্ডের

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ‘অত্যন্ত জরুরি’ নির্দেশনা বোর্ডের
ফাইল ছবি

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাতেও সব কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির মধ্যে রাখা হবে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি ক্যামেরার আইডি, পাসওয়ার্ড, ক্যামেরার ব্র্যান্ড, ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বোর্ড।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষা কেন্দ্রকে অনুরোধ করা হয়েছে।

সিসিটিভির ডিভিআর ও এনভিআরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২১ জুনের মধ্যে এসব তথ্য বোর্ডে পাঠাতে বলা হয়েছে।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর সিসিটিভি ব্যবস্থার কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ডিভিআর ও এনভিআরের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ড, ক্যামেরার ব্র্যান্ড এবং ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী ২১ জুন এর মধ্যে [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ই-মেইলের বিষয় হিসেবে ‘CCTV EIIN Number’ লিখতে হবে। উদাহরণ হিসেবে ‘CCTV 888888’ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজেদের ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

আইনি জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আইনি জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

বর্তমানে শিক্ষা খাতে প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আইনি জটিলতার কারণেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষা খাতের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও আইনি জটিলতার কারণে অনেক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। 

রবিবার (১৪ জুন) সকালে রাজধানীর বনানীতে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

 

শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার রোধে স্কুল ইউনিফর্ম ও মিড-ডে মিলসহ নানা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানেও বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে।

বিগত সব সময়ের তুলনায় বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অতীতের সব সময়ের চেয়ে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে, যা মোট বাজেটের ২ শতাংশ। তবে আমাদের ‘লার্নিং আউটকাম’ বা শিক্ষার ফল এখনও সন্তোষজনক নয়। আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে কাজ করছি। দেশের কোথাও বাল্যবিয়ে বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।