মিরপুর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে কাফরুল থানা মহিলা লীগ সভাপতি রোকেয়া জামালকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২২ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
সাবিনা আক্তার তুহিনকে তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. সোহেল সৌরভ আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তারের আবেদন করেন। রোকেয়া জামালকে মিরপুর মডেল থানার আরেক উপপরিদর্শক মো. কবির হোসেন আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন তাদের গ্রেপ্তারের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে উভয় আসামির গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন।
সাবিনা আক্তার তুহিনের গ্রেপ্তারের আবেদন অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আগস্টের ৪ তারিখ মিরপুর ১৪ নম্বর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পৌঁছালে মামলার বাদী গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অজ্ঞাতনামা ৪০০/৫০০ জনের নামে মামলা করা হয়। ওই মামলার সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হল।
রোকেয়া জামালের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন অনুযায়ী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিরপুর ১০ এ গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. শাকিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ওই ঘটনায় শাকিলের বাবা বাদী হয়ে মূল আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনের নামে মামলা করেন। ওই মামলার সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে রোকেয়া জামালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। উভয় আসামিকে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তারা।




