ঢাকার তুরাগ নদের পৃথক স্থান থেকে দুজনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পৃথক দুই থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, তুরাগ নদে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন।
যাদের লাশ উদ্ধার হয়েছে তারা হলো—সুমন আহমদ (১৭) ও আরিফুল ইসলাম আরিফ (২২)।
দারুস সালাম থানার ওসি মো. দুলাল হোসেন কালের কণ্ঠকে, ‘পরশু দিন (২৫ জুন) আমিনবাজার নৌ পুলিশ তুরাগ নদ থেকে আরিফুল ইসলাম আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে। লাশের ময়নাতদন্ত নৌ পুলিশই করেছে। লাশ দেখে মনে হয়, দুই থেকে তিন দিন আগের। এ ঘটনায় দারুস সালাম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ তারিখ রাতে আমরা সুমন আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করি। মাঝনদীতে উপুড় হয়ে ভেসে ছিল লাশ। তাঁর কাছে মোবাইল ফোন ছিল, মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তাঁর পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হলে তারা এসে মরদেহ শনাক্ত করে। পরে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভিকটিমের ভাই জানিয়েছেন, গত ২২ তারিখে তাঁর ভাইকে স্থানীয় কিছু লোক পিকনিকের কথা বলে নিয়ে যায়। নৌকায় করে যাচ্ছিলেন তাঁরা। পরে নৌকা থেকে তাড়াহুড়া করে পারে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। তাঁরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাননি। তবে কোন এলায় পড়ে গেছিলেন সেটা জানি না।’
এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।



