আয়াতের অর্থ
‘তারা যে জনপদ থেকে তোমাকে বিতাড়িত করেছে তা অপেক্ষা অতি শক্তিশালী কত জনপদ ছিল; আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছি এবং তাদের সাহায্যকারী কেউ ছিল না।...মুত্তাকিরা কি তাদের মতো যারা জাহান্নামে স্থায়ী হবে এবং যাদের পান করতে দেওয়া হবে ফুটন্ত পানি, যা তাদের নাড়িভুঁড়ি ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দেবে?’ (সুরা : মুহাম্মদ, আয়াত : ১৩-১৫)
আয়াতগুলোতে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
শিক্ষা ও বিধান
১. মক্কার মুশরিকদের দুর্ভাগ্য হলো তারা সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল পেয়েও তাঁর বিরোধিতা করেছে। আর তাদের সৌভাগ্য হলো তারা রহমতের নবীর অসিলায় আসমানি শাস্তি থেকে রক্ষা পেয়েছে।
২. আয়াত দ্বারা সাধারণ মানুষের ওপর আলেমদের সর্বজনীন মর্যাদা প্রমাণিত হয়।
৩. ইলম তথা ধর্মীয় জ্ঞান মানুষকে আল্লাহর পরিচয় লাভ, শরিয়তের আনুসরণ, পাপ ও প্রবৃত্তির আনুগত্য পরিহারে সাহায্য করে।
৪. আল্লাহ নমুনা হিসেবে কিছু জান্নাতি খাবার দুনিয়ায়ও রেখেছেন। যেমন—দুধ ও মধু। পার্থক্য হলো দুনিয়ার খাবারের স্বাদ. গুণ ও বৈশিষ্ট্য নষ্ট ও পরিবর্তন হয়, কিন্তু জান্নাতি খাবারের স্বাদ ও গুণ সব সময় অটুট থাকে।
৫. হাদিসে এসেছে, আল্লাহ জান্নাতিদের উদ্দেশে বলবেন, ‘আমি তোমাদের জন্য আমার চিরস্থায়ী সন্তুষ্টি ঘোষণা করছি। আমি আর কখনো তোমাদের প্রতি ক্ষুব্ধ হবো না।’
(তাফসিরে সাদি, পৃষ্ঠা-৭৮৬)


