• ই-পেপার

শিক্ষার্থীরা মাঠে মেতে ওঠে ফুটবল খেলায়

উক্তি

উক্তি

চীনের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক থাকবে, তেমনি অন্যান্য দেশের সঙ্গেও থাকবে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এইচএসসির প্রথম দিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সব বোর্ডে সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ১১ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এবার ছাত্রের সংখ্যা ছয় লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ছয় লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। অর্থাৎ ছাত্রের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এবার দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৯টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে এক লাখ সাত হাজার ৯৬৪ জন। বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি তিন লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যেদিন পরীক্ষা থাকবে না, সেদিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।

সচিব আরো জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে দেশের সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে বডি অন ক্যামেরা থাকবে। প্রশ্নপত্র সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ায় বা ফাঁসের চেষ্টা করে, তবে সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। কেন্দ্রে যেকোনো অনিয়মের জন্য কেন্দ্র সচিব ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে যেমন সচেতন, তেমনি খাতা দেখার ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থানে আছি। অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পর উত্তরপত্র মূল্যায়নে ট্রেনিং দেওয়া হবে। আবার একজন শিক্ষক আগে যেমন অনেক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতেন বা খাতা দেখতেন; সেটা কম দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছি। আগে খাতা পুনর্মূল্যায়নে শুধু নম্বর গোনা হতো; এখন তা হবে না। প্রকৃতপক্ষেই পুনর্মূল্যায়ন হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল যুগে এখন প্রশ্নপত্র হ্যাকিং হচ্ছে। এবার তো ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে। কিন্তু আমাদেরটা হয়নি। প্রশ্নফাঁসের ক্ষেত্রে আমাদের যে দুর্বলতা তা কমানোর চেষ্টা করেছি।

তথ্যমন্ত্রী

সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা জরুরি
জহির উদ্দিন স্বপন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক যুগে নিরাপত্তার সনাতন ধারণা গুণগতভাবেই পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখন কোনো বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিন্দুক পাহারা দেওয়ার চেয়ে তার কম্পিউটারকে হ্যাকারমুক্ত রাখা এবং হাজার মাইলের সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক বেশি জরুরি।

গতকাল বুধবার ঢাকার খিলগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মিডিয়া সেল প্রান্তিক কণ্ঠস্বর-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাজ্জাদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ কেবলই সমরাস্ত্রের বিষয় নয়, যোগাযোগ কেবলই মানুষের কণ্ঠস্বর বিনিময় করা নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিল চুরির ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে কিভাবে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

মন্ত্রী বাহিনীর ৬০ লাখ জনবলকে প্রচলিত ধারণায় আটকে না রেখে সময়োপযোগী ও আধুনিক চিন্তার মাধ্যমে দেশের কাজে লাগানোর এই উদ্ভাবনী প্রয়াসের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনার একটি বড় অংশ হবে আনসার বাহিনীর তৈরি এই প্রান্তিক কণ্ঠস্বর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। অ্যানালগ ও ডিজিটাল পদ্ধতির পার্থক্য বুঝতে পেরে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে ডিজিটাল লিডারশিপ গ্রহণ করার জন্য বাহিনীর নেতৃত্বের প্রতি তিনি সাধুবাদ জানান।

প্রান্তিক কণ্ঠস্বর প্ল্যাটফর্মটিকে অন্যান্য সরকারি দপ্তরের জন্য একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তথ্যমন্ত্রী।

হাবিবুর রশিদ বলেন, আজকের আয়োজন কেবল একটি মিডিয়া সেলের উদ্বোধন নয়; বরং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্য ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে আরো আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করার নতুন সূচনা। এই উদ্যোগ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাহিনীর ভূমিকা আরো সুদৃঢ় করবে এবং সরকারের আস্থাশীল অংশীদার হিসেবে বাহিনীর কার্যক্রমকে নতুন মাত্রা দেবে।

সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, আনসার ও ভিডিপির বিশাল জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সরকারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরো সুসংগঠিত ও গতিশীলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর সদস্যদের অবদান, প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম, সাফল্যের গল্প এবং বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।

 

বিবিএসের পরিসংখ্যান

কমছে ধানের আবাদ বাড়ছে তামাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
কমছে ধানের আবাদ বাড়ছে তামাকের

দেশের কৃষিতে নীরবে বদলে যাচ্ছে আবাদচিত্র। একদিকে যেমন কমছে খাদ্যশস্য ধানের আবাদ, অন্যদিকে ক্রমে বাড়ছে তামাক চাষের পরিধি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ ফসল পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরে আউশ ও আমনদুই মৌসুমেই ধানের আবাদ কমেছে। বিপরীতে একই সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তামাকের আবাদ। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লাভজনক বাজার, চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন এবং কম্পানিগুলোর সক্রিয় তৎপরতার কারণে অনেক কৃষক খাদ্যশস্যের পরিবর্তে তামাক চাষে ঝুঁকছেন। তবে এই প্রবণতা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

বিবিএস প্রকাশিত ফসল পরিসংখ্যান ও কৃষি শ্রমের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আউশ ধানের আবাদ হয়েছিল ২৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯১৬ একর জমিতে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫১৬ একরে। অর্থাৎ দুই অর্থবছরের ব্যবধানে আউশের আবাদ কমেছে দুই লাখ ২১ হাজার ৪০০ একর।

একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে আমন ধানের ক্ষেত্রেও। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আমনের আবাদ হয়েছিল এক কোটি ৪২ লাখ ১০ হাজার ৯৫ একর জমিতে। সর্বশেষ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে এক কোটি ৩৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪২ একর। প্রায় তিন লাখ ৪৩ হাজার একর জমিতে আমনের আবাদ কমেছে।

অন্যদিকে তামাক চাষে উল্টো প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে তামাকের আবাদ হয়েছিল ৯৩ হাজার ১০৭ একর জমিতে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২২ হাজার ৪৪৩ একর। তিন বছরের ব্যবধানে তামাকের আবাদ বেড়েছে প্রায় ৩০ হাজার একর।

ধান দেশের প্রধান খাদ্যশস্য। আবাদ কমে যাওয়ার এই প্রবণতা কৃষি খাতের জন্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। যদিও আবাদ কমলেই উৎপাদন একই হারে কমবেএমন নয়। উন্নত জাতের বীজ, আধুনিক প্রযুক্তি ও ফলন বৃদ্ধির কারণে অনেক ক্ষেত্রে কম জমিতেও বেশি উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। তবু ধারাবাহিকভাবে ধানের আবাদ কমে যাওয়া ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, শ্রমিকসংকট, সেচ ব্যয়, বাজারে দামের অনিশ্চয়তা এবং বিকল্প লাভজনক ফসলের প্রতি আগ্রহএসব কারণে অনেক কৃষক ধানের পরিবর্তে অন্য ফসলে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে তামাক চাষে বিভিন্ন কম্পানির চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা, সহজ ঋণ, বীজ ও উপকরণ সরবরাহ এবং নিশ্চিত বিপণনের সুযোগ কৃষকদের আকৃষ্ট করছে।

তবে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে তামাক চাষ বৃদ্ধিকে উদ্বেগজনক বলে আসছেন। তামাক চাষে ব্যাপক হারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, যা মাটির উর্বরতা কমিয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া তামাক প্রক্রিয়াকরণে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের কারণে বনসম্পদের ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষকদের জন্য লাভজনক বিকল্প খাদ্য ও অর্থকরী ফসলের বাজার নিশ্চিত করা গেলে তামাকের প্রতি নির্ভরতা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে ধানসহ খাদ্যশস্য উৎপাদনে প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, যন্ত্রায়নের ধীরগতি এবং ফসলের সীমিত বৈচিত্র্যের কারণে আগামী বছরগুলোতে দেশের ধান উৎপাদন আরো চাপে পড়তে পারে। গবেষণায় আশঙ্কা করা হয়েছে, ২০৩০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ধানের উৎপাদন সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে।

এ বিষয়ে বিআইডিএসের মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক বলেন, ধানের বাজারে সরকারি হস্তক্ষেপ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের কারণে কৃষকের লাভ সীমিত থাকছে। ফলে অনেক কৃষক তুলনামূলক বেশি লাভজনক চুক্তিভিত্তিক বা বিকল্প ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।