• ই-পেপার

জাপান প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

জ্বালানিতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তায় ইতিবাচক জাপান

  • পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত

উক্তি

উক্তি

চীনের সঙ্গে যেমন সম্পর্ক থাকবে, তেমনি অন্যান্য দেশের সঙ্গেও থাকবে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষার্থীরা মাঠে মেতে ওঠে ফুটবল খেলায়

শিক্ষার্থীরা মাঠে মেতে ওঠে ফুটবল খেলায়
রাজধানীতে গতকাল দুপুরে নেমেছিল একপশলা বৃষ্টি। এই সুযোগে শিক্ষার্থীরা মাঠে মেতে ওঠে ফুটবল খেলায়। মালিবাগ এলাকা থেকে তোলা। ছবি : মঞ্জুরুল করিম

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এইচএসসির প্রথম দিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সব বোর্ডে সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ১১ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এবার ছাত্রের সংখ্যা ছয় লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ছয় লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। অর্থাৎ ছাত্রের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এবার দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৯টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে এক লাখ সাত হাজার ৯৬৪ জন। বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি তিন লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যেদিন পরীক্ষা থাকবে না, সেদিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।

সচিব আরো জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে দেশের সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে বডি অন ক্যামেরা থাকবে। প্রশ্নপত্র সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ায় বা ফাঁসের চেষ্টা করে, তবে সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। কেন্দ্রে যেকোনো অনিয়মের জন্য কেন্দ্র সচিব ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে যেমন সচেতন, তেমনি খাতা দেখার ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থানে আছি। অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পর উত্তরপত্র মূল্যায়নে ট্রেনিং দেওয়া হবে। আবার একজন শিক্ষক আগে যেমন অনেক উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতেন বা খাতা দেখতেন; সেটা কম দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছি। আগে খাতা পুনর্মূল্যায়নে শুধু নম্বর গোনা হতো; এখন তা হবে না। প্রকৃতপক্ষেই পুনর্মূল্যায়ন হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল যুগে এখন প্রশ্নপত্র হ্যাকিং হচ্ছে। এবার তো ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে। কিন্তু আমাদেরটা হয়নি। প্রশ্নফাঁসের ক্ষেত্রে আমাদের যে দুর্বলতা তা কমানোর চেষ্টা করেছি।

তথ্যমন্ত্রী

সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা জরুরি
জহির উদ্দিন স্বপন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক যুগে নিরাপত্তার সনাতন ধারণা গুণগতভাবেই পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখন কোনো বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিন্দুক পাহারা দেওয়ার চেয়ে তার কম্পিউটারকে হ্যাকারমুক্ত রাখা এবং হাজার মাইলের সীমান্ত পাহারার চেয়েও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক বেশি জরুরি।

গতকাল বুধবার ঢাকার খিলগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মিডিয়া সেল প্রান্তিক কণ্ঠস্বর-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাজ্জাদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ কেবলই সমরাস্ত্রের বিষয় নয়, যোগাযোগ কেবলই মানুষের কণ্ঠস্বর বিনিময় করা নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিল চুরির ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে কিভাবে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

মন্ত্রী বাহিনীর ৬০ লাখ জনবলকে প্রচলিত ধারণায় আটকে না রেখে সময়োপযোগী ও আধুনিক চিন্তার মাধ্যমে দেশের কাজে লাগানোর এই উদ্ভাবনী প্রয়াসের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনার একটি বড় অংশ হবে আনসার বাহিনীর তৈরি এই প্রান্তিক কণ্ঠস্বর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। অ্যানালগ ও ডিজিটাল পদ্ধতির পার্থক্য বুঝতে পেরে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে ডিজিটাল লিডারশিপ গ্রহণ করার জন্য বাহিনীর নেতৃত্বের প্রতি তিনি সাধুবাদ জানান।

প্রান্তিক কণ্ঠস্বর প্ল্যাটফর্মটিকে অন্যান্য সরকারি দপ্তরের জন্য একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তথ্যমন্ত্রী।

হাবিবুর রশিদ বলেন, আজকের আয়োজন কেবল একটি মিডিয়া সেলের উদ্বোধন নয়; বরং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্য ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে আরো আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করার নতুন সূচনা। এই উদ্যোগ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাহিনীর ভূমিকা আরো সুদৃঢ় করবে এবং সরকারের আস্থাশীল অংশীদার হিসেবে বাহিনীর কার্যক্রমকে নতুন মাত্রা দেবে।

সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, আনসার ও ভিডিপির বিশাল জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সরকারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরো সুসংগঠিত ও গতিশীলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর সদস্যদের অবদান, প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম, সাফল্যের গল্প এবং বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।