• ই-পেপার

অনুশীলনে ২ সতীর্থর হাতাহাতি, ইতিবাচক বলছেন পানামা কোচ

‘তৃতীয় হওয়া সেরা ৮ দলের নিয়ম’ মাথায় ঢোকে না, তাই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান ক্যাসিয়াস

ক্রীড়া ডেস্ক
‘তৃতীয় হওয়া সেরা ৮ দলের নিয়ম’ মাথায় ঢোকে না, তাই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান ক্যাসিয়াস
৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান ক্যাসিয়াস। ছবি : এক্স থেকে

প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বিশ্বকাপ হচ্ছে। তাতে পরের ধাপে সুযোগ পাওয়ার নিয়মে পরিবর্তন এসেছে। আগে প্রতিটি গ্রুপ থেকে ২টি করে পেলেও এবার তৃতীয় হওয়া দলটি সুযোগ পাচ্ছে। 

এই নিয়মটাই যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে না ইকার ক্যাসিয়াসের। তাই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান স্পেনের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক বলেছেন, ‘৬৪ দলের বিশ্বকাপ হওয়া দরকার। তৃতীয় সেরা দলের বিষয়টি আমার মাথায় ঢুকছে না।’

ক্যাসিয়াসের চাওয়া পূরণ হতে পারে আগামী বিশ্বকাপে। ৬৪ দলের বিশ্বকাপ করার স্বপ্ন দেখছে ফিফাও। ২০৩০ বিশ্বকাপ দিয়েই সেটা করতে চায় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

৬৪ দলের বিশ্বকাপ হলে নকআউট ঠিক করার ঝামেলা থাকবে না বলেই এমন চাওয়া ক্যাসিয়াসের। কেননা এবার ১২ গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুইয়ের সঙ্গে তৃতীয় হওয়া দলটিও সুযোগ পাচ্ছে। অর্থাৎ, তৃতীয় হওয়া ১২ দলের মধ্যে থেকে ৮টি সুযোগ পাবে শেষ ৩২-এ। দলগুলোর পয়েন্ট সমান হলে ৮ দল নির্বাচিত করা হচ্ছে গোল ব্যবধান, হেড টু হেডসহ আরো কিছু সমীকরণের মধ্য দিয়ে। যা ক্যাসিয়াসের কাছে একটু অদ্ভুত মনে হচ্ছে।

ম্যাসাচুসেটসে কেপ ভার্দিয়ানদের উল্লাসে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

ক্রীড়া ডেস্ক
ম্যাসাচুসেটসে কেপ ভার্দিয়ানদের উল্লাসে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

বিশ্বকাপে গ্রুপের শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে কেপ ভার্দে ড্র করে নকআউট নিশ্চিত করে। এই ঐতিহাসিক অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ব্রক্টনে বসবাসরত বৃহত্তম কেপ ভার্দিয়ান সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে উল্লাস শুরু করেন। পরবর্তীতে এই আনন্দ উদযাপন হাঙ্গামায় রূপ নেয় এবং এক পর্যায়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়। ব্রকটন শহরের মেইন স্ট্রিট এবং পার্ক স্ট্রিটের সংযোগস্থলে এই ঘটনা ঘটে।

মার্কিন টেলিভিশন এবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাসাচুসেটসের পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের পর শত শত মানুষ আনন্দ উদ্‌যাপনই জড়ো হয়, পরে তা হাঙ্গামায় রূপ নিলে পরবর্তী গোলাগুলিতে অন্তত চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

ব্রকটন পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, শুক্রবার (২৬ জুন) মধ্যরাতের কিছুক্ষণ আগে তারা গোলাগুলির একাধিক খবর পেয়েছে।

গুলিবিদ্ধ চারজনকেই দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা ঠিক কেমন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জোর তদন্ত চলছে।

ইকুয়েডরের কাছে হেরে ভুলবশত তাদের বাসেই চড়েন জার্মান মিডফিল্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক
ইকুয়েডরের কাছে হেরে ভুলবশত তাদের বাসেই চড়েন জার্মান মিডফিল্ডার
অনুশীলনের সময় জার্মান মিডফিল্ডার গোরেৎজকা। ছবি : রয়টার্স

ম্যাচ হারার পর মাথা গরম হওয়াটা স্বাভাবিক। শক্তি সামর্থ্যে পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে হারলে মাত্রাটা আরো যায় বেড়ে। তাই বলে ম্যাচ শেষে যাদের কাছে পরাজয় দেখেছে তাদের গাড়িতেই উঠতে হবে খেলোয়াড়কে।

হ্যাঁ, এমনি এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন লিওন গোরেৎজকা। ইকুয়েডরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হারার পর তাদের বাসে উঠেন জার্মান মিডফিল্ডার। বিষয়টি বুঝতে পেরে অবশ্য দ্রুত নিজেদের গাড়িতে চড়ে বসেন ৩১ বছর বয়সী বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার।

ম্যাচ শেষে ক্যাম্পে ফেরার সময় সাধারণত দুই দলের বাস কাছাকাছিই থাকে। গত পরশুও নিউইয়র্ক/নিউ জার্সিতে হওয়া জার্মানি-ইকুয়েডরের গাড়িও পাশাপাশিই ছিল। নিজেদের গাড়িতে উঠতে গিয়ে অন্যমনস্ক গোরেৎজকা ইকুয়েডরের গাড়িতে চড়েন। সংবিৎ ফিরে পেয়ে নিজেদের গাড়িতে এলেও ট্রলের শিকার ঠিকই হচ্ছেন তিনি।

 

গোরেৎজকার এমন ঘটনা পরে মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাতে কমেন্ট করে মজা নিচ্ছেন সামাাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। একজন লিখেছেন, ‘সে জানতই না তার দল কোনটা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘সে জয়ী দলের সঙ্গেই যেতে চেয়েছিল।’ বিপরীতে আরেকজন লিখেছেন, ‘পরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত হাসার খোরাক পেলাম।’ এক জার্মানভক্ত ক্ষুব্ধ হয়ে লিখেছেন, ‘সে কি তার দেশ ত্যাগ করেছে?’

ইকুয়েডরের বিপক্ষে এবারই প্রথমবার হেরেছে জার্মানি। তবে ২-১ গোলের পরাজয়ের ম্যাচে ছিলেন না গোরেৎজকা। বেঞ্চে ঠাঁই হয়েছিল তার। এবারের বিশ্বকাপে অবশ্য অনেকটা বেঞ্চই গরম করতে হচ্ছে মিডফিল্ডারকে। বায়ার্নের হয়ে মৌসুমটা রাঙালেও বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মাত্র ২২ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছেন। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ১৭ মিনিটের বিপরীতে বাকি ৫ মিনিট খেলেছেন আইভরি কোস্টের বিপক্ষে।

ফ্রান্সের বিপক্ষে আমরা এমনিতেও জিততাম না—হালান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
ফ্রান্সের বিপক্ষে আমরা এমনিতেও জিততাম না—হালান্ড

বিশ্বকাপে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে নরওয়ের বড় ব্যবধানে হেরেছে। হারের পর উঠে আসে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেওয়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্তে কথা। এতে ব্যাপক সমালোচনার বিদ্ধ হন কোচ স্টালে সোলবাকেন। কোচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পক্ষে কথা বলেছেন আর্লিং হালান্ড। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এতে ম্যাচের ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আসত না। 

ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও এই নীতি নকআউট পর্বের জন্য নরওয়েকে আরো শক্তিশালী অবস্থানে রেখেছে বলে জানান হালান্ড। বোস্টনের স্টেডিয়ামে উপস্থিত ফুটবলপ্রেমীরা হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের মতো তারকাদের খেলতে না দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন । গ্যালারি থেকে ‘উই ওয়ান্ট হালান্ড’ স্লোগান দিতে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ম্যাচ শেষে হালান্ড বলেন, ‌‘ফ্রান্সের শক্তির কাছে এমনিতেও হেরে যেতেন। ম্যাচের আগেই বলেছিলাম যে এই ম্যাচের ফলাফল নিয়ে চিন্তিত নই আমরা। ফ্রান্স স্পষ্টভাবেই সেরা দল এবং তাদের প্রতিটি পজিশনে বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে।'

নরওয়ে কোচ সোলবাকেন এই স্কোয়াড রোটেশনকে অত্যন্ত সহজ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ গোলের তীব্র লড়াইয়ের পর দলের মূল খেলোয়াড়রা ক্লান্তিতে ভুগছিলেন। 

নকআউট পর্বের জন্য খেলোয়াড়দের চাঙ্গা রাখাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল বলে যোগ করেন কোচ। গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে রাউন্ড থার্টি টুতে নরওয়ের প্রতিপক্ষ আফ্রিকান পরাশক্তি আইভরি কোস্ট।