• ই-পেপার

স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বাড়াল বিসিবি

আইসিইউতে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
আইসিইউতে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কোচ
১৯৯৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন করেন পেরেইরা। ছবি : সংগৃহীত

সর্বশেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল। এরপর আর কখনো সোনালি ট্রফিটা স্পর্শ করা হয়নি সেলেসাওদের। তাই ‘হেক্সার’ স্বপ্নও পূরণ হয়নি। এবার সেই লক্ষ্য পূরণের শুরুটাও ভালো হয়নি তাদের। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করেছে তারা।

সে যাই হোক সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। তার মধ্যে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যের নায়ক ছিলেন কোচ কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা। বিশ্বকাপজয়ী সেই কোচ এখন কঠিন সময় পার করছেন।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে আসা পেরেইরাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ২০২৩ সালে হজকিনস লিম্ফোমা ধরা পড়ে তার শরীরে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বুধবার রিও ডি জেনেইরোর সামারিতানো বারা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করানো হয় তাকে।

এক বিবৃতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখেছে, ‘সামারিতানো বাররা হাসপাতাল জানাচ্ছে যে আইসিউতে ভর্তি পেরেইরা যন্ত্রের সহায়তায় শ্বাস নিচ্ছেন। রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল। কবে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না।’

কোচের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য জিনহো বলেছেন, ‘কোচের অবস্থা ভালো নয়। ফুসফুসজনিত জটিলতা দেখা দিয়েছে এবং হাসপাতালে তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তিনি স্থিতিশীল আছেন। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। আমরা শুধু পেরেইরার জন্য প্রার্থনা করতে পারি।’

ব্রাজিলকে শুধু বিশ্বকাপই জেতাননি পেরেইরা, ২০০৪ কোপা ও ২০০৫ কনফেডারেশন কাপও জিতিয়েছেন। ৮৩ বছর বয়সী কোচের অধীনে ১৭৭ ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। ১২৪ জয়ের বিপরীতে মাত্র ১৪ পরাজয় দেখেছে ব্রাজিল। বাকি ৩৯টি ড্র হয়েছে। নিজ দেশ ছাড়াও কুয়েত, সৌদি আরব ও দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ছিলেন তিনি।

প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় হৃদয়ের

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় হৃদয়ের
ছবি : মীর ফরিদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি হেরে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া তাওহিদ হৃদয়।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়। 

প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের জন্য দলের ব্যাটারদের দায়ী করে বাংলাদেশ অধিনায়ক হৃদয় বলেন, ‘ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের অন্তত ১৬০ বা ১৭০ রান করা উচিত ছিল। ইনিংসের মাঝপথে আমরা পরপর উইকেট হারিয়েছি। এজন্য আমরা কোনো জুটি গড়তে পারিনি।’

হৃদয় আরো বলেন, ‘আশা করি এখান থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। সবাই জানি আমরা কি ভুল করেছি। আশা করি পরের ম্যাচে আমরা ভুলগুলো কাটিয়ে উঠতে পারব।’

ব্যাটাররা খারাপ করলেও প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের পারফরমেন্সে খুশি বলে জানান হৃদয়। তিনি  বলেন, প্রতি ম্যাচেই বোলাররা ভালো করছে।

হৃদয় বলেন, ‘১৩১ রানের পুঁজি লড়াই করার জন্য যথেষ্ট নয়। এই রান নিয়ে লড়াই করতে হলে অনেক বেশি ভালো বল করতে হয়। অবশ্য প্রতিটি সিরিজ এবং প্রতিটি ম্যাচে বোলিং ইউনিট ভালো করেছে। পরের ম্যাচগুলোতেও বোলাররা আরো ভালো করবে বলে আমি আশা করি।’

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। এরমধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে চারবার। অস্ট্রেলিয়ার জয় আটবার। 

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশের। ২০২১ সালে মিরপুরে অসিদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। 

সিরিজ জয় নিশ্চিত করার মিশনে প্রথম ম্যাচের একাদশ ধরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজে টিকে থাকতে একাদশে পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশ দল : লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও সৌম্য সরকার। 

অস্ট্রেলিয়া দল : মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, নিখিল চৌধুরী, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেন্সার জনসন, ম্যাথু কুহেনিম্যান, রিলি মেরেডিথ, জশ ফিলিপ, ম্যাথু রেনশ ও এডাম জাম্পা।

নকআউটে চোখ মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
নকআউটে চোখ মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়ার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের হাই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্বাগতিক মেক্সিকো ও এশিয়ার টাইগার দক্ষিণ কোরিয়া। শুক্রবার ভোরে গুয়াদালাহারার এস্তাদিও আকরনে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচে যে দলই জয়ী হবে, তারাই সবার প্রথমে রাউন্ড অব থার্টি টু নিশ্চিত করবে। 

উভয় দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 

উদ্বোধনী ম্যাচে ঘরের মাঠে মেক্সিকো ২-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা করেছে। তবে রক্ষণভাগের মূল খেলোয়াড় সেসার মন্তেস লাল কার্ড দেখায় এই ম্যাচে তিনি খেলতে পারছেন না। রক্ষণভাগের মূল খেলোয়াড় না থাকায় কোরিয়ার আক্রমন ভাগ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজাচ্ছে কোচ মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগুইরে।

কোচ হাভিয়ের আগুইরে বলেন, ‘কোরিয়ার আক্রমনের ব্যাপারে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে, অসতর্ক হওয়া চলবে না; সামনে যদি দুজন কোরিয়ান থাকে, তাহলে আমাদের তিনজন থাকতে হবে।’

অন্যদিকে  চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় এশিয়ার এই পরাশক্তি। দলের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন ওহ হিয়ন-গিউ। বৃহস্পতিবারের ম্যাচের আগে কোরিয়ার কোচ হং বলেন, ‘স্বাগতিক হিসেবে মেক্সিকো ম্যাচে কিছুটা সুবিধা পাবে। কিন্তু আমার খেলোয়াড়রা আগেও এমন ম্যাচের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাই আগামীকাল পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। ম্যাচে আমাদের ছন্দ ও গতি ধরে রাখতে হবে।’

যেহেতু এবার ১২টি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দলের পাশাপাশি সেরা আটটি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলও নকআউট পর্বে যাবে। তাই আজকের ম্যাচে মেক্সিকো বা দক্ষিণ কোরিয়ার যেকোনো এক দলের ৬ পয়েন্ট নিশ্চিত হলে তারা সরাসরি শেষ রাউন্ড অব থার্টি টুতে পৌঁছে যাবে।

বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ব্রাজিল, হলুদে শীর্ষে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ব্রাজিল, হলুদে শীর্ষে আর্জেন্টিনা
ছবি : এআই

ফুটবল বিশ্বকাপের অধিকাংশ রেকর্ডে নাম রয়েছে ব্রাজিলের। এই যেমন একমাত্র দল হিসেবে সব বিশ্বকাপে খেলা কিংবা সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এমন ইতিবাচক রেকর্ডে নিজেদের নাম দেখতে সবারই ভালো লাগে। উল্টোটায় কেউই দেখতে চায় না।

ব্রাজিল যেমন নিচের বিব্রতকর রেকর্ডটিতে নিজেদের নাম দেখতে চায় না। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখেছে সেলেসাওরা। উইনস্পোর্টস অনলাইনের তথ্য মতে, তাদের নামের পাশে লাল কার্ড রয়েছে ১১টি।

দুইয়ে আছে ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। আলবিসেলেস্তারা অবশ্য একা নয়, তাদের সঙ্গী ক্যামেরুন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুদলই সমান ৯টি কার্ড দেখেছে। ঠিক পরেই আছে ৮টি করে কার্ড দেখা নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও উরুগুয়ে। ৭টি করে লাল কার্ডে যৌথভাবে চারে আছে জার্মানি-মেক্সিকো। বিপরীতে পাঁচে থাকা ফ্রান্স-পর্তুগাল লাল কার্ড দেখেছে ৬টি করে।

অন্যদিকে হলুদ কার্ডে সবার শীর্ষে আর্জেন্টিনা। তাদের ধারেকাছে নেই অন্যরা। ১৩৪ কার্ড দেখা তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছাকাছি যে দলটি তারা হচ্ছে জার্মানি। তাদের নামের পাশে হলুদ কার্ড ১১৮টি। ব্রাজিল দেখেছে ১১১টি। ১০৩ কার্ড দেখা নেদারল্যান্ডসের বিপরীতে পাঁচ নম্বরে আছে ইতালি। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ইতালির কার্ড ৯০টি।