• ই-পেপার

বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন

পে স্কেলের গেজেট কবে? যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেলের গেজেট কবে? যা জানা গেল
সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুই ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারে সরকার। এর মধ্যে আগামী জুলাই থেকেই নতুন স্কেলে সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি সপ্তাহেই পে কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটির। বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে গঠিত তিনটি পৃথক পে কমিশনের প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শেষে এই কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সোমবার (২৯ জুন) দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করতে পারে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে তিন ও দুই বছর মেয়াদি—দুটি বিকল্প বিবেচনা করেছিল সরকার।

তিন বছরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হতো এবং তৃতীয় বছরে ভাতাগুলো কার্যকর করা হতো।

তবে অর্থ বিভাগ জানায়, দুই ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে (আইবিএএসপ্লাসপ্লাস) কারিগরি জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে তারা একবারেই মূল বেতন পুরোটা কার্যকর করার সুপারিশ করে। তবে সামগ্রিকভাবে দুই ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকেই এগোচ্ছে কমিটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। আমরা আশা করছি, জুলাইয়ের মাঝামাঝি বা তার পরের সপ্তাহে গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

বর্তমান ২০টি গ্রেডের মধ্যে ১ থেকে ১০ নম্বর গ্রেডে ১০০ শতাংশ বা তার কিছুটা কম এবং ১১ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডে গড়ে ১৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করতে পারে কমিটি।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তব্যে ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিচ্ছি। গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই কাঠামোর আওতায় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, অথচ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।’

পে স্কেল সংশোধনের আগের উদাহরণগুলোর মতো এবার বাজেট নথিতে বেতন-ভাতা খাতে আলাদা করে কোনো বৃদ্ধি দেখানো হয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বরাদ্দটি নেট পাবলিক সার্ভিস খাতে রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় এ খাতে ব্যয় ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বেড়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা।

কর্মকর্তাদের মতে, বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে ৪৪ হাজার কোটি টাকার এই বরাদ্দ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যয় করা হবে। এবার মূল বেতনে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুপারিশ করেছে নবম পে কমিশন।

২০১৫ সালে দুই ধাপে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই বছর সংশোধিত মূল বেতন এবং পরের বছর সংশোধিত ভাতা কার্যকর করা হয়।

বর্তমানে সরকার তার ১৪ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য বছরে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে।

কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ দীপু মনি

অনলাইন ডেস্ক
কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ দীপু মনি

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি (৬১)। পরে তাকে ঢাকার মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৬টার দিকে তিনি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সকাল সোয়া ৮টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাকে নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।

দীপু মনিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ফজলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বর্তমানে হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।

তাৎক্ষণিকভাবে তার অসুস্থতার কারণ বা বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন।

গবাদি পশুর সুরক্ষায় ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ সরকারের

বাসস
গবাদি পশুর সুরক্ষায় ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ সরকারের
সংগৃহীত ছবি

গবাদি পশুকে রোগবালাই থেকে সুরক্ষায় ভ্যাকসিন আমদানির বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস (এফএমডি) রোগের জন্য প্রায় ২  কোটি করে ৪ 0 কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বেসরকারিভাবে আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশেও ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। গত বছর যেখানে উৎপাদন ছিল ৫ লাখ, এবার তা বাড়িয়ে ২০ লাখ করা হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান বলেন, মূলত ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস (এফএমডি) এবং এলএসডি রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে এলএসডি রোগের জন্য প্রায় দুই কোটি এবং এফএমডির জন্য দুই কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বেসরকারিভাবে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদন বাড়িয়ে ২০ লাখ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ উৎপাদন পর্যাপ্ত না হওয়ায় বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে ভ্যাকসিন আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ঘাটতি মোকাবেলায় চাহিদা অনুপাতে তারা এই ভ্যাকসিন আমদানি করবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে সরবরাহকৃত ভ্যাকসিনের পরিমাণ পর্যাপ্ত না থাকায় ২ কোটি ডোজ ট্রাইভ্যালিন এফএমডি ভ্যাকসিন এবং ২ কোটি ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া বাণিজ্যিক মুরগি উৎপাদনের ক্ষেত্রে তেলোপ্যাথোজনিক একটি প্রাণঘাতী রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলে খামারিদের ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। তাই বাণিজ্যিক মুরগীতে লোপ্যাথোজনিক প্রতিরোধে এইচ৯এন২-এর বিভিন্ন কম্বিনেশন ভ্যাকসিন আমদানি করা হবে। বাজারে এই ভ্যাকসিনের ঘাটতি থাকার কারণে, ৫০ কোটি ডোজ এইচ৯এন২ এবং এর বিভিন্ন কম্বিনেশন ভ্যাকসিন আমদানির বিষয়ে অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে দুনিয়াজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর উষ্ণায়ন বাড়ছে। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মশা, মাছি এবং এঁটুলির বংশবৃদ্ধি ও তৎপরতা অনেক বেড়েছে, এর ফলে গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং খুরারোগ বা এফএমডির মতো ভাইরাসজনিত রোগের প্রকোপ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এসব সংক্রামক রোগের হাত থেকে দেশের প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতকে রক্ষা করতে চলতি বছরে বড় পরিসরে ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. তারেক হোসেন বলেন, গরমের কারণে সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গবাদি পশুর ভাইরাসজনিত ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ (এলএসডি) উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রাণীরক্ষায় এফএমডি (খুরারোগ) ও এলএসডি গবাদি পশুর গুরুত্বপূর্ণ রোগ। এ রোগ ২টির কারণে খামারিদের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়।

তিনি এলএসডি ও এফএমডি রোগ সম্পর্কে জানান, এলএসডি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত গরু, মহিষ ও ছাগলকে আক্রান্ত করে। মশা-মাছি, মুখের লালা ও খামারে অব্যবস্থাপনার কারণে এ রোগ ছড়ায়। এ রোগে প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে আক্রান্ত গরুর শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৫ ডিগ্রিতে পর্যন্ত হয়ে থাকে। গরু খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দেয়। শরীরে খুবই ব্যথা হয়। তার দুদিন পর গরুর শরীরের বসন্তের মতো গুটি গুটি চাকা দেখা দেয়। পরে সেখান থেকে পুঁজ জমে ফেটে মাংস খসে পড়ে। এতে গরুর প্রজনন কমে যায়, গরুর ওজন ও দুধ উৎপাদনও কমে যায়।

তারেক হোসেন আরো বলেন, জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাস এলএসডির জন্য পিক টাইম। এ রোগে গবাদি পশুর মৃতের হার ১০ শতাংশ। সময়মতো চিকিৎসা না করালে পশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং উৎপাদনশীলতা কমে যায়।

প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৯২৯ সালে আফ্রিকার জাম্বিয়ায় প্রথম এ রোগ শনাক্ত হয়। পরে ধীরে ধীরে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম অঞ্চলে লাম্পি স্কিন ডিজিজ শনাক্ত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় রোগটি বিস্তার লাভ করে। বর্তমানে এটিকে গবাদি পশু খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জুলাইয়ে মিলতে পারে পে স্কেলের সম্পূর্ণ বেতন

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ে মিলতে পারে পে স্কেলের সম্পূর্ণ বেতন

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসতে পারে জুলাইতে। নবম পে স্কেলের আওতায় সম্পূর্ণ মূল বেতন আগামী মাস থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মিললে জুলাইয়ের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের পর শুরু হতে পারে নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুই ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারে সরকার। এর মধ্যে আগামী জুলাই থেকে নতুন স্কেলে সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ডেইলি স্টার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।

চলতি সপ্তাহেই পে কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটির।

বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে গঠিত তিনটি পৃথক পে কমিশনের প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শেষে এই কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করতে পারে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে তিন ও দুই বছর মেয়াদি—দুটি বিকল্প বিবেচনা করেছিল সরকার।

তিন বছরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হতো এবং তৃতীয় বছরে ভাতাগুলো কার্যকর করা হতো।

তবে অর্থ বিভাগ জানায়, দুই ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে (আইবিএএসপ্লাসপ্লাস) কারিগরি জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে তারা একবারেই মূল বেতন পুরোটা কার্যকর করার সুপারিশ করে। সামগ্রিকভাবে দুই ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকেই এগোচ্ছে কমিটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। আমরা আশা করছি, জুলাইয়ের মাঝামাঝি বা তার পরের সপ্তাহে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তব্যে ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিচ্ছি। গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই কাঠামোর আওতায় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, অথচ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

২০১৫ সালে দুই ধাপে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই বছর সংশোধিত মূল বেতন এবং পরের বছর সংশোধিত ভাতা কার্যকর করা হয়।