• ই-পেপার

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

অনলাইন ডেস্ক
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়
ছবি : পিএমও

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (২১ জুন) রাতে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে দেশটিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তিনি। মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১১টায় কুয়ালালামপুরের হোটেল সাংগ্রিলায় এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এর আগে, রবিবার বিকেল পৌনে ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যাত্রা করে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেএলআইএ) পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যেকে অসত্য বলায় সংসদে বির্তক, এক্সপাঞ্জ করার দাবি সরকারি দলের

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যেকে অসত্য বলায় সংসদে বির্তক, এক্সপাঞ্জ করার দাবি সরকারি দলের
সংগৃহীত ছবি

মদ, সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধীদল মিছিল করেছে- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বক্তব্যকে এনসিপির সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুল হান্নান মাসউদ অসত্য আখ্যা দেওয়ায় সংসদে বিতর্ক হয়েছে। বিএনপির এমপিরা হান্নান মাসউদের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি তোলেন। তবে বিরোধী জোট আপত্তি জানায়। তারা প্রশ্ন তোলেন, হান্নানের বক্তব্যের কোন তথ্য অসত্য? প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করতে না পারলে ফ্যাসিবাদ ফিরবে বলে সতর্ক করেন বিরোধীরা। পাল্টা সরকারি দল দাবি করে, বিরোধীদল ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে। 

আজ রবিবার সংসদ বাজেট অধিবেশনের বৈঠকে এই নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ 

গত ১১ জুন সংসদ বাজেট ঘোষণার পর, জামায়াতে ইসলামী রাজধানী বিক্ষোভ মিছিল করে। যার ব্যানারে লেখা ছিল ‘গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল’। তবে ফেসবুকে ছড়ানো ফটোকার্ডের ব্যানারে লেখা ছিল ‘বাজেটে বিড়ি, সিগারেট, মদ, গাঁজা ও তামাকজাত দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল’।   

১৩ জুন কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা দাবি তুলেছে কেন মদের ওপর আমরা ট্যাক্স বাড়ালাম? তারা দাবি তুলেছে, কেন আমরা সিগারেটের ওপর ট্যাক্স বাড়ালাম? এই তাদের দুঃখ। আমরা সামাজিকমাধ্যমসহ বিভিন্ন নিউজে দেখলাম একটি খবর। কী সেই খবর! বিরোধীদল বলছে যে, এই বাজেট তারা মানে না।’

রবিবার বাজেট আলোচনায় হান্নান মাসউদ প্রধানমন্ত্রী এই বক্তব্যের প্রসঙ্গে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজকে এখানে নেই। উনি যখন বিভিন্ন ভাষণে অসত্য তথ্য দিয়ে বলেন, বিরোধীদল মিছিল করছে মদের দাম কেন বৃদ্ধি করা হয়েছে? কেন সিগারেটের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে? এরকম অসত্য তথ্য দিয়ে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন, আমরা খুবই আশাহত হই।’

এ সময় সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা হইচই করে এর প্রতিবাদ জানান। হান্নান মাসউদ আরও বলেন, ‘‘আমরা আশাহত হই, যখন ব্যাংকঋণ, ব্যাংকদখল নিয়ে কথা বলি, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে বলেন ‘আপনারা সবাই জমিদার যারা ঋণ নেন নাই’- এর মধ্য দিয়ে মূলত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঋণখেলাপিদেরকে উৎসাহিত করেন।’’

সংসদে খ্যাতির বিড়ম্বনা দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সমালোচনা করেন হান্নান মাসউদ। তিনি বলেন, ‘আগে রাস্তাঘাট, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছিল শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। শেখ মুজিবুর রহমান মৃত ছিলেন। উনি হয়তো জানতেন না। কিন্তু এই সংসদেও একজন প্রতিমন্ত্রীর সেই খ্যাতি দেখতে পাচ্ছি। উনি কিছুই জানেন না, কিন্তু ১০–১২টা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উনার পরিবারের নামে হয়ে যায়। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের নাম পর্যন্ত হয়ে যায়।’
 
হান্নান মাসউদ বলেন, ‘আমরা এমন এক মিরাকল সংসদে আছি, যে সংসদে ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করে এসেছি। সবাই কম বেশি নির্যাতিত। কিন্তু দেখতে পাচ্ছি যে ভারতের দালালি, যেভাবে আওয়ামী সরকার করত, ঠিক একইভাবে এই সংসদের বিভিন্ন মন্ত্রীরাও একই ধরনের ভারতীয় ভাষায় কথা বলেন। আগে ফ্যাসিবাদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে বক্তব্য দিতেন, বর্তমানে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একইভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন।’ 

বিএনপির আপত্তি, বাহাস
হান্নান মাসউদের বক্তব্যের কিছু অংশ নিয়ে আপত্তি জানান বিএনপির এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক। বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদ নেতাকে কটূক্তি করা হয় এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করা হোক।’

এরপর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট করে বলতে হবে, হান্নান মাসউদের কোন তথ্য অসত্য। কিন্তু ঢালাওভাবে বলে গেলেন যে, বক্তব্য অসত্য কথা বলা হয়েছে ‘  

নাহিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও ভুল করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় স্লিপ অব টাং হয়েছে। উনি তার ভুল শুধরে নিয়েছেন। উনার বক্তব্যের সমালোচনা করার অধিকারও বিরোধীদলের আছে। তিনি জিয়াউর রহমানের সন্তান, খালেদা জিয়ার সন্তান, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা; কিন্তু তার মানে এই না যে তাঁকে নিয়ে কোনো কথাই বলা যাবে না। তাঁর বক্তব্যের সমালোচনা করা যাবে না। আমরা গণতন্ত্রের দিকে যেতে চাই। ফ্যাসিবাদের দিকে আবার যেতে চাচ্ছি না।’

এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিরোধীদলের চিফ হুইপ যা বলেছেন তা সঠিক নয়। হান্নান মাসউদ সুনির্দিষ্টভাবে বলেছেন যে, সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন।’

এ সময় বিরোধীদল হইচই শুরু করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের বলতে দিন। আপনারা ফ্যাসিস্টের কথা বলেন, কিন্তু ফ্যাসিস্ট আচরণ তো আপনাদের কাছ থেকে আসছে। আমাদেরকে বলতে দিতে হবে।’ 

মির্জা ফখরুল দাবি জানান, হান্নান মাসউদের বক্তব্যে যে অংশটুকু অসত্য তা এক্সপাঞ্জ করা হোক। 

এ সময় হান্নান মাসউদ কথা বলতে চাইলেও ডেপুটি স্পিকার তাঁকে ফ্লোর দেননি। তারপরও তিনি মাইক ছাড়া কথা বলতে থাকেন। তখন কায়সার কামাল বলেন, ‘এটা শাহবাগ চত্বর নয়। জাতীয় সংসদ।’

এ পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ডেপুটি স্পিকারকে বলেন, ‘বাইরের কোনো বিষয়কে টেনে সংসদে টেনে এনে এক্সপাঞ্জ করা বা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া না হয়।’ 

বাজেট শুধু মন্ত্রীদের এলাকার জন্য নয় : সংসদে আশরাফ উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজেট শুধু মন্ত্রীদের এলাকার জন্য নয় : সংসদে আশরাফ উদ্দিন

শুধু একটি জেলা বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের নয়, দেশের ৩০০ আসনের সুষম উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিন। তিনি বলেন, বাজেট শুধু মন্ত্রীদের এলাকার জন্য নয়। যদি মন্ত্রীরা সব উন্নয়ন নিয়ে যান, তাহলে ৩০০ আসনের তো দরকার নেই। সুষম বণ্টনের মাধ্যমেই বাজেট সফল করতে হবে। সবার উপকার করতে হবে এবং সব এলাকার একসঙ্গে উন্নয়ন করতে হবে।

রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অতীতের বৈষম্যের উদাহরণ টেনে আশরাফ উদ্দিন বলেন, নরসিংদী-৩ আসনের এমপি যখন এলজিআরডি মন্ত্রী ছিলেন, ওনার এলাকায় ৯৯ শতাংশ রাস্তা পাকা হয়েছিল। কিন্তু আমার আসন পাশের এলাকা হওয়া সত্ত্বেও তখন ৫ শতাংশ রাস্তাও পাকা হয়নি। তার মানে কি নিজের এলাকা উন্নয়নের জন্য মন্ত্রীই হতে হবে?

বাজেটে আমদানিনির্ভর ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা ও দেশি শিল্পে বৈষম্যের সমালোচনা করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিগুলো অনেক শক্তিশালী। বাজেটের ১৩৯ নম্বর পৃষ্ঠায় স্যান্ডউইচ প্যানেল আমদানিতে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। একটি ওষুধ কোম্পানি কয়েক লাখ টাকা খরচ করে রুম বানিয়ে কোটি কোটি টাকার ওষুধ উৎপাদন করবে ৩০ বছর ধরে। তাদের আমদানিতে মাত্র ১ শতাংশ ডিউটি দেওয়া হয়েছে, যা অযৌক্তিক।

নিজের শিল্পোদ্যোক্তা জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১২ সালে আমি বাংলাদেশে সর্বপ্রথম স্যান্ডউইচ প্যানেল প্রোডাকশন ফ্যাক্টরি করেছি। ফ্যাসিস্টের আমলে নানা বাধা সত্ত্বেও আমি ইন্ডাস্ট্রিটা টিকিয়ে রেখেছি। আমাদের কাঁচামাল আমদানিতে ৫৮ শতাংশ এবং ৩৭ শতাংশ ডিউটি দিতে হয়। এখন বাইরে থেকে কেউ ১ শতাংশ ডিউটিতে পণ্য নিয়ে এলে আমরা দেশি উদ্যোক্তারা কার কাছে পণ্য বিক্রি করব?

সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, এটি একটি মারাত্মক ভুল। যদি আমদানিতে ১ শতাংশ ডিউটি থাকে, তবে আমাদের কাঁচামাল আমদানিতেও ১ শতাংশ ডিউটি দিতে হবে। তা না হলে দেশি ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প মরে যাবে।

ভূমি কর আদায়ে শতভাগ সাফল্যের পথে ঢাকা জেলা প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
ভূমি কর আদায়ে শতভাগ সাফল্যের পথে ঢাকা জেলা প্রশাসন
সংগৃহীত ছবি

ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে শতভাগ সাফল্য অর্জনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। চলতি অর্থবছরে ৮৪ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও জুন মাসের শেষ নাগাদ তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা আদায়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানমের সরাসরি মাঠে নামার ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলেই এই সাফল্য এসেছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এসব তথ্য জানান।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কাছে প্রায় ৭ কোটি টাকা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া ছিল। বছরের পর বছর এই দাবি বকেয়া পড়ে থাকলেও তা আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো বাস্তব অগ্রগতি ছিল না।

এ বিষয়ে ডিসি ফরিদা খানম বলেন, ‘আমি জেলা কালেক্টর হিসেবে নিজেই দুই সিটি করপোরেশনে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমার এই সরাসরি উপস্থিতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতিবাচকভাবে নাড়া দিয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইতোমধ্যে বকেয়া ১৫ কোটির মধ্যে ৫ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে এবং বাকি অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া চলছে। অপরদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও দ্রুত ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি নিজে উদ্যোগ না নিলে হয়তো এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হতো না।’

ভবিষ্যতে যাতে সরকারি সংস্থাগুলোর বকেয়া না জমে, সে ব্যাপারে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন অফিসের কাজের বাইরে প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা রাজউক, বাংলাদেশ রেলওয়েসহ বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বকেয়া আদায়ে যোগাযোগ করেন।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। ঢাকাকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত হতে পারে বলে জানান ফরিদা খানম। লক্ষ্য অর্জনে সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে লিজ নেওয়া সরকারি জমির যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক। শর্ত ভঙ্গ করে লিজের জমি ব্যবহার করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।

ভূমি অফিসের সেবার মান বৃদ্ধি ও দুর্নীতি রোধে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘প্রশাসনের কর্মকর্তারা জনগণের শাসক নন, সেবক। জনগণের করের টাকায় আমাদের বেতন হয়, তাই সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারি কর্মকর্তার পাশাপাশি সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষকসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন তিনি। তথ্য সূত্র : বাসস।