• ই-পেপার

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে জেলা কমিটি, প্রজ্ঞাপন জারি

কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে সকাল পৌনে ৯টায় গুলশানের বাসা থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে যাচ্ছেন বিমানে। গুলশানের বাসা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান আছেন।’

বৃক্ষরোপণ, খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি।

সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজারের পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার কর্মসূচি শুরু করবেন এবং সেখানে একটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে জেলায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

কক্সবাজারের ‍পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাসস
কক্সবাজারের ‍পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : পিএমও

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ‍্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকাল ৯টায় বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান ছেড়েছে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় গুলশানের বাসা থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। 

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে যাচ্ছেন বিমানে। গুলশানের বাসা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান আছেন।

কক্সবাজার পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টায় পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার কর্মসূচি শুরু করবেন এবং সেখানে একটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। সকালে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করে মাছুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, এরপর পেকুয়া উপজেলায় ২৪-এর জুলাই বৈষ্যমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ  মো. ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত এবং শহীদ ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, তারপর নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা এবং মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগদান। 

এরপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন এবং সন্ধ্যায় লং বিচ হোটেলে সুধী সমাবেশে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর বিমানে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। 

 

বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনসাসা, ঢাকার বায়ুমানের উন্নতি

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণের শীর্ষে কিনসাসা, ঢাকার বায়ুমানের উন্নতি

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নকাজের জন্য দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ ঢাকার বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বায়ুমানের স্কোর ৯২। যা মাঝারি মানের ধরা হয়।

আজ বিশ্বে বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনসাসা, যার বায়ুমান স্কোর ১৬৯। যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে ১২২ নগরীর মধ্যে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা রয়েছে ১২তম স্থানে। যার বায়ুমান স্কোর ৯২।

শুক্রবার (১১ জুন) সকালে প্রকাশিত সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। একিউআই মানদণ্ড অনুযায়ী, ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে স্কোর থাকলে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এদিকে, আজ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উগান্ডারর রাজধানী কাম্পালা। যার বায়ুমান স্কোর ১৫৩। এরপরের অবস্থানে রয়েছে চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো যার বায়ুমান স্কোর ১২৪। এরপর রয়েছে দুবাই ও জেরুজালেম। এদের বায়ুমান স্কোর ১১৭, ১০৫।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ০ থেকে ৫০ স্কোরকে ভালো, ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর হলে তা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যান।

বায়ুদূষণের কারণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।

হজ শেষে ফিরলেন ৫৪৩২৩ হাজি, মারা গেছেন ৫০

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরলেন ৫৪৩২৩ হাজি, মারা গেছেন ৫০

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১২৭টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ জন বাংলাদেশি হাজি। দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫০ হাজার ১০ জন।

এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫০ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, ১৩ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ৯৫২ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ১৯ হাজার ২৮৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৩ হাজার ৭০৬ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১২৭টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৫৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬২ হাজার ৮৩৭টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৬৬৫টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৪১০ জন বাংলাদেশি হাজি। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৮ জন। তাদের মধ্যে সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতালে ৫ জন, আন-নুর হাসপাতালে ৩ জন, কিং আব্দুল্লাহ মেডিক্যাল সিটি হসপিটালে ১ জন, মক্কা মেডিক্যাল সেন্টারে ৪, হেরা জেনারেল হাসপাতালে ২, হায়াত ন্যাশনাল হাসপাতালে ১, কিং ফাহাদ জেনারেল হাসপাতালে ২ ভর্তি রয়েছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।