• ই-পেপার

অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা বিটিআরসির

বিশ্বকাপ ঘিরে সাইবার প্রতারণা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপ ঘিরে সাইবার প্রতারণা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি
ছবি: এআই জেনারেটেড

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধীদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সুযোগে বিশ্বকাপপ্রেমীদের টার্গেট করে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন প্রতারণা চালানো হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ৩৩৬টি ভুয়া ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলো দেখতে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মের মতো।

ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা ফ্রি লাইভ স্ট্রিমিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করাচ্ছে। কোথাও নিবন্ধনের নামে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, আবার কোথাও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে অর্থ পরিশোধের শর্ত দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব সাইটের মাধ্যমে ম্যালওয়্যারও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীর ডিভাইস ও ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

এ ছাড়া ভুয়া বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইট, ম্যাচ পূর্বাভাস সেবা, নকল টিকিট বিক্রি এবং ফেক মার্চেন্ডাইজের ফাঁদও তৈরি করা হয়েছে। এসব প্ল্যাটফর্মে নাম, ই-মেইল, ফোন নম্বর ও অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য সংগ্রহ করে পরে প্রতারণা বা অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের লক্ষ্য করে ফিশিং ই-মেইল পাঠিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে ক্যাসপারস্কি ব্যবহারকারীদের শুধু অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অ্যাপ এবং অনুমোদিত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো লিংকে প্রবেশের আগে ওয়েবসাইটের ঠিকানা যাচাই করা, সন্দেহজনক ই-মেইল বা অফার এড়িয়ে চলা এবং নির্ভরযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যদিকে বিশ্বকাপ উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অফার চালু করেছে বাংলালিংক। অফারের আওতায় বাংলাদেশের খেলার সময় দলের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া টফি অ্যাপে বিশ্বকাপের লাইভ স্ট্রিমিং, বিশেষ ডেটা প্যাক এবং বিভিন্ন রিওয়ার্ড সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে।

তবে বাংলালিংকও গ্রাহকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বোনাস বা অন্যান্য অফার গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু অফিসিয়াল মাই বিএল অ্যাপ, টফি অ্যাপ বা বাংলালিংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহার করা উচিত। কোনো থার্ড-পার্টি লিংক বা অচেনা ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার 

ভুল নম্বরে বিকাশে টাকা, ফেরত পাওয়ার সুযোগ কতটা?

অনলাইন ডেস্ক
ভুল নম্বরে বিকাশে টাকা, ফেরত পাওয়ার সুযোগ কতটা?
ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্তমানে টাকা পাঠানো থেকে শুরু করে বিল পরিশোধ—সব কিছুই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করা হচ্ছে। তবে তাড়াহুড়া বা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় ভুল নম্বরে টাকা চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা না জানায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ প্রাপক টাকা তুলে ফেলার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারলে টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

নম্বরটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট না হলে

যে নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে সেটিতে যদি বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা না থাকে, তাহলে টাকা ফেরত পাওয়া তুলনামূলক সহজ।

বিকাশ অ্যাপের ‘সেন্ড মানি’ অপশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের পাশে ‘ক্যানসেল’ অপশন দেখা গেলে সেটিতে ক্লিক করে টাকা ফেরত নেওয়া যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাতিল না করলেও অনেক ক্ষেত্রে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে।

নম্বরটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট হলে

যদি নম্বরটিতে আগে থেকেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রথমেই নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডিতে ট্রানজেকশন আইডি, তারিখ, সময় ও টাকার পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

এরপর বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭ নম্বরে কল করে অথবা লাইভ চ্যাটে বিষয়টি জানাতে হবে। প্রয়োজনে জিডির কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং লেনদেনের তথ্য নিয়ে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে।

প্রাপককে ফোন করা কি ঠিক?

অনেকে ভুল নম্বরে টাকা পাঠানোর পর সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে ফোন করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কারণ প্রাপক বিষয়টি জানার পর দ্রুত টাকা তুলে ফেলতে পারেন বা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিতে পারেন। তাই আগে অফিশিয়ালভাবে অভিযোগ করা বেশি নিরাপদ।

টাকা কিভাবে ফেরত পাওয়া যায়?

বিকাশ সরাসরি কারও অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে অন্যকে দিতে পারে না। তাই প্রাপকের সম্মতি প্রয়োজন হয়।

প্রাপক যদি ভুল লেনদেনের বিষয়টি স্বীকার করে টাকা ফেরত দিতে রাজি হন, তাহলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় টাকা ফেরত পাওয়া যায়। আর প্রাপক রাজি না হলে আইনি প্রক্রিয়ার সহায়তা নিতে হতে পারে।

সতর্ক থাকুন

ভুল নম্বরে টাকা পাঠানো এড়াতে টাকা পাঠানোর আগে নম্বর দুই-তিনবার মিলিয়ে নিন। প্রাপকের নাম দেখে নিশ্চিত হয়ে তারপর পিন নম্বর দিন। বড় অঙ্কের টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে আরো বেশি সতর্ক থাকা উচিত।

উল্লেখ্য, সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপই ভুল লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সবচেয়ে বড় উপায়।

২৯৯ ডলারে নতুন এআই স্মার্ট চশমা আনছে মেটা

অনলাইন ডেস্ক
২৯৯ ডলারে নতুন এআই স্মার্ট চশমা আনছে মেটা
ছবিঃ রয়টার্স

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা নতুন একটি স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে মঙ্গলবার। এর দাম রাখা হয়েছে ২৯৯ ডলার (প্রায় ৩৬,৭৮০ বাংলাদেশি টাকা)। এটি কম্পানির আগের প্রজন্মের স্মার্ট চশমার তুলনায় অন্তত ৮০ ডলার (প্রায় ৯,৮৩২ বাংলাদেশী টাকা) কম।

 মঙ্গলবার (২৩ জুন) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়।

নতুন মেটা গ্লাস তৈরি করা হয়েছে চশমা নির্মাতা  এসিলরলুক্সোটিকা-এর সহযোগিতায়। তবে এতে  রে-ব্যান বা ওকলি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করা হয়নি।
 
চশমাটিতে কোনো ডিসপ্লে বা স্ক্রিন নেই। তবে এতে ক্যামেরা, স্পিকার এবং মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এআইকে প্রশ্ন করতে পারবেন, আশপাশের কোনো লেখা অনুবাদ করতে পারবেন, কোনো বস্তু সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন এবং ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে পারবেন।

বর্তমানে স্মার্ট চশমার বাজার এখনো ছোট হলেও এই খাতে মেটা ও এসিলরলুক্সোটিকা শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০২১ সালে প্রথম স্মার্ট চশমা উন্মোচনের পর থেকে তারা কয়েক মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করেছে এবং বাজারের ৮০ শতাংশের বেশি অংশ দখল করে আছে।

মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ মনে করেন, এ ধরনের হালকা স্মার্ট চশমা ভবিষ্যতের আরো উন্নত পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করবে। ভবিষ্যতে এমন চশমা তৈরি করা হবে, যার লেন্সেই স্ক্রিন ও কম্পিউটিং সুবিধা থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটের তুলনায় স্মার্ট চশমা সাধারণ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ায় এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে মেটা। কম্পানিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুগে নিজস্ব হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চায়।

হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট!

অনলাইন ডেস্ক
হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকে বিভ্রাট!

বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের সেবা ব্যাহত হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা স্বাভাবিকভাবে অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাত ৪টার দিকে এ সমস্যা দেখা দেয়।

এসময় ইনস্টাগ্রামে নতুন ছবি লোড না হওয়া, প্রোফাইল না দেখানোসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা গেছে। তবে অ্যাপের সব অংশ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীরা ত্রুটির বার্তা পাচ্ছেন।

বিভিন্ন প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ সাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম বর্তমানে কিছু অঞ্চলে বা ব্যবহারকারীদের জন্য কারিগরি সমস্যার কারণে কাজ করছে না। সার্ভারে সমস্যার কারণে অ্যাপ লোড হতে সমস্যা (ফিড বা টাইমলাইন রিফ্রেশ না হওয়া), সার্ভার সংযোগ ত্রুটি লগইন দেখাচ্ছে।

প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময়) এবং যুক্তরাজ্যে রাত ১০টার দিকে সমস্যার শুরু হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবহারকারীরা একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন। তবে বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এর আগে, গত ১২ জুন বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফেসবুকে বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল। তখন মোবাইল ও কম্পিউটারে একসঙ্গে ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন ব্যবহারকারীরা। প্ল্যাটফর্মটিতে ঢোকার চেষ্টা করলে উইন্ডোতে ‘সরি, সামথিং ওয়েন্ট রং’ লেখা দেখা যাচ্ছিল। পরে কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর সচল হয় বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।