• ই-পেপার

‘জঘন্য কাজে আমার গান ব্যবহার করবেন না’, ট্রাম্প প্রশাসনকে আরিয়ানা গ্রান্ডে

দীপিকার শৃঙ্খলা দেখে শিখেছি : কঙ্গনা

অনলাইন ডেস্ক
দীপিকার শৃঙ্খলা দেখে শিখেছি : কঙ্গনা

কঙ্গনা রানাওয়াতের নতুন সিনেমা ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ শনিবার (১৩ জুন) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। এই ছবি মুক্তির আবহেই বিনোদন দুনিয়ায় নিজের শুরুর দিনগুলোর লড়াই এবং সমসাময়িক তারকা, বিশেষ করে দীপিকা পাডুকোনের প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করেছেন কঙ্গনা। একই সঙ্গে বলিউডের নতুন প্রজন্মের তারকাদের মধ্যে থাকা নেতিবাচকতা, ঈর্ষা ও নিরাপত্তাহীনতার সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।

ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে কঙ্গনা ‘এন্টারটেইনমেন্ট লাইভ’-কে বলেন, ‘আমি যখন বাড়ি থেকে পালিয়ে মুম্বাই এসেছিলাম, তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১৫-১৬ বছর। পাহাড়ি অঞ্চলের মেয়ে হওয়ায় আমি তখন ভালো করে অর্থপূর্ণ বাক্যও গুছিয়ে বলতে পারতাম না। আমি চারপাশের মানুষকে দেখেই সবকিছু শিখেছি।’ সমসাময়িকদের কাছ থেকে শেখার কথা উল্লেখ করে কঙ্গনা বলেন, ‘দীপিকা পাডুকোন এবং অন্যদের স্পোর্টস বা অ্যাথলেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল, আর আমি এসেছিলাম বিজ্ঞান বিভাগ থেকে। ব্যায়াম, ফিটনেস ও কাজের প্রতি দীপিকাদের শৃঙ্খলা দেখেই আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি এবং নিজেকে গড়ে তুলেছি।’

নতুনদের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কঙ্গনা বলেন, ‘আজকের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আমি প্রচুর নেতিবাচকতা, ঈর্ষা ও বিদ্বেষ দেখি। এই মানসিকতা অত্যন্ত বিষাক্ত। আমার চেয়ে কেউ কম প্রতিভাবান হলে আমি তাকে আগলে রাখি, আর বেশি প্রতিভাবান হলে তার কাছ থেকে শিখি। এখানে নিরাপত্তাহীনতার কোনো জায়গাই নেই।’

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা পাডুকোনের ‘৮ ঘণ্টা কর্মদিবস’-এর দাবিকে পুরোপুরি সমর্থন জানিয়েছেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, ‘দীপিকা এখন একজন মা, তার একটি পরিবার আছে। একজন শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে এই দাবি করার যোগ্যতা তিনি অর্জন করেছেন। আমরা নারীদের ওপর ক্যারিয়ার ও সন্তান সামলানোর দ্বিগুণ চাপ সৃষ্টি করছি, যা ঠিক নয়।’

সূত্র : এনডিটিভি

বোনের জীবন বাঁচাতে সারারাত মন্দিরে কাটাতেন হৃতিক রোশন

অনলাইন ডেস্ক
বোনের জীবন বাঁচাতে সারারাত মন্দিরে কাটাতেন হৃতিক রোশন
সংগৃহীত ছবি

বলিউড সুপারস্টার হৃতিক রোশনের বোন সুনয়না রোশন একসময় স্থূলতা, ফ্যাটি লিভার, জন্ডিস ও যক্ষ্মার (টিবি) মতো একাধিক কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছিলেন। চিকিৎসকেরা যখন আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন ভাইকে পাশে পেয়েছিলেন তিনি। দিদির জীবন বাঁচাতে হৃতিক রোশন কিভাবে দিনের পর দিন রাত জেগে মন্দিরে প্রার্থনা করেছিলেন, সম্প্রতি এক আবেগঘন পোস্টে সেই কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন সুনয়না।

একটা সময়ে অতিরিক্ত ওজনের কারণে সুনয়নার শরীরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছিল। ফ্যাটি লিভারের সমস্যার কারণে তিনি ঘন ঘন জন্ডিসে আক্রান্ত হতেন, যার ফলে তার ওজন আরো বেড়ে যাচ্ছিল। ওজন কমাতে ডায়েট করেও কোনো লাভ হয়নি। একপর্যায়ে ওজন কমানোর নেশায় তিনি শুধু পানি খেয়ে দিন কাটাতে শুরু করেন। খাবার-দাবার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার শরীরের অবস্থা মারাত্মক খারাপ নেয়।

সুনয়না জানান, অসুস্থতার কারণে টানা দুই-তিন দিন তার কোনো জ্ঞান ছিল না, কেবল শ্বাসটুকুই চলছিল। চিকিৎসকেরা পরিবারকে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে সুনয়নার প্যারালাইসিস হতে পারে, এমনকি তিনি কোমাতেও চলে যেতে পারেন। বোনের এই চরম সংকটের সময়ে হৃতিক রোশন হাল ছাড়েননি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, সুনয়না নিজে থেকে খাবার খেতে চাইলে বোঝা যাবে তিনি সুস্থ হচ্ছেন। দিদির জ্ঞান ফেরাতে এবং সুস্থতার জন্য অভিনেতা হৃতিক একটি মন্দিরের বাইরে সারারাত জেগে প্রার্থনা করেছিলেন। ভাইয়ের সেই আন্তরিক প্রার্থনার কয়েকদিন পরেই অলৌকিকভাবে সুনয়না খাবার খেতে চান এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার কিছুদিন পরেই আবার যক্ষ্মা (টিবি) রোগে আক্রান্ত হন সুনয়না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদম কমে যাওয়ায় তাকে এক মাস হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছিল। এরপর রোগটি যেন আবার ফিরে না আসে, সেজন্য চার মাস ঘরের মধ্যে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছিল তাকে। দীর্ঘদিন সঠিক চিকিৎসা এবং ভাই হৃতিক রোশনসহ পুরো পরিবারের অক্লান্ত সমর্থনে শেষ পর্যন্ত কঠিন সব রোগকে জয় করে নিজের জীবনকে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন সুনয়না।

সূত্র : এই সময়

৮৮ বছর বয়সে মারা গেলেন বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি

অনলাইন ডেস্ক
৮৮ বছর বয়সে মারা গেলেন বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি
ছবিঃ রয়টার্স

ব্রিটেনের কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি মারা গেছেন। গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে নিজ বাসভবনে  তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। আর মাত্র এক মাস পরেই তিনি ৮৯তম জন্মদিনে পা দিতেন।

শুক্রবার (১২জুন) দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।  

১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডে জন্ম নেওয়া হকনি ২০শ ও ২১শ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী সমকালীন শিল্পী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ১৯৬০-এর দশকে পপ আর্ট আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা হিসেবে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার সুইমিং পুল, উজ্জ্বল রোদ ও আধুনিক জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে আঁকা তাঁর চিত্রকর্মগুলো বৈশ্বিক শিল্পাঙ্গনে ব্যাপক সমাদৃত হয়। তাঁর বিখ্যাত কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘আ বিগার স্প্ল্যাশ’ এবং ‘পোর্ট্রেট অফ অ্যান আর্টিস্ট (পুল উইথ টু ফিগারস)’।


ছয় দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ কর্মজীবনে হকনি নিজেকে শুধু প্রথাগত চিত্রকলায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। ফটোকোলাজ, ডিজিটাল আর্ট, আইপ্যাডে আঁকা ছবি এবং থ্রিডি প্রযুক্তির ব্যবহারে তিনি শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। শিল্পের নতুন মাধ্যম ও প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর এই নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা তাঁকে সমকালীন শিল্পের অন্যতম প্রধান উদ্ভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

হকনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার । এক শোকবার্তায় তিনি বলেন:

‘হকনির উজ্জ্বল ও সহজেই চেনা যায় এমন অনন্য শিল্পকর্ম বহু প্রজন্মের শিল্পীকে অনুপ্রাণিত করেছে।’

লন্ডনের ‘টেট ব্রিটেন’ এর পরিচালক অ্যালেক্স ফারকুহারসন তাঁকে একজন ‘অসাধারণ সৃজনশীল ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শিল্পী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন:

‘ডেভিড হকনি আমাদের দেখিয়েছেন কীভাবে চারপাশের পৃথিবীকে সম্পূর্ণ নতুন চোখে দেখতে হয়।’

২০১৮ সালে হকনির ১৯৭২ সালের মাস্টারপিস ‘পোর্ট্রেট অফ অ্যান আর্টিস্ট (পুল উইথ টু ফিগারস)’ নিউইয়র্কের এক নিলামে ৯০.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সে সময় জীবিত কোনো শিল্পীর শিল্পকর্ম বিক্রির ক্ষেত্রে এটি ছিল একটি বিশ্বরেকর্ড।

উল্লেখ্য,শিল্পবিশ্বের কাছে ডেভিড হকনি শুধু একজন চিত্রশিল্পী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন আধুনিক শিল্পের ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দেওয়া এক যুগান্তকারী স্রষ্টা। তাঁর রেখে যাওয়া কালজয়ী শিল্পকর্ম আগামী প্রজন্মের কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

‘আমাকে রীতিমতো অন্তর্বাস খুলে দেখাতে হয়েছে’, ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক
‘আমাকে রীতিমতো অন্তর্বাস খুলে দেখাতে হয়েছে’, ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী
সংগৃহীত ছবি

টালিউডের জনপ্রিয় গায়িকা দেবলীনা নন্দী ও তাঁর পাইলট স্বামী প্রবাহ নন্দীর দাম্পত্য সম্পর্ক এখন ভাঙনের পথে। আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলাকালেই শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র আনতে গিয়ে অপমানজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এই শিল্পী। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

কয়েক মাস আগে দেবলীনার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে তিনি রাজারহাটের বাসা ছেড়ে বাবার বাড়িতে ফিরে যান। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে চলে আসে এবং আইনি বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

সম্প্রতি চন্দননগরে অবস্থিত শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা নিজের জিনিসপত্র ফেরত নিতে পুলিশের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান দেবলীনা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোনও। প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ফিরে পেলেও সবকিছু তিনি পাননি বলে দাবি করেছেন।

দেবলীনার অভিযোগ, বিয়ের আশীর্বাদের সময় প্রবাহর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে যে সোনার হার দেওয়া হয়েছিল, যা তাঁর ভাষায় স্ত্রীধনের অংশ, সেটি তাঁকে ফেরত দেওয়া হয়নি। এছাড়া নিজের অর্থে কেনা কিছু আসবাবপত্রও তিনি শ্বশুরবাড়িতে রেখে এসেছেন এবং সেগুলো আর আনেননি।

তবে সবচেয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে দেবলীনা জানান, জিনিসপত্র বুঝে নেওয়ার সময় তাঁর একটি ব্যাগ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়। সেই ব্যাগে ব্যক্তিগত ব্যবহার্য অন্তর্বাস ছাড়া আর কিছু ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। তবু সেটি খুলে দেখানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনার বর্ণনায় দেবলীনা বলেন, ‘আমাকে রীতিমতো আমার অন্তর্বাস খুলে প্রদর্শন করে দেখাতে হয়েছে। আমার দেবর, যাকে আমি নিজের ভাই মনে করতাম, দেখলাম মুখ টিপে হাসছে।’

এই ঘটনার পর তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তাহলে এবার আপনারাই বলুন, কাকে আসল হেনস্তা হতে হলো?’

দেবলীনা জানান, পুরো পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের উপস্থিতিই তাঁকে সহায়তা করেছে। যদিও এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা জিনিসপত্র উদ্ধারের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি।

উল্লেখ্য, প্রায় দেড় বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন দেবলীনা নন্দী ও প্রবাহ নন্দী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং বর্তমানে তারা আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। এর মধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে নিজের জিনিসপত্র ফেরত আনতে গিয়ে অপমানজনক আচরণের অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।