• ই-পেপার

ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

বাসস
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

রাজধানীর অন্যতম উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্র সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। দেড় বছর আগেও এ উদ্যানে ঢুকলেই চোখে পড়ত মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের অবাধ আনাগোনা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা এমনকি দূর-দূরান্ত থেকেও এখানে অনেকে আসত মাদক সেবনের উদ্দেশ্যে। তবে সেই দৃশ্যপট এখন অনেকটাই বদলে গেছে। পুলিশের কঠোর নজরদারি, নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের ফলে এখানে কমে এসেছে মাদকের দৌরাত্ম্য।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক কার্যক্রম প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের গত তিন মাসে (মার্চ, এপ্রিল ও মে) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে মাদক সেবন ও বিক্রির কারণে ৫৩৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে মার্চ মাসে ১১৭ জন, এপ্রিল মাসে ১৭৬ জন এবং মে মাসে ২৪৬ জন।

সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান একটি বড় উন্মুক্ত জনসমাগমের স্থান।

করপোরেট চাকরিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে আসত মাদক সেবনের জন্য। আগে উদ্যানে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যেত গাঁজা। ইয়াবার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মাঝেমধ্যে ইনজেকশনজাতীয় কিছু মাদকও পাওয়া গেলেও এর পরিমাণ ছিল সীমিত।

কর্মকর্তারা আরো বলেন, উদ্যানে সক্রিয় মাদক বিক্রেতাদের অধিকাংশই ছিল ভাসমান প্রকৃতির। স্থায়ী কোনো ঠিকানা না থাকায় সুযোগ পেলেই তারা মাদক বিক্রির চেষ্টা করত। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হলেও অতীতে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। তবে গত দেড় বছর ধরে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এই সময়ে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক নির্মূলকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তারা জানান, একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল ২৪ ঘণ্টা উদ্যানে দায়িত্ব পালন করে। আগে গ্রেপ্তার হওয়া অনেক মাদক ব্যবসায়ী জামিনে বের হয়ে আবার একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। কিন্তু ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তারা বুঝতে পেরেছে যে আগের মতো এখানে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া অস্থায়ী টংঘর উচ্ছেদ করায় তাদের অবস্থানও কমে গেছে। ফলে উদ্যানে মাদক ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

এ উদ্যানে ইউনিফর্মধারী পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে প্রায়ই অভিযান চালানো হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে শাহবাগ থানা পুলিশ চলতি বছরের ১৩ মে একটি অভিনব কৌশলও অবলম্বন করে। ওইদিন রাত ৯টার দিকে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিচরণ ঠেকাতে ছদ্মবেশে গিটার বাজিয়ে গান গাওয়ার আসর জমায়। একপর্যায়ে সেখানে মাদকসেবী ও কারবারিরা জড়ো হলে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ সাতজনকে হাতেনাতে আটক করে। পরে রমনা বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।

এ বিষয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলামিন বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত রাখতে আমরা নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। গত দেড় বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার ফলে এখানে মাদক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। একসময় দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে মাদক সেবনের উদ্দেশ্যে উদ্যানে আসত। তবে বর্তমানে কঠোর নজরদারি ও অভিযানের কারণে সেই পরিস্থিতির অনেকখানি পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মাদক বিক্রেতাদের অধিকাংশই ভাসমান প্রকৃতির হলেও আমরা তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণ নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে সাধারণ মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

পুলিশ জানিয়েছে, আগে মাদকের অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে কিছু ব্যক্তি ছিনতাইয়ের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। তবে বর্তমানে মাদক নিয়ন্ত্রণে আসায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড কমেছে। ইভটিজিংয়ের ঘটনাও এখন খুবই সীমিত। তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মাইকিং, জনসচেতনতামূলক বক্তব্য এবং বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হচ্ছে। একই সঙ্গে সবাইকে উদ্যানে ঘুরতে আসার আহ্বান জানিয়ে মাদক থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শান্ত বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক সেবন ও বিক্রি কমেছে। তবে, আমরা চাই এ উদ্যানের পরিবেশ পার্শ্ববর্তী রমনা পার্কের মতো হোক। রমনা পার্কে যদি সুন্দর পরিবেশ থাকে তাহলে এখানে সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে সমস্যা কোথায়? সব শ্রেণির মানুষ যাতে এখানে ঘুরতে আসতে পারে সেটির ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি।

শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভাসমান লোকজনের মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক কেনাবেচা হয়। অভিযান চালানোয় এখানে মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমে গেছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। আমরা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের নিয়মিত ফুট পেট্রোল কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নজরদারি থাকে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ টিম দায়িত্ব পালন করে এবং তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যরা প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করে।

এ ছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আমরা আরও উৎসাহিত করেছি। তাদের সহযোগিতায় উদ্যানে আগত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায় এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে দ্রুত অপারেশন পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, কোনো অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা বাস্তবে খুবই কঠিন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি মাদক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করতে। শতভাগ সফল হতে পারব কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যতটা সম্ভব মাদক নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কাউকে যাতে মাদক গ্রহণের সুযোগ না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

শাহজালালে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল, দরজা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
শাহজালালে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল, দরজা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চট্টগ্রামগামী একটি উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে। উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত বুধবার (২৪ জুন) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটটি রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় উড়োজাহাজ থেকে যাত্রীদের দ্রুত বের করে আনা হয়।

জানা গেছে, ফ্লাইটটিতে মোট ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। ইঞ্জিনে ত্রুটির বিষয়টি জানাজানি হলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই নিজেদের মালামাল নিয়ে দ্রুত নামার চেষ্টা করেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, ককপিটের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় অগ্নি-সতর্ক সংকেত দেখা গেলে পাইলট সঙ্গে সঙ্গে উড়োজাহাজ থামিয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষকে বিষয়টি জানান। এরপর নিরাপত্তা বিধি মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, উড্ডয়নের আগেই সমস্যা শনাক্ত হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ফ্লাইটটি সকাল ৭টায় ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও ঘটনার কারণে বিলম্ব হয়। পরে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সকাল ৮টার দিকে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করে।

হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু

অনলাইন ডেস্ক
হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১০টার পর মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের কালো পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে।

নারী, পুরুষ ও শিশু—সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে হোসেনি দালান এলাকায় সকাল থেকেই শোকের আবহ বিরাজ করে। তারা কারবালার শোকাবহ ঘটনার স্মরণে মাতম করছেন এবং বিভিন্ন শোকগাথা ও ধর্মীয় স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকেই প্রতীকী তাজিয়া বহন করছেন। অনেকের হাতে প্রতীকী ছুরি, আলাম, নিশান, বেস্তা ও বইলালাম শোভা যায়- যা কারবালার ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেয়। 

তাদের ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ ধ্বনিতে রাজধানীর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শোকযাত্রাটি আজিমপুর, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, সায়েন্সল্যাব হয়ে ধানমন্ডিতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হোসেনি দালান ও আশপাশের এলাকায় সোয়াত, র‍্যাব, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং মিছিলের পুরো পথজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপরও নজরদারি চালানো হয়।

প্রতিবছর পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়। কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তার পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের শাহাদাতের স্মরণে শিয়া সম্প্রদায় এ শোক মিছিল আয়োজন করে। 

তাজিয়া মিছিল

হোসেনি দালান এলাকায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
হোসেনি দালান এলাকায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে পুরান ঢাকার হোসেনি দালান থেকে বের হওয়া ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেকোনো নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সোয়াত, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল থেকে পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এলাকাজুড়ে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোসেনি দালানের প্রবেশমুখে অবস্থান নিয়েছেন সোয়াত সদস্যরা। র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরাও সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাজিয়া মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

সকাল থেকেই শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের হোসেনি দালানে জড়ো হয়ে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়। কালো পোশাকে নারী-পুরুষ ও শিশুরা ইমাম হাসান (রা.) এবং ইমাম হুসাইন (রা.)সহ কারবালার শহীদদের স্মরণে শোক পালন করছেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে নির্ধারিত সময়ে হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে।